প্রধান মেনু খুলুন

পূর্ব তিমুর জাতীয় ফুটবল দল

পূর্ব তিমুর জাতীয় ফুটবল দল হচ্ছে পূর্ব তিমুর (তিমর-লেস্টে) এর জাতীয় দল এবং পূর্ব তিমুর ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত দল। ১২ ই সেপ্টেম্বর ২০০৫ তারিখে পূর্ব তিমুর জাতীয় ফুটবল দল ফিফা এর সদস্যপদ লাভ করেছে।

 পূর্ব তিমুর
ডাকনাম(সমূহ)ও সোল নাস্কেন্তে
(উদিত সূর্য্য), ক্ষুদ্র সাম্বা জাতি
অ্যাসোসিয়েশনপূর্ব তিমুর ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনএএফসি (এশিয়া)
সাব-কনফেডারেশনএএফএফ (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া)
অধিনায়কআংগিসু বারবোসা[১]
সর্বাধিক ম্যাচ খেলা খেলোয়াড়আংগিসু বারবোসা (২৭)
শীর্ষ গোলদাতামুরিলো দে আলমেইদা (৬)
স্বাগতিক স্টেডিয়ামজাতীয় স্টেডিয়াম
ফিফা কোডTLS (টিএলএস)
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি

পূর্ব তিমুর এর আন্তর্জাতিক অভিষেক মার্চ ২০০৩ এ এএফসি এশিয়ান কাপের প্রাথমিক পর্যায়ে ছিল, যখন তারা শ্রীলংকার কাছে ৩–২ গোলে এবং চাইনিজ তাইপেইকে ৩–০ গোলে হেরেছিল। তারা ২০০৪ সালের টাইগার কাপে অংশগ্রহণ করেছিল। ২০০৪ সালে পেটালিং জয়াতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন কাউন্সিলের বৈঠকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার প্রধান আন্তর্জাতিক ফুটবল ইভেন্টে পূর্ব তিমুর এর অংশগ্রহণের কথা ঘোষণা করা হয়। যদিও এএফসি'র সদস্য না হলেও পূর্ব তিমুর ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে সভাতে বসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, যেখানে তারা ফেডারেশন সভাপতি ফ্রানিয়া কালবদী এর প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। পূর্ব তিমুর ৫–১ ব্যবধানে কম্বোডিয়া জাতীয় ফুটবল দল এর বিরুদ্ধে ৫ অক্টোবর ২০১২ তারিখে তাদের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ জিতেছে।[২]

ইতিহাসসম্পাদনা

পর্তুগাল ঔপনিবেশিক যুগে পূর্ব তিমুর এর ফুটবল প্রতিষ্ঠিত হয়, যখন স্থানীয়রা এবং পর্তুগিজ কর্মকর্তারা অনেক অপেশাদার ফুটবল খেলে পর্তুগাল তার ঔপনিবেশিক শাসন শেষ পরে, ইন্দোনেশিয়া আক্রমণ এবং দ্বীপ দখল করে। পূর্ব তিমুর অবশেষে ২০০০ সালে ইন্দোনেশিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, যার ফলে জাকার্তার নেতৃত্বাধীন বাহিনীর বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ চলেছিল।

২০০২ সালে ২০ তম এএফসি কংগ্রেসে পূর্ব তিমুর ফুটবল এসোসিয়েশন এএফসি'র সহযোগী সদস্য হিসেবে গৃহীত হয়েছিল। ২০০৩ সালের মার্চ মাসে তাদের আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপ চীনে ২০০৪ এএফসি এশিয়ান কাপ এর বাছাইপর্বের জন্য যোগ্যতা অর্জনে অংশগ্রহণ করে। তাদের ইতিহাস থেকে দেখা যায়, তারা শ্রীলংকা এবং চাইনিজ তাইপেই মত পছন্দনীয় দলের বিরুদ্ধে পরাস্ত হওয়া কোন আশ্চর্য এর বিষয় ছিল না। তারা আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো ২০০৪ সালে আসিয়ান ফুটবল ফেডারেশন চ্যাম্পিয়নশিপ (যা পূর্বে টাইগার কাপ নামে পরিচিত) হিসেবে আমন্ত্রিত সদস্য হিসাবে খেলেছে। যেখানে তারা শেষ স্থানে সমাপ্ত, তারা দেখিয়েছেন যে আঞ্চলিক পর্যায়ে এমনকি এই রকম প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তারা একটি দীর্ঘ পথ যেতে পারে।

২০০৭ সালের আসিয়ান ফুটবল ফেডারেশন চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ালিফাইং চ্যাম্পিয়নশিপে তারা আবারও সাফল্য পায়নি, সেখানে চারটি বড় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল ফিলিপাইনের বিরুদ্ধে ৭–0 ব্যবধানে হারা। ২০০৮ সালের এএফএফ সুজুকি কাপের তৃতীয় কোয়ালিফাইং রাউন্ডে, তারা চমকপ্রদভাবে কম্বোডিয়া জাতীয় ফুটবল দলকে হারাতে সক্ষম হয়েছিল; এই কৃতিত্ব আন্তর্জাতিক সংবাদে রিপোর্ট করা হয়েছিল।

নবম এফএফ সুজুকি কাপে, দেশের ফুটবল ফেডারেশন (এফএফটিএল) তাদের বিদেশী খেলোয়াড়দের নির্বাচন করে, যারা ব্রাজিল, পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া এবং অন্য কোথাও খেলে। এর মাদ্ধমে তারা ২০১১ সালের এসএ গেমসে দলটিকে শক্তিশালী করে।[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Timor-Leste national football team captain"। ১ জুলাই ২০১৪। ২৯ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৭ 
  2. http://www.espnstar.com/football/aff-suzuki-cup/news/detail/item868331/Timor-Leste-stun-Cambodia-in-qualifiers/[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  3. http://www.aseanfootball.org/?p=8434

বহিঃসংযোগসম্পাদনা