প্রধান মেনু খুলুন

পঞ্চদ্রাবিড় ব্রাহ্মণরা হলো ভারতের হিন্দুধর্মের দুটি বৃহত্তর ব্রাহ্মণগোষ্ঠীর একটি৷ পঞ্চদ্রাবিড় ব্রাহ্মণ ছাড়া দ্বিতীয় প্রকার গোষ্ঠীটি পঞ্চগৌড় ব্রাহ্মণ নামে পরিচিত৷

রাজতরঙ্গিনীতে উল্লেখসম্পাদনা

খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতাব্দীতে কল্হণের কাশ্মীরের ইতিহাস বিষয়ে রচিত রাজতরঙ্গিনী পুস্তকে বিন্ধ্য পর্বতের দক্ষিণভাগে অবস্থিত পাঁচটি পঞ্চদ্রাবিড় ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করা রয়েছে৷[১][২]এগুলি হলো যথাক্রমে,

  • কর্ণাটক (কন্নড়ভাষী সহ তৎসংলগ্নভাষী ব্রাহ্মণ)
  • তৈলঙ্গ (তেলুগু ব্রাহ্মণ)
  • দ্রাবিড় (তামিলনাড়ু ও কেরালা অঞ্চলের ব্রাহ্মণ)
  • মহারাষ্ট্রক (মহারাষ্ট্রীয় ব্রাহ্মণ)
  • গুর্জর (গুজরাট ও রাজস্থানের দক্ষিণাঞ্চলের ব্রাহ্মণ[৩])

মারাঠা আমলাতন্ত্রের দলিলে উল্লেখসম্পাদনা

মারাঠা সাম্রাজ্যের সময়কালে দক্ষিণাত্যের মারাঠাদের অঞ্চলে আমলাতান্ত্রিক জমি জরিপ ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব পাওয়া যায়৷ নথি অনুসারে ব্রাহ্মণদের মধ্যে পাঁচ প্রকার পঞ্চগৌড় ব্রাহ্মণের উল্লেখ রয়েছে৷[৪] সেগুলি হলো যথাক্রমে,

  • অন্ধ্র-পূর্ব ব্রাহ্মণ
  • অন্ধ্র-পশ্চিম ব্রাহ্মণ
  • কর্ণাটক ব্রাহ্মণ
  • দ্রাবিড় ব্রাহ্মণ
  • দেশাষ্ট ব্রাহ্মণ

আমলাতান্ত্রিক সম্প্রদায়ভিত্তিক নথি "কৈফিয়ৎ" অনুসারে গুর্জর ব্রাহ্মণরা পঞ্চগৌড় ব্রাহ্মণদের অন্তর্গত৷ নথিটিতে এই পঞ্চদ্রাবিড়দের ১৬ টি উপবিভাগে ভাগ করা হয়েছে, সেগুলি হলো যথাক্রমে,[৪]

  • কোঙ্কণাষ্ট
  • কর্হাড়ে
  • বড়কারি
  • মধ্যাদিন
  • বনাস
  • কর্ণাটক
  • ষষ্টিক
  • নন্দবংশিক
  • তৈলঙ্গ
  • শ্রীবৈষ্ণব
  • শখিকন্ব
  • কীর্বন্ত
  • সিহাবসৈ
  • নুরচের
  • শেণবী
  • গোবলকোণ্ডে

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. James G. Lochtefeld (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism: N-Z। Rosen। পৃষ্ঠা 490–491। আইএসবিএন 9780823931804 
  2. D. Shyam Babu and Ravindra S. Khare, সম্পাদক (২০১১)। Caste in Life: Experiencing Inequalities। Pearson Education India। পৃষ্ঠা 168। আইএসবিএন 9788131754399 
  3. Pandya, A V (১৯৫২)। Abu in Bombay State: A Scientific Study of the Problem। Charutar Vidya Mandal। পৃষ্ঠা 29। It is interesting to note here that the Brahmin groups of Marwar and Mewar belong to the Gurjara group of the Pancha Dravida division 
  4. Krishnaji Nageshrao Chitnis (১৯৯৪)। Glimpses of Maratha Socio-economic History। Atlantic। পৃষ্ঠা 95–96। আইএসবিএন 978-81-7156-347-0