প্রবেশদ্বার:ক্রীড়া

ক্রীড়া প্রবেশদ্বার

শৈশবে খেলাধুলা। ফুটবল, উপরে প্রদর্শিত, একটি দলগত খেলা যা শারীরিক সক্ষমতা এবং সামাজিক যোগাযোগের দক্ষতা তৈরিতে সহায়তা করে।

ক্রীড়া হচ্ছে একটি সংগঠিত, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, বিনোদনধর্মী এবং দক্ষতাসূচক শারীরিক কার্যকলাপ প্রদর্শনের উত্তম ক্ষেত্র। শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তা, কলা-কৌশল এবং সুস্থ ক্রীড়া প্রদর্শন করে একজন বিজয়ী তার অপূর্ব ক্রীড়াশৈলীর নিদর্শন রাখতে পারেন। এটি পরিচালিত হয় একগুচ্ছ নিয়ম-কানুন বা নিজস্ব চিন্তা-চেতনার মাধ্যম। খেলার প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে শারীরিক সক্ষমতা, দক্ষতা ও মর্যাদা যাতে বিজয়ী এবং বিজিত পক্ষ নির্ধারিত হয়। শারীরিক সক্ষমতা হিসেবে মানুষ, প্রাণীসহ বল, যন্ত্র ইত্যাদি সরঞ্জামাদি জড়িত। এছাড়াও মনঃস্তাত্তিক খেলাধুলা হিসেবে কার্ড গেম এবং বোর্ড গেম রয়েছে। এগুলোর কিছু আবার আন্তর্জাতিক অলিম্পিক ক্রীড়া সংস্থা কর্তৃক স্বীকৃত।

শারীরিক ইভেন্টগুলো যেমন গোল করা কিংবা নির্দিষ্ট রেখা অতিক্রম করলে খেলায় ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এছাড়াও, ডাইভিং, ফিগার স্কেটিংয়ে খুব ভাল করার দক্ষতা যাচাই ও প্রদর্শন করা অন্যতম বিচার্য বিষয়। ব্যতিক্রম হিসেবে বডি বিল্ডিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোয় দক্ষতা প্রদশর্নকে গণ্য করা হয় না। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)


নির্বাচিত নিবন্ধ
প্রাচীন মিশরীয় কুস্তি

প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে, কুস্তি এবং মল্লযুদ্ধ খেলার দীর্ঘ এবং জটিল ইতিহাস রয়েছে। এর অনেক ঐতিহ্যগত ধরন রয়েছে যার মধ্যে টিকে থাকা, দলগত কুস্তি ইত্যাদি। আরও আনুষ্ঠানিক ব্যবস্থায় বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ধরনের মার্শাল আর্টের সাথে পরিবর্তিত করা হয়েছে, যেখানে কৌশলগুলি নিরস্ত্র যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তু (আকর্ষণীয় কৌশল হিসেবে সম্পূরক)।

আধুনিক কুস্তির ইতিহাস এর জনপ্রিয়তা শুরু হয় ১৯ শতকে, যা ইউরোপীয় মহাদেশ ও গ্রিস-রোমান অঞ্চলে আধুনিক খেলা হিসেবে এবং যথাক্রমে গ্রেট ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিস্টাইল কুস্তি এবং কলেজিয়েট কুস্তি উন্নয়নের সূচনা করে। এই খেলাটি ২০ শতকের দিকে অসাধারণ জনপ্রিয়তা পায়। ১৯২০-এর দশকে, ক্রীড়া প্রতিযোগিতার একটি ফর্ম হিসাবে কুস্তি দেখান হয়, যা এখন পেশাদার কুস্তি হিসাবে পরিচিত, প্রতিযোগিতামূলক খেলা কুস্তি থেকে আলাদা, যা এখন অপেশাদার কুস্তি হিসাবে পরিচিত। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)


নির্বাচিত চিত্র
কৃতিত্ব: caribbeancricket / Ryan
২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ষোলটি দেশের অধিনায়ক একসঙ্গে জড়ো হয়েছেন।


আপনি জানেন কি...


নির্বাচিত উক্তি


নির্বাচিত জীবনী

লিওনেল আন্দ্রেস “লিও” মেসি (স্পেনীয় উচ্চারণ: [ljoˈnel anˈdɾes ˈmesi] (শুনুন); জন্ম: (২৪ জুন ১৯৮৭) একজন আর্জেন্টাইন পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড় যিনি মেজর লিগ সকার ক্লাব ইন্টার মায়ামি এবং আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে একজন আক্রমণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি বর্তমানে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ৫ই আগস্ট, ২০২১ তারিখে বার্সেলোনা ঘোষণা করে যে লিওনেল মেসি ক্লাবের সাথে চুক্তি নবায়ন করবেন না। ক্লাবটি মেসির চলে যাওয়ার কারণ হিসাবে স্প্যানিশ লিগার নিয়মকানুন দ্বারা সৃষ্ট আর্থিক এবং কাঠামোগত বাধার কথা উল্লেখ করেছে। মেসি বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত।

লিওনেল মেসি টানা চারবারসহ মোট আটবার ব্যালন ডি'অর জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, যা ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর পাশাপাশি তিনি সর্বোচ্চ ছয়বার ইউরোপীয় সোনালী জুতো জয়েরও কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তাঁর পেশাদার ফুটবল জীবনের পুরোটাই কেটেছে বার্সেলোনায়। যেখানে তিনি ১০টি লা লিগা, ৪টি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং ৬টি কোপা দেল রেসহ মোট ৩৩টি শিরোপা জয় করেছেন, যা বার্সেলোনার ইতিহাসে কোন খেলোয়াড়ের পক্ষে সর্বোচ্চ। এছাড়াও একজন অসাধারণ গোলদাতা হিসেবে মেসির দখলে রয়েছে লা লিগায় সর্বোচ্চ সংখ্যক গোল (৪৪০), লা লিগা ও ইউরোপের যেকোনো লিগে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল (৫০), ইউরোপে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল (৭৩), এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ গোল (৯১), এল ক্লাসিকোর ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোল (২৬) এবং লা লিগা (৩৪) ও চ্যাম্পিয়নস লিগে (৮) সর্বোচ্চ হ্যাট্রিকের কৃতিত্ব। পাশাপাশি মেসি একজন সৃষ্টিশীল প্লেমেকার হিসেবেও পরিচিত। তিনি লা লিগা (১৮৩) এবং কোপা আমেরিকার (১২) ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলে সহায়তাকারীর কৃতিত্বেরও মালিক। জাতীয় দল এবং ক্লাবের হয়ে তিনি ৮০০ এর অধিক পেশাদার গোল করেছেন। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)


নির্বাচিত দল

ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল (ইংরেজি: England cricket team) যা ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস দেশের প্রতিনিধিত্ব করে। ১৯৯২ সালের পূর্ব পর্যন্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল স্কটল্যান্ড দেশেরও প্রতিনিধিত্ব করতো। ১ জানুয়ারি, ১৯৯৭ সাল থেকে দলটি ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) কর্তৃক পরিচালিত হয়ে আসছে। এর পূর্বে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল মেরিলেবোন ক্রিকেট ক্লাব বা এমসিসি কর্তৃক ১৯০৩ থেকে ১৯৯৬ সালের শেষার্ধ পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছিল। (সম্পূর্ণ নিবন্ধ...)

ক্রিয়া ইতিহাসে এই মাসে


বিষয়শ্রেণী অনুসন্ধান
উপবিষয়শ্রেণী দেখার জন্য [►] ক্লিক করুন

আপনি কি করতে পারেন

অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়াবিদ টম উইলসের তৈলচিত্র
অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়াবিদ টম উইলসের তৈলচিত্র
  • ক্রীড়া বিষয়ক নতুন নিবন্ধ তৈরি অথবা অন্য উইকিপ্রকল্প হতে অনুবাদ করতে পারেন।
  • বর্তমান নিবন্ধসমূহ তথ্য দিয়ে সমৃদ্ধ, সম্প্রসারণ ও রচনাশৈলীর উন্নয়ন করতে পারেন।
  • নিবন্ধগুলিতে উইকিমিডিয়া কমন্স হতে দরকারী ও প্রাসঙ্গিক মুক্ত চিত্র যুক্ত করতে পারেন।
  • ক্রীড়া সংক্রান্ত নিবন্ধসমূহে বিষয়শ্রেণী না থাকলে যুক্ত করতে পারেন।
  • নিবন্ধসমূহে তথ্যসূত্রের ঘাটতি থাকলে, পর্যাপ্ত সূত্র যোগ করতে পারেন।
  • ক্রীড়া সম্পর্কিত নিবন্ধসমূহের শেষে {{প্রবেশদ্বার দণ্ড|ক্রীড়া}} যুক্ত করতে পারেন।

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বার


অন্যান্য প্রকল্পে


উইকিসংবাদে ক্রীড়া
উন্মুক্ত সংবাদ উৎস


উইকিউক্তিতে ক্রীড়া
উক্তি-উদ্ধৃতির সংকলন


উইকিসংকলনে ক্রীড়া
উন্মুক্ত পাঠাগার


উইকিবইয়ে ক্রীড়া
উন্মুক্ত পাঠ্যপুস্তক ও ম্যানুয়াল


উইকিবিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রীড়া
উন্মুক্ত শিক্ষা মাধ্যম


উইকিমিডিয়া কমন্সে ক্রীড়া
মুক্ত মিডিয়া ভাণ্ডার


উইকিঅভিধানে ক্রীড়া
অভিধান ও সমার্থশব্দকোষ


উইকিউপাত্তে ক্রীড়া
উন্মুক্ত জ্ঞানভান্ডার


উইকিভ্রমণে ক্রীড়া
উন্মুক্ত ভ্রমণ নির্দেশিকা