পি. ভি. নরসিমা রাও এক্সপ্রেসওয়ে

পি. ভি. নরসিমা রাও এক্সপ্রেসওয়ে ১১.৬ কিলোমিটার লম্বা উত্তোলিত একটি সড়ক, যা হায়দ্রাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে মেহেদিপত্তনমের সঙ্গে সংযুক্ত করে । ১৯ অক্টোবর ২০০৯ সালে এটি যান চলচালের জন্য খোলা হয়েছিল। [১][২] সাইকেল আরোহী, দুই এবং তিন-চাকা, তিনটি এবং চার-চাকার সাত আসনের গাড়ি এবং পণ্যবাহী যানবাহনের প্রবেশ নিষিদ্ধ।

পি. ভি. নরসিমা রাও এক্সপ্রেসওয়ে
রাজেন্দ্র নগরে পি. ভি. নরসিমা রাও এক্সপ্রেসওয়ের একটি অংশ
পথের তথ্য
দৈর্ঘ্য:১১.৬ কিমি (৭.২ মাইল)
অবস্থান
প্রধান শহর:হায়দ্রাবাদ, ভারত
মহাসড়ক ব্যবস্থা

ইতিহাসসম্পাদনা

২০০৫ সালের মার্চ মাসে রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণ শুরু হলে, অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ববর্তী সরকার শহর থেকে শামসাবাদ পর্যন্ত একটি ট্রাফিক সংকেত মুক্ত রুট বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা নিয়ে আসে। ৩ যাত্রাপথকে শহর থেকে শামসাবাদের মধ্যে সংযোগের জন্য নির্বাচিত করা হয়, এর মধ্যে ছিল এনএইচ৪৪ (এনএইচ৭) নেহরু জুওলজিক্যাল পার্ক হয়ে, শ্রীশৈলম হাইওয়ে (এনএইচ৭৬৫) এবং ইনার রিং রোড, হায়দ্রাবাদ মেহেদিপত্তনমে হয়ে। ৩ টি রুটের মধ্যে এনএইচ৪৪ ইতিমধ্যে যানজট খুব বেশি পরিমাণে ছিল এবং যানজটের কোনও প্রবৃদ্ধি প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে এটি সক্ষম ছিল না। শ্রীশৈলম হাইওয়ে শহরের পশ্চিম অংশে প্রবেশযোগ্য নয়, কারণ এই অংশে বানজারা হিলস, জয়ন্তী হিলস, পুঞ্জাগুত্তা এবং কিছু অন্যান্য বিশিষ্ট এলাকা রয়েছে। ইনার রিং রোড ছিল একটি বিস্তৃত ৬-লেনের রাস্তা, যা যে কোনও ট্র্যাফিক সরবরাহ করে। এই রাস্তার উপর একটি উচ্চস্তরযুক্ত হাইওয়ে নির্মাণ খুব সহজ ছিল এবং সরকার এই রুটটি বিকাশ করতে বেছে নেয়, পূর্ব রাস্তাগুলি ছেড়ে।

প্রাথমিক পরিকল্পনাটি এই রাস্তাকে ৮-লেনে বিস্তৃত করা, তবে পরবর্তীতে এটি একটি ৪-লেন বিশিষ্ট এলিলেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য পরিবর্তিত হয়। ২৮ অক্টোবরে প্রকল্পটি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে অক্টোবর ২০০৫ সালে নির্মাণ শুরু হয়। কিন্তু আর্থিক সমস্যাগুলির কারণে, নির্মাণ কাজে বিলম্ব হয় এবং ১৯ অক্টোবর ২০০৯ সালে খোলা হয়। এক্সপ্রেসওয়ে আরম্ভ হয় মেহেদিপত্তনমের কাছে সরোজিনী দেবী আই হসপিটাল থেকে এবং আরামগড়ের কাছাকাছিএনএইচ ৪৪ -এর সঙ্গে মিশে গেছে। মোট নুমানিকখ রচ ৪০০ ক োটি টাকা হলেও ৫বর্ধিত খরচ ০০ কোটি টাকা।

প্রবেশে এবং প্রস্থান র্যাম্পসম্পাদনা

এক্সপ্রেসওয়ে এর আগের নকশায় প্রবেশের জন্য এবং বাইরে যাওয়ার জন্য কোনও র্যাম্প ছিল না। এটি আশেপাশের এলাকার মানুষের কাছে এক্সপ্রেসওয়েকে অব্যবহারযোগ্য করে তোলে। মেহেদীপত্তনমে এক্সপ্রেসওয়েতে প্রবেশ করতে হবে এবং আরামগড়ে চলে যেতে হবে। সুতরাং, উড়ালপুলে খুব কম যান চলাচলের জন্য এটা করা হয়েছিল। পরে নকশাটি সংশোধন করা হয় এবং প্রবেশের ও প্রস্থানের জন্য ৩ জোড়া র্যাম্প নির্মাণ করা হয়। ৩ জোড়া র্যাম্প নির্মাণ করা হয় নিচের জংশন ৩ টিতেঃ

  • লক্ষ্মী নগর জংশন
  • বুদভেল জংশন
  • আরামঘর জংশন

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Longest Elevated Expressway inaugurated in Hyderabad"India Trends। ৯ অক্টোবর ২০০৯। ২১ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুলাই ২০১০ 
  2. "Hyderabad gets India's longest flyover"NDTV। ২০ অক্টোবর ২০০৯। ৩১ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১৮