প্রবেশদ্বার:চিকিৎসাবিদ্যা

চিকিৎসাবিদ্যা

Physician examining a patient.

চিকিৎসাবিদ্যা হল স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের শাখা এবং রোগ ও আঘাতের অধ্যয়ন, নির্ণয় এবং চিকিত্সার মাধ্যমে মানব স্বাস্থ্য বজায় রাখা বা পুনরুদ্ধার করার সাথে সম্পর্কিত জনজীবনের খাত। এটি তন্ত্রগুলির একটি বিজ্ঞান তাদের রোগ — এবং চিকিত্সা উভয় জ্ঞানের একটি ক্ষেত্র এবং সেই জ্ঞানের প্রয়োগ অনুশীলন — একটি শিল্প বা নৈপুণ্য। যাইহোক, ওষুধ প্রায়শই চিকিত্সক এবং শল্যচিকিৎসকদের দ্বারা পরিচালিত বিষয়গুলিকে আরও নির্দিষ্টভাবে বোঝায়।

চিকিৎসাবিদ্যা হল জ্ঞানের একটি ক্ষেত্র (একটি বিজ্ঞান), এবং সেই জ্ঞানের প্রয়োগ (চিকিৎসা পেশা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য পেশাদার যেমন নার্সদের দ্বারা)। চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিশেষ শাখা বিশেষ অঙ্গ বা রোগের সাথে সম্পর্কিত বিশেষায়িত চিকিৎসা পেশার সাথে মিলে যায়। ওষুধ বিজ্ঞান হল শরীরের তন্ত্র ও রোগের জ্ঞান, যখন ওষুধ পেশা বলতে সেই জ্ঞান প্রয়োগ করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষিত সামাজিক গোষ্ঠীর লোকদের বোঝায়।

অভ্যন্তরীণ ওষুধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ হিসাবে চিকিৎসা পেশাদারদের দ্বারা চিকিৎসাবিদ্যার ব্যবহার করা হয়। প্রাণি চিকিৎসাবিজ্ঞান হল মানুষ ব্যতীত অন্যান্য প্রাণী প্রজাতির স্বাস্থ্যসেবার অনুশীলন।

নির্বাচিত নিবন্ধ

লাল ফিতা, যা এইচ.আই.ভি. ভাইরাস (মানব প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস) দ্বারা সংক্রামিত ব্যক্তি ও এইডস রোগে আক্রান্তদের সাথে সহমর্মিতা প্রকাশের প্রতীক।

এইডস (ইংরেজি:[AIDS]; পূর্ণরূপ: Acquired Immuno Deficiency Syndrome) বা "((অর্জিত প্রতিরক্ষার অভাবজনিত রোগলক্ষণসমষ্টি))" হচ্ছে এইচ.আই.ভি. (HIV; পূর্ণরূপ: "((Human Immunodeficiency Virus) তথা "মানব প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস" নামক ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট একটি রোগলক্ষণসমষ্টি, যা মানুষের দেহে রোগ-প্রতিরোধের ক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা তথা অনাক্রম্যতা হ্রাস করে। এর ফলে একজন এইডস রোগী খুব সহজেই যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটাতে পারে।

এইচ.আই.ভি. (মানব প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস) সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গেই সর্বদা এইডস হয়না। শুরুতে ক্ষেত্রবিশেষে ইনফ্লুয়েঞ্জা জাতীয় উপসর্গ দেখা যেতে পারে। এরপর বহুদিন কোনও উপসর্গ দেখা যায় না। এইচ.আই.ভি. ভাইরাসের আক্রমণ বৃদ্ধির সাথে সাথে দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র বা অনাক্রম্যতন্ত্র দুর্বল হতে থাকে এবং আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণ সংক্রামক ব্যাধি যেমন যক্ষ্মায় যেমন আক্রান্ত হতে পারেন, তেমনই সুযোগসন্ধানী সংক্রামক ব্যাধি এবং অর্বুদ বা টিউমারের শিকার হতে পারেন, যেগুলি কেবলমাত্র সেসব লোকেরই হয়, যাদের দেহের অনাক্রম্যতন্ত্র (বা রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা) কাজ করে না। এইচ.আই.ভি. সংক্রমণের এই পর্যায়টিকেই এইডস বলা হয়। এই পর্যায়ে প্রায়শই রোগীর অনিচ্ছাকৃতভাবে ও অত্যধিক পরিমাণে ওজন হ্রাস পায়। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়শ্রেনীসমূহ

বিষয়শ্রেণী ধাঁধা
বিষয়শ্রেণী ধাঁধা
উপবিষয়শ্রেণী দেখার জন্য [►] ক্লিক করুন

যা আপনি করতে পারেন

  • উইকিপ্রকল্প চিকিৎসাবিদ্যায় যোগ দিতে পারেন।
  • চিকিৎসা ও চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ক নতুন নিবন্ধ তৈরি অথবা অন্য উইকিপ্রকল্প হতে অনুবাদ করতে পারেন।
  • চিকিৎসাবিদ্যা বিষয়ক টেমপ্লেট হতে লাল লিঙ্ক থাকা বিষয় নিয়ে নিবন্ধ রচনা করতে পারেন।
  • বর্তমান নিবন্ধসমূহ তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ, সম্প্রসারণ ও রচনাশৈলীর উন্নয়ন করতে পারেন।
  • নিবন্ধগুলিতে উইকিমিডিয়া কমন্স হতে দরকারী ও প্রাসঙ্গিক মুক্ত চিত্র যুক্ত করতে পারেন।
  • চিকিৎসাবিদ্যা সংক্রান্ত নিবন্ধসমূহে চিকিৎসাচিকিৎসাবিদ্যা না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
  • নিবন্ধসমূহে তথ্যসূত্রের ঘাটতি থাকলে, পর্যাপ্ত সূত্র যোগ করতে পারেন।
  • চিকিৎসাবিদ্যা সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহের শেষে {{প্রবেশদ্বার দণ্ড|চিকিৎসাবিদ্যা}} যুক্ত করতে পারেন।

জানেন কি

উল্লিখিত তথ্যগুলি উইকিপিডিয়া:আপনি জানেন কি প্রকল্পের অংশ হিসেবে প্রধান পাতায় প্রদর্শিত হয়েছে।

নির্বাচিত জীবনী

স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং এফআরএস এফআরএসই FRCS (৬ আগস্ট ১৮৮১ - ১১ মার্চ ১৯৫৫) ছিলেন এক বিশ্ববিশ্রুত স্কটিশ চিকিৎসক, অণুজীব বিজ্ঞানী, বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক 'বিংশ শতকের বিস্ময়' পেনিসিলিন আবিষ্কারের জন্য সমধিক পরিচিত ছিলেন। ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দের তার এই আবিষ্কার পরবর্তীতে বেঞ্জিলপেনিসিলিন তথা পেনিসিলিন-জি নামে নামাঙ্কিত হয়। 'পেনিসিলিয়াম রুবেনস' নামক এক শ্রেণীর ছত্রাক নিঃসৃত তরলকে বিশুদ্ধ করে তৈরি করেন অ্যান্টিবায়োটিক শ্রেণীর ওষুধ। এই আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে অপর দুই ইংরেজ রসায়ন বিজ্ঞানী হাওয়ার্ড ফ্লোরি অ্যার্নেস্ট চেইনের সাথে যৌথভাবে চিকিৎসা বিজ্ঞানে লাভ করেন নোবেল পুরস্কার। চিকিৎসা বিজ্ঞানে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি ১৯৪৪ খ্রিস্টাব্দে নাইট উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯৯৯ খ্রিস্টাব্দে টাইম পত্রিকার সমীক্ষায় বিশ শতকের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য একশো ব্যক্তিত্বদের অন্যতম বিবেচিত হন। এছাড়া ও ২০০২ খ্রিস্টাব্দের বিবিসি টেলিভিশনের সমীক্ষায় গ্রেট ব্রিটেনের একশো ব্যক্তিত্বদের অন্যতম ও ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে এসটিভি টিভি চ্যানেলের বিচারে রবার্ট বার্নস ও উইলিয়াম ওয়ালেসের পর তিনি তৃতীয় গ্রেটেস্ট স্কট নির্বাচিত হন। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বারসমূহ

বিষয়

উইকিমিডিয়া


উইকিসংবাদে চিকিৎসাবিদ্যা
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস


উইকিউক্তিতে চিকিৎসাবিদ্যা
উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন


উইকিসংকলনে চিকিৎসাবিদ্যা
উন্মুক্ত পাঠাগার


উইকিবইয়ে চিকিৎসাবিদ্যা
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল


উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাবিদ্যা
উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম


উইকিমিডিয়া কমন্সে চিকিৎসাবিদ্যা
মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার


উইকিঅভিধানে চিকিৎসাবিদ্যা
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ


উইকিউপাত্তে চিকিৎসাবিদ্যা
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার


উইকিভ্রমণে চিকিৎসাবিদ্যা
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন