নবী

নবী হলেন এমন সকলগণ যারা ওহীর সংবাদ প্রচার করেন।

নবী বলতে সেসব ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যারা দাবি করেন যে ঈশ্বরের সাথে তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ বা বার্তা বিনিময় হয়েছে। তারা নিজেরা যে সকল শিক্ষা লাভ করেন তা নিঃস্বার্থভাবে অন্যান্য লোকদের মাঝে বিলিয়ে দেন। নবিদের অধিকাংশই মানুষকে সুসংবাদ অথবা সতর্কবার্তা প্রদান করেন।[১][২] নবীগণ যে বার্তা লাভ করেন তাকে নবুয়াত বলা হয়।

ইহুদি ধর্ম, খ্রিস্টধর্ম, ইসলাম, মরমনবাদ, জরথ্রুস্ত্রবাদ, এবং অন্যান্য ধর্মে নবিগনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আব্রাহামিক ধর্মসমুহে, দুই ধরনের নবির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এরা হলেন প্রধান নবী এবং অপ্রধান নবী। প্রধান নবীগণ মানুষকে বিভিন্ন রকমের শিক্ষা প্রদান করে থাকেন। অপরদিকে, অপ্রধান নবীগণ পূর্বের নবীগণের শিক্ষাকেই পুনঃবাস্তবায়ন করেন।

ইসলাম ধর্মে নবীসম্পাদনা

পবিত্র কোরআন মাজীদে নবিদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মুসলমানরা বিশ্বাস করে হযরত আদম প্রথম এবং মুহাম্মাদ সর্বশেষ ও সর্ব শ্রেষ্ঠ নবী। যে আল্লাহর থেকে প্রেরিত হয়ে মানব জাতীর কল্যাণের জন্য বা সত্য পথে পরিচালিত করার জন্য যারা আগমন করেছিলেন তাদেরকে নবী হিসেবে গন্য করা হয়।

ইসলামী ধর্মমত অনুসারে সৃষ্টির আদি থেকে আল্লাহ যত নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন তাদের সবাইকেই আল্লাহ তার একাত্মবাদ প্রচারের জন্য এবং মানুষের জীবন বিধান হিসেবে দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্যই পাঠিয়েছেন। আল্লাহর সব নবী-রাসূলই ছিল আল্লাহর একাত্মবাদে দৃঢ় বিশ্বাসী ও আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণকারী। আর যেহেতু আল্লাহর কাছে একমাত্র গ্রহণযোগ্য দ্বীন হলো ইসলাম, তাই আল্লাহর সব নবী-রাসূলের ধর্মই ইসলাম এবং তারা সবাই মুসলমান। আল্লাহ কোরআনে বলেছেন,

"..তুমি তো কেবল সতর্ককারী, আর প্রত্যেক কওমের জন্য রয়েছে হিদায়াতকারী।"[কুরআন 13:7]

[৩]

নবীদের আগমনসম্পাদনা

আল কুরআনে মাত্র ২৫ জন নবীর কথা উল্লেখ আছে। তবে পৃথিবীতে ১২৪০০০ ( এক লক্ষ চব্বিশ হাজার) নবী এসেছিল বা আবার কিছু ইসলামিক দার্শনিকরা মনে করেন ২২৪০০০ নবীর আগমন হয়েছিল কিন্তু এর সঠিক তথ্য শুধু মাত্র আল্লাহ জানেন। কুরআনে বলা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন গোত্রের জন্য আল্লাহ এক বা একাধিক নবী প্রেরণ করতেন। বিশ্বাস করা হয় সব নবীদের বার্তা একই ছিল। মুসলমানগণ বিশ্বাস করে ঈসা আল্লাহর পুত্র নন বরং তিনি আল্লাহর রসূল।

কুরআনে বলা হয়েছে,

তিনি (আল্লাহ) কাউকে জন্মদান করেননি এবং কারো থেকে জন্মগ্রহনও করেননি। [কুরআন 112:3]

হযরত ঈশা (আঃ) এর উপর ইঞ্জিল কিতাব নাজিল হয়েছে। তিনি কেয়ামতের আগে পৃথিবীতে আবার আসবেন এবং মুহাম্মাদ এর অনুসারী হিসেবে মৃত্যু বরণ করবেন ।

আসমানি কিতাব প্রাপ্ত নবীগণসম্পাদনা

আসমানী কিতাব বা ঐশ্বিক গ্রন্থ বলতে এমন কতকগুলো গ্রন্থকে বোঝানো হচ্ছে, ইসলাম ধর্মমতে মুসলমানগণ যে গ্রন্থগুলোকে ঈশ্বরপ্রদত্ত গ্রন্থ বলে বিশ্বাস করেন। ইসলাম ধর্মে যে ৭টি বিষয়ের উপর বিশেষ করে ঈমান আনতে বা বিশ্বাস স্থাপন করতে বলা হয়েছে তার মাঝে একটি হলো এই যাবতীয় আসমানী কিতাব, যা সরাসরি ঈশ্বরের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছিলো। ইসলাম ধর্মমতে, পৃথিবী সৃষ্টির পর থেকে সর্বমোট আসমানী কিতাব পাঠানো হয়েছে ১০৪টি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তার মধ্যে ৪টি হলো প্রধান আসমানী কিতাব ও বাকি ১০০টি সহীফা।

প্রধান চারটি আসমানী কিতাব হলো:

কুরআনে উল্লেখিত নবী সকল রাসুল(বার্তাবাহক) নবী(পয়গম্বর) কিন্তু সকল নবী(পয়গম্বর) রাসুল(বার্তাবাহক) নন। মুসলিমরা বিশ্বাস করে আল্লাহ্ কর্তৃক প্রেরিত সকল পয়গম্বর সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। যদিও অনেক পয়গম্বরের জীবনের ঘটনা কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু পাঁচজন প্রধান পয়গম্বরের প্রথম চারজনের জীবনায়নের বিশেষ বর্ণনা ও অলঙ্কারপূর্ণ গুরুত্বের প্রতি তা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। হযরত মুহাম্মদের(সঃ) পূর্বের সকল ব্যক্তিত্বের মধ্যে, মুসা (আ) সবচেয়ে বেশি বার কোরআনে উল্লেখিত হয়েছেন। (পঞ্চমজন অর্থাৎ মুহাম্মদের (সঃ) ক্ষেত্রে, কুরআন তাঁকে সরাসরি সম্বোধন করেছে, এবং এটি প্রায়ই তাঁর অপ্রত্যাশিত সংকট উত্তরণের উপায় আলোচনা করেছে। যদিও গ্রন্থে সরাসরি তাঁর নামের ব্যবহার খুব কম।)

নিম্নপ্রদত্ত ছকে কুরআনে বর্ণিত পয়গম্বরগণের তালিকা দেওয়া হয়েছে। প্রযোজ্য স্থানে নামের বাইবেলীয় অনুবাদ দেওয়া হয়েছে। অধিকন্তু, কুরআনে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে এই তালিকা সম্পূর্ণ নয়।

নাম (আরবি অনু.) নাম (বাইবেলীয়) প্রধান নিবন্ধ(সমুহ) উল্লেখিত পঙক্তি সমূহের সংখ্যা
আদম (আঃ) এ্যাডাম ৭৭

আদম ( আরবি: آدم‎‎) কুরআনে বর্ণিত ইসলাম ধর্মের প্রথম মানুষ, প্রথম পয়গম্বর বা নবী। আল্লাহ তার পাঁজর থেকে তার স্ত্রী হাওয়াকে সৃষ্টি করেছেন মানবজাতির মা হিসেবে। কুরআনে আদম-এর নাম ১০টি সূরার ৫০ আয়াতে উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা আল বাকারা,[৫], সুরাআলে ইমরান[৬], সূরা আল আরাফ, সূরা ইসরা, সূরা আল কাহফ এবং সূরা ত্বোয়া-হাতে তার নাম, গুনাবলী ও কার্যাবলী আলোচনা করা হয়েছে। সূরা আল হিজর ও সূরা ছোয়াদে শুধু গুণাবলী এবং সূরা আল ইমরান, সূরা আল মায়িদাহ এবং সূরা ইয়াসীনে আনুষঙ্গিক রুপে শুধু নামের উল্লেখ আছে।

ইদ্রিস (আঃ) ইনখ

ইদ্রিস যিনি মুসলমানদের নিকট হযরত ইদ্রিস (আঃ) নামে পরিচিত, ইসলামী ইতিহাস অনুসারে মানবজাতির উদ্দেশ্যে প্রেরিত দ্বিতীয় নবী। মুসলমানদের বিশ্বাস অনুসারে তিনি ইসলামের প্রথম নবী আদম -এর পর স্রষ্টার নিকট হতে নবীত্ব লাভ করেন। তাঁর জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কারো মতে তিনি ইরাকের বাবেলে জন্মগ্রহণ করেন। আবার কারো মতে তিনি মিশরে জন্মগ্রহণ করেন। ধারণা করা হয়, বাইবেলে উল্লেখিত 'ইনোখ' (Enoch) ব্যক্তিটি তিনিই। ইসলামী ভাষ্য মতে ইসলামের নবী মুহাম্মাদ মিরাজের রাতে চতুর্থ আসমানে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। ধারণা করা হয়, তিনিই সর্বপ্রথম কলম এবং কাপড় সেলাই করার বিদ্যা আবিস্কার করেন। বলা হয়, জ্যোতির্বিজ্ঞান,অঙ্কশাস্ত্র এবং অস্ত্রের ব্যবহারও তিনিই সর্বপ্রথম আবিস্কার করেন।

নূহ(আঃ) নোয়া ৪৭

নূহ (আরবি: نوح; হিব্রু ভাষায়: נוֹחַ or נֹחַ, আধুনিক হিব্রু: Nóaḥ, তিবেরিয়ান: Nōªḥ; Nūḥ; আর্মেনীয়: "Noe" অথবা նօի) মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্থ কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, একজন নবী ছিলেন। কুরআনে নূহ শিরোনামে একটি পূর্নাঙ্গ সূরা নাযিল হয়েছে যেখানে তার এবং সমকালীন বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বলা হয়েছে। খ্রিস্ট ধর্মের মূল ধর্মীয় গ্রন্থ বাইবেলও তার সম্পর্কে বিশদ বিবরণ পাওয়া যায়।

হুদ(আঃ) ইবার

হুদ (আরবি: هود‎‎) একজন নবীর নাম যার সম্পর্কে ইসলামের মূল ধর্মগ্রন্থ কোরআন কিছু বর্ণনা রয়েছে। কোরআন-এর ১১তম সূরা হুদ তার নামে নির্দেশ করা হলেও এই সূরাটিতে তার সম্পর্কে সামান্য কিছু বর্ণনা রয়েছে।[৭] আল্লাহর গজবে ধ্বংসপ্রাপ্ত বিশ্বের প্রধান ছয়টি জাতির মধ্যে নূহ -এর পরেই হূদ -এর জাতি আদ ছিল। হূদ ছিলেন নূহ -এরই বংশধর। আদ জাতিছামূদ জাতি ছিল নূহ-এর পরবর্তী বংশধর এবং নূহের পঞ্চম অথবা অষ্টম অধস্তন পুরুষ। ইরামপুত্র ‘আদ-এর বংশধরগণ ‘আদ ঊলা’ বা প্রথম ‘আদ এবং অপর পুত্রের সন্তান ছামূদ-এর বংশধরগণ ‘আদ ছানী বা দ্বিতীয় ‘আদ বলে খ্যাত।[৮] ‘আদ ও ছামূদ উভয় গোত্রই ইরাম-এর দু’টি শাখা। সেকারণ ‘ইরাম’ কথাটি ‘আদ ও ছামূদ উভয় গোত্রের জন্য সমভাবে প্রযোজ্য। এজন্য কুরআনে কোথাও ‘আদ ঊলা’ (নাজম ৫০) এবং কোথাও ‘ইরাম যাতিল ‘ইমাদ’ (ফজর ৭) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। আদ সম্প্রদায়ের ১৩টি পরিবার বা গোত্র ছিল। আম্মান থেকে শুরু করে হাযারামাউত ও ইয়েমেন পর্যন্ত তাদের বসতি ছিল।[৯] উল্লেখ্য যে, নূহের প্লাবনের পরে এরাই সর্বপ্রথম মূর্তিপূজা শুরু করে।

সালিহ্(আঃ) শালহ

সালেহ (আ:) (আরবি: صالح‎) কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন নবী। যাকে 'সামূদ জাতির' উদ্দেশ্যে আল্লাহ প্রেরণ করা হয়েছিল। তারা নূহ (আঃ)এর পুত্র সামের বংশধর এবং প্রাচীন আরব জাতিসমূহের একটি। কুরআনে মোট আট জায়গায় সালেহ এর আলোচনা করা হয়েছে।আ'রাফঃ ৭৩, ৭৫, ৭৭; হূদঃঃ ৬১, ৬২, ৬৬, ৮৯; শুআ'রাঃ ১৪২। আর সালেহ এর সম্প্রদায় সামূদ জাতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে কুরআনের নয়টি সূরার মাঝে। যথাঃ আল আরাফ, হুদ, আল হিজর, আন নম্‌ল, আল মুরসালাত, আন-নাজম, আল কামার, আল হাক্কাহ, আশ-শাম্‌স

ইব্রাহিম(আঃ) আব্রাহাম ৭১

ইব্রাহিম বা ইব্রাহীম, সম্মানার্থে হযরত ইব্রাহিম (আ.) (আরবি: ابراهيم‎‎, হিব্রু ভাষায়: אַבְרָהָם‎) তোরাহ অনুসারে ইব্রাহিম (ইংরেজি: Abraham) (আনুমানিক জন্ম: ১৯০০ খৃষ্ট পূর্বাব্দ থেকে ১৮৬১ খৃষ্ট পূর্বাব্দে হযরত ইবরাহীম (আঃ) পশ্চিম ইরাকের বছরার নিকটবর্তী ‘বাবেল’ শহরে জন্মগ্রহণ করেন৷ – মৃত্যু: ১৮১৪ খৃষ্ট পূর্বাব্দ থেকে ১৭১৬ খৃষ্ট পূর্বাব্দ), ইসলাম ধর্মের একজন গুরুত্বপূর্ণ নবী ও রাসূল[১০][১১] পবিত্র কুরআনে তার নামে একটি সূরাও রয়েছে। পুরো কুরআনে অনেকবার তার নাম উল্লেখিত হয়েছে। ইসলাম ধর্মমতে, তিনি মুসলিম জাতির পিতা। ইসলাম ছাড়াও, ইহুদি ও খ্রিস্টধর্মেও ইব্রাহিম শ্রদ্ধাস্পদ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছেন। এজন্য ইবরাহিমকে সেমেটিক ধর্মগুলোর জনকও বলা হয়ে থাকে।[১২]। সৃষ্টিকর্তার প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাসের ছিলো [১৩] ইসলামে তার কার্যক্রম কে স্মরণ করে ঈদুল আযহা পালিত হয়। ইব্রাহিম ও তার শিশুপুত্র ইসমাইল ইসলামে কুরবানি[১৪] ও হজ্জের বিধান চালু করেন যা বর্তমানের মুসলিমদের দ্বারাও পালিত হয়। তার পিতার নাম আযর। তার স্ত্রীর নাম সারাহহাজেরা। তার চার পুত্র ছিলেন: ইসমাইল (ইংরেজি: Ishmael), ইসহাক (ইংরেজি: Isaac)। মতান্তরে, তার ৬-১২জন পুত্র ছিলেন।[১৫] তবে, পুত্র হিসেবে কেবল ইসমাইল ও ইসহাকের বর্ণনাটিই ইতিহাসে প্রসিদ্ধ। অন্যদের ব্যাপারে ঐতিহাসিক উল্লেখের তেমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় না।

লুত(আঃ) লুট ২৯

লুত ইবনে হারুন (আঃ) ( لوط, Lūṭ ), যিনি সচরাচর হযরত লুত (আঃ) নামে অভিহিত, বাইবেল এবং কুরআনে উল্লেখিত আল্লাহ প্রেরিত একজন পয়গম্বর যাকে সদোম ও গোমোরাহ নামক শহরদ্বয়ের অধিবাসীদের নবী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিল।[১৬][১৭] তিনি ছিলেন নবী ইব্রাহীমের আপন ভাতিজা।[১৮] ইব্রাহীমের সঙ্গে তিনি কেনানে চলে আসেন। সেখানেই তার উপর নবুয়াতের দায়িত্ব অবতীর্ণ হয়। [১৯]পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবীর মধ্যে ইসলামের একজন নবী যাকে সমকামিতায় লিপ্ত থাকা স্বীয় জাতির সতর্ককারী হিসেবে আল্লাহ তাআলা নিয়োজিত করেছিলেন। সমকামিতা ত্যাগ না করায় তারা আল্লাহর আযাবে সমূলে ধ্বংস হয়েছিলো।

ইসমাইল(আঃ) ইশ্মায়েল ১২

ইসমাইল (আরবি: إسماعيل) কুরআন এবং বাইবেলে উল্লেখিত এক ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে, তিনি একজন নবী, এবং তাঁর সম্মানার্থে তাঁর নামোচ্চারণের সাথে 'আলাইহিসসালাম' (সংক্ষেপে আ.) বা 'শান্তি বর্ষিত হোক' উচ্চারণ করা উচিত। তিনি ইব্রাহিম-এর সর্বপ্রথম সন্তান এবং ইব্রাহিমের স্ত্রী হাজেরার গর্ভে তার জন্ম। বাইবেলের বর্ণনামতে তিনি ১৩৭ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।[২০] ইসমাঈলের পিতা ইব্রাহীমকে ঈশ্বর (আল্লাহ) বলেছিলেন, "তোমার সবচাইতে প্রিয় বস্তু আল্লাহর রাস্তায় কুরবাণী করো"; তখন তিনি একে একে দুম্বা, উট ইত্যাদি কুরবাণী করার পরও যখন দেখলেন আল্লাহর পক্ষ থেকে সেই একই বাণী আসছে, তখন তিনি তাঁর স্বীয় পুত্র ইসমাইলকে কুরবাণী দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন, ঠিক তখনই আল্লাহর পক্ষ থেকে দেবদূতের (ফেরেশতার) মাধ্যমে ইব্রাহীমকে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ঘোষণা করলেন এবং পুত্র ইসমাইলের স্থলে দুম্বা শুইয়ে দিলেন, আর তখন থেকেই মুসলমানদের ওপর নির্দিষ্ট নিসাব অনুযায়ী বৎসরে একবার উট, দুম্বা, গরু ইত্যাদি কুরবাণী করা ওয়াজিব হয়ে যায়।

ইসহাক(আঃ) আইজেক ১৬

ইসহাক (আরবি: إسحاق‎‎ or إسحٰق[note A] ʾIsḥāq) ছিলেন ইসলামের একজন নবী, আদি-পিতা এবং আল্লাহ প্রেরিত পয়গম্বর।[২১] ইহুদী, খ্রিস্ট এবং ইসলাম ধর্মমতে ইব্রাহিম তার স্ত্রী সারার নিকট থেকে এই পুত্র লাভ করেন। ইসলাম ধর্মানুসারে ইসহাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি হিসাবে চিহ্নিত; কারণ তিনি ও তার বড় সৎভাই ইসমাইল তাদের পিতা ইব্রাহিমের মৃত্যুর পর আল্লাহর বার্তা প্রচার করেন এবং ইসলামের উত্তরাধিকার অব্যাহত রাখেন।তিনি মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন-এ মোট পনেরো বার বর্ণিত হয়েছেন; কখনও তার পিতা ইব্রাহিম-এর সাথে, আবার কখনও তার পুত্র ইয়াকুব-এর সাথে।[২২]

ইয়াকুব (আঃ) জেকব ১৯

হযরত ইয়াকুব (আঃ) ইংরেজি ভাষায়: Jacob; হিব্রু ভাষায়: יַעֲקֹב‎ ; আধুনিক: Yaʿakov; সেপ্তুয়াগিন্ত গ্রিক ভাষায়: Ἰακώβ Iakōb; আরবি ভাষায়: يَعْقُوب), ইসরাঈল নামেও পরিচিত (হিব্রু ভাষায়: יִשְׂרָאֵל; আধুনিক: Yiśrāʾēl; সেপ্তুয়াগিন্ত গ্রিক ভাষায়: Ἰσραήλ Israēl; আরবি ভাষায়: إِسْرَائِيل), হিব্রু বাইবেল এবং কোরআনের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন নবী।[২৩] তার গোত্রের নাম ছিল বনী-ইসরাঈল। এই নামে কোরআনে একটি সূরা নাযিল হয়েছে। তার বার জন পুত্র-সন্তানের কথা কোরাআনে উল্লেখ করা হয়েছে এবং হিব্রু বাইবেলে বার জন পুত্র-সন্তান ও কয়েক জন কন্যা সন্তানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মেয়েদের মধ্যে শুধু একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেকেরই সন্তান-সম্ভতি হয় এবং বংশ বিস্তার লাভ করে। হিব্রু বাইবেল অনুসারে তাদের নাম হলঃ রেউবেন, সিমোন, লেভি, জুদাহ, দান, নাফতালি, গাদ, আশের, ইসসাচার, জেবুলুন, মেয়ে দিনাহ, জোসেফ বা ইউসুফ, এবং বেনজামিন বা বেনিয়ামিন। তার উপাধি ছিল ইসরাঈল । তাই বারটি পরিবার সবাই বনী-ইসরাঈল নামে খ্যাত হয়। বারপুত্রের মধ্যে দশ জন জ্যেষ্ঠপুত্র ইয়াকুব (আঃ) এর প্রথমা স্ত্রী "লাইয়্যা বিন্‌তে লাইয়্যানের" গর্ভে জন্মলাভ করে। তার মৃত্যুর পর ইয়াকুব (আঃ) লাইয়্যার ভগিনী "রাহীলকে" বিবাহ করেন। রাহীলের গর্ভে দু'পুত্র ইউসুফ ও বেনিয়ামিন জন্মগ্রহণ করেন। তাই ইউসুফ (আঃ) এর একমাত্র সহোদর ভাই ছিলেন বেনিয়ামিন এবং অবশিষ্ট দশ জন বৈমাত্রেয় ভাই ও কয়েক জন বোন। ইউসুফ জননী রাহীলও বেনিয়ামিনের জন্মের পর মৃত্যুমুখে পতিত হন।[২৪]

ইউসুফ (আঃ) যোসেফ ৩৭

হযরত ইউসুফ (আঃ) (ইংরেজি: Joseph অথবা Yosef, হিব্রু: יוֹסֵף, আধুনিক Yosef তিবেরিয়ান Yôsēp̄; আরবি: يوسف, Yusuf) ইহুদি, খ্রিস্ট, এবং ইসলাম ধর্মে স্বীকৃত একজন পয়গম্বর। কোরআন এবং হিব্রু বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে, তিনি হযরত ইয়াকুব (আঃ) এর বারো ছেলের ১১তম ছেলে।[২৫] তিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যা দিতে জানতেন। ইউসুফ নামটি মুসলিম জাতি এবং মধ্যপ্রাচ্যর মধ্যে সাধারণ নামগুলোর একটি।হিব্রু বাইবেল এবং কোরআনের বিভিন্ন স্থানে ইউসুফ (আঃ) নাম উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু শুধু কোরআনের সূরা ইউসুফে তার ঘটনা সম্পূর্ণ ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইউসুফের ঈর্ষান্বিত ভাইরা তাকে একটি কাফেলার দলের কাছে কম মূল্যে বিক্রি করে দেয়, পরবর্তীতে তিনি মিশরের বাদশাহর পরে দ্বিতীয় ক্ষমতাশালী ব্যক্তি হন। তার বারপুত্রের মধ্যে প্রথম দশ জন জ্যেষ্টপুত্র, তার প্রথমা স্ত্রী "লাইয়্যা বিনতে লাইয়্যানের" গর্ভে জন্মলাভ করে। তাঁর মৃত্যুর পর ইয়াকুব "লাইয়্যার" বোন "রাহীলকে" বিবাহ করেন। রাহীলের গর্ভে দু-পুত্র ইউসুফ এবং বিনইয়্যামিন জন্মলাভ করে। তার ছোট ছেলের জন্মের পরে তিনিও মৃত্যুমুখে পতিত হন।[২৬] হিব্রু বাইবেল অনুসারে তার বার ছেলের নাম হলোঃ রেউবেন বা ইয়াহুদা, সিমোন, লেভি, জুদাহ, ডান, নাফতালি, গাড, আশের, ইসশাচার, জেবুলুন, ইউসুফ এবং বেনজামিন বা বেনইয়ামিন।[২৭]

আইউব(আঃ) জব

আইয়ুব (আরবি: أيّوب, Ayyūb‎‎) ইসলামে একজন নবী হিসেবে গণ্য এবং মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থ কোরআনে তার উল্লেখ রয়েছে। ইবনে কাছীরের বর্ণনা অনুযায়ী তিনি নবী ইসহাক এর দুই জমজ পুত্র ঈছ ও ইয়াকূবের মধ্যে পুত্র ঈছ-এর প্রপৌত্র ছিলেন। আর তার স্ত্রী ছিলেন ইয়াকূব-পুত্র নবী ইউসুফ-এর পৌত্রী ‘লাইয়া’ বিনতে ইফরাঈম বিন ইউসুফ। বিপদে ধৈর্য ধারণ করায় এবং আল্লাহর পরীক্ষাকে হাসিমুখে বরণ করে নেওয়ায় আল্লাহ কোরআন শরীফে আইয়ূবকে ‘ধৈর্যশীল’ ও ‘সুন্দর বান্দা’ হিসাবে প্রশংসা করেছেন। আবু হুরায়রা কর্তৃক বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ বলেন, আইয়ূব একদিন নগ্নাবস্থায় গোসল করছিলেন। এমন সময় তাঁর উপরে সোনার টিড্ডি পাখির দল এসে পড়ে। তখন আইয়ূব সেগুলিকে ধরে কাপড়ে ভরতে থাকেন। এমতাবস্থায় আল্লাহ তাকে ডেকে বলেন, হে আইয়ূব! (أَلَمْ اَكُنْ أُغْنِيَنَّكَ عَمَّا تَرَى؟) আমি কি তোমাকে এসব থেকে মুখাপেক্ষীহীন করিনি? আইয়ূব বললেন, (بَلَى وَعِزَّتِكَ ولكن لاغِنَى بِى عَنْ بَرَكَتِكَ) তোমার ইজ্জতের কসম! অবশ্যই তুমি আমাকে তা দিয়েছ। কিন্তু তোমার বরকত থেকে আমি মুখাপেক্ষীহীন নই’।

শুয়াইব (আঃ) জেথ্র

শুয়াইব (/ˈʃb/), বা, শু'য়াইব, বা, শোয়াএব (আরবি: شعيب‎‎, শুআইব শব্দটি মূলত শা'ব শব্দের ক্ষুদ্রত্ববাচক শব্দ। এর মূল অর্থ মানব জাতির একটা প্রজন্ম যারা বিচ্ছিন্ন হবার পুনর্মিলিত হয়েছে, বড় একটি গোত্র) ছিলেন প্রাচীন মাদিয়ান অঞ্চলের নবী; যাকে বাইবেলে কখনও কখনও 'জ্যাঠোর' (Jethro) বলে চিহ্নিত করা হয় (যদিও ইসলামে তার কৃত অনেক কিছুই বাইবেলে উল্লেখিত কর্মানুরূপ নয়)। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র গ্রন্থ আল-কোরআনে তার নাম মোট ১১ বার উল্লেখ করা হয়েছে।[২৮] তিনি ইব্রাহিমের পরবর্তীকালে বলে ধারণা করা হয় এবং মুসলমানদের বিশ্বাস তাকে 'মাদিয়ান' নামক একটি সম্প্রদায়ের নিকট প্রেরণ করা হয়েছিল।[২৯] যারা একটি বড় গাছকে পূজা করত বলে 'বৃক্ষ-মানব' হিসাবে পরিচিত ছিল।[৩০]

মুসা (আঃ) মোজেস ১৩৬

হযরত মূসা (আঃ)' (ইংরেজি: Moses, হিব্রু: מֹשֶׁה, আধুনিক Mošə তিবেরিয়ান Mōšeh; আরবি: موسى, Mūsa; Ge'ez: ሙሴ Musse) ইহুদি, খ্রিস্ট, এবং ইসলাম ধর্মে স্বীকৃত রাসুল বা ঈশ্বরের বার্তাবাহক। তিনি মোজেস নামেও পরিচিত ছিলেন। কোরআনে মুসা (আঃ) নাম অন্য নবীদের তুলনায় বেশি উল্লেখ করা হয়েছে। ধারণা করা হয় যে মুসা (আঃ) ১২০ বছর বেচে ছিলেন। হযরত মুসা (আঃ) এর সম্প্রদায়ের নাম ছিল বনী-ইসরাঈল। বলা হয়, তার মুজিযাসমূহ বিগত অন্যান্য নবী-রসূলগণের তুলনায় সংখ্যায় বেশি, প্রকাশের বলিষ্ঠতার দিক দিয়েও অধিক।

হারুন (আঃ) এরন

হারুন (আঃ)-হারুন (আরবি: هارون, হারুন) যেখানে আল্লাহর নবী হিসাবে কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে । কুরআনে বারবার হারুন (আঃ) এর প্রশংসায় আহ্বান করেছে একজন "মুমিন বান্দা" হিসাবে। হারুন (আঃ) ছিলেন মুসা (আঃ) ভাই আল্লাহই তাকে মুসা (আঃ) সাথে র্ধম প্রচারের জন্য মনোনিত করেছিলেন।

দাউদ (আঃ) ডেভিড

হযরত দাউদ(আঃ)- ডেভিড বা দাউদ (/ˈdeɪvɪd/; হিব্রু: דָּוִד, דָּוִיד, আধুনিক David টিবেরিয়ান Dāwîḏ; ISO 259-3 Dawid; আরবি: داوُود‎ Dāwūd; টেমপ্লেট:Lang-syr Dawid; Strong's: Daveed) বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন ইসরাঈল রাজতন্ত্রের দ্বিতীয় রাজা এবং বাইবেলের নতুন নিয়ম অনুসারে গালাতীয়দের প্রতি পত্র ও লূকলিখিত সুসমাচার মতে যীশুর পুর্বপুরুষ ইয়াকুবের পুত্র, ইয়াহুদার অধস্তন বংশধর। তার পিতার নাম ঈসা। অনেক পুত্র সন্তানের মধ্যে দাউদ ছিলেন পিতার কনিষ্ঠ সন্তান।[

সুলায়মান(আঃ) সুলেমন'

সুলায়মান(আঃ)- সুলায়মান (আঃ) (হিব্রু ভাষায়: שְׁלֹמֹה, আধুনিক হিব্রু: Šəlomo or Šlomo, আরবি ভাষায়: سليمان সুলায়মান) কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন নবী এবং প্রতাবশালী বাদশাহ্‌। হিব্রু বাইবেলের অনুসারে, তিনি ছিলেন ইসরায়েলের প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ একজন রাজ়া। তার জন্ম আনুমানিক ১০১১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে এবং মৃত্যু আনুমানিক ৯৩১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে ; এবং তার রাজত্ব কাল ছিল প্রায় ৯৭০ থেকে ৯৩০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী। তিনি ছিলেন হযরত দাউদ (আঃ)-এর পুত্র। কথিত আছে, হজরত সুলায়মান (আ.) জেরুজালেম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন এবং আল্লাহ তাআলার মহিমা তুলে ধরতে সেখানে পুনর্নির্মাণ করে গড়ে তোলেন মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদ।

হযরত ইলিয়াস (আঃ) ইলিয়াস ১৩৬

হযরত ইলিয়াস (আঃ)- (হিব্রু: אֱלִיָּהוּ, Eliyahu, যার অর্থ "আমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর হয়") আরবি: إيلياس إليا, ইলিয়াস Ilya) একজন নবী এবং ইস্রায়েলের উত্তর রাজ্যে একটি আশ্চর্যের-কর্মী ছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ইলিয়াস(আঃ) তার প্রচার একটি সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বর্ণনা করতেন যেখানে কুরআন, উল্লেখ করা হয়. কুরআন ইলিয়াস আল্লাহর উপাসনা করতে আসা এবং বাল, এলাকার প্রাথমিক প্রতিমা পূজা ত্যাগ করতে তার লোকদের বলেন যে বর্ণনা করেন. কুরআন বলে: ""নিশ্চয়ই ইলিয়াস প্রেরিতদের এক. যখন তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বললেন: "আপনি আল্লাহর ভয় করবে না?" তোমরা Ba'al উপর কল ও নির্মাতাগণ, আল্লাহর, আপনার পালনকর্তা এবং তোমাদের পূর্বপুরুষদের পালনকর্তা এর শ্রেষ্ঠ ছেড়ে দিবেন ""?[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

হযরত আল-ইয়াসা (আঃ) ইলীশায়

হযরত আল-ইয়াসা (আঃ)- আল-ইয়াসা (/ ᵻlaɪʃə / [1] হিব্রু: אֱלִישָׁע, আধুনিক আল ইয়াসা Tiberian'Ĕlîšā'; "আমার আল্লাহ বা ঈশ্বর উদ্ধারকর্তা", গ্রিক: Ἐλισσαῖος, Elissaîos বা Ἐλισαιέ, Elisaié, আরবি: اليسع আল yasa') একজন নবী যার জীবন হিব্রু বাইবেলে নথিভুক্ত করা হয়, তিনি গ্রন্থ, নিউ টেস্টামেন্ট, কুরআন, Ginza RBA এবং বাহাই লেখায় উল্লেখ করা হয়.তার নামটি সাধারণত আল-ইয়াসা যেমন ইংরেজিতে হিব্রু, ইলীশায়ের মাধ্যমে গ্রিক ও ল্যাটিন, বা Alyasa মাধ্যমে আরবি, Elyesa মাধ্যমে তুর্কি মাধ্যমে বর্ণান্তরিত হয়. তিনি মাহেরকে শিষ্য ছিলেন এবং, পরে ইলিয়াস ঘূর্ণিবায়ু তুলে নেওয়া হল, আল-ইয়াসা ভাব্বাদীদের নেতা হিসেবে গৃহীত হয়েছিল.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

পবিত্র কুরআনে এই নবী সম্পর্কে সূরা আন‘আম ৮৬ ও সূরা ছোয়াদ ৪৮ আয়াতে বর্ণিত হয়েছে অন্য নবীগণের নামের সাথে। সূরা আন‘আম ৮৩ হ’তে ৮৬ আয়াত পর্যন্ত ইলিয়াস ও আল-ইয়াসা‘ সহ ১৭ জন নবীর নামের শেষদিকে বলা হয়েছে- وَإِسْمَاعِيْلَ وَالْيَسَعَ وَيُونُسَ وَلُوْطاً وَكُلاًّ فضَّلْنَا عَلَى الْعَالَمِيْنَ- (الأنعام ৮৬)- ‘ইসমাঈল, আল-ইয়াসা‘, ইউনুস, লূত্ব তাদের প্রত্যেককেই আমরা বিশ্বের উপরে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি’ (আন‘আম ৬/৮৬)। অন্যত্র আল্লাহ বলেন, وَاذْكُرْ إِسْمَاعِيلَ وَالْيَسَعَ وَذَا الْكِفْلِ وَكُلٌّ مِّنَ الْأَخْيَارِ- (ص ৪৮)- ‘আর তুমি বর্ণনা কর ইসমাঈল, আল-ইয়াসা‘ ও যুল-কিফলের কথা। তারা সকলেই ছিল শ্রেষ্ঠগণের অন্তর্ভুক্ত’ (ছোয়াদ ৩৮/৪৮)। তিনি ইফরাঈম বিন ইউসুফ বিন ইয়াকূব-এর বংশধর ছিলেন। তিনি ইলিয়াস (আঃ)-এর চাচাতো ভাই এবং তার নায়েব বা প্রতিনিধি ছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] হযরত ইলিয়াস (আঃ) সুলায়মান (আঃ) পরবর্তী পথভ্রষ্ট বনু ইস্রাঈলগণের প্রতি প্রেরিত হয়েছিলেন। তার পরে আল-ইয়াসা‘ নবী হন এবং তিনি ইলিয়াস (আঃ)-এর শরী‘আত অনুযায়ী ফিলিস্তীন অঞ্চলে জনগণকে পরিচালিত করেন ও তাওহীদের দাওয়াত অব্যাহত রাখেন। বাইবেলে তাঁর বিস্তারিত অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। সেখানে তাঁর নাম ‘ইলিশা ইবনে সাকিত’ বলে উল্লেখিত হয়েছে।

হযরত যুল-কিফ'ল (আঃ) ইজেকিয়েল

হযরত যুল-কিফ'ল আ- যুল-Kifl, বা Zul-Kifl (আরবি: ذو الكفل; একটি ভাঁজ অধিকারী) (. গ 600 খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) একটি ইসলামী নবী বিভিন্ন হিব্রু বাইবেলের ভাববাদীরা, সবচেয়ে বেশি যিহিষ্কেল সঙ্গে পরিচয় হয়েছে. এটা বিশ্বাস করা হয় যে, তিনি প্রায় 75 বছর ধরে বসবাস করতেন[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এবং তিনি অধুনা ইরাক কি প্রচার. যুল-Kifl, উচ্চ মর্যাদা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় এবং গুড এর "কোম্পানির একজন মানুষ হিসেবে কুরআনে লিপিবদ্ধ করা হয়. যদিও অনেক না অন্য ঐতিহাসিক সূত্র থেকে যুল Kifl পরিচিত হয় যেমন ইবনে ইসহাক ও ইবনে কাসীর হিসেবে শাস্ত্রীয় মন্তব্যকারীদের, থেকে সব লেখা, একটি ভবিষ্যদ্বাণীপূর্ণ, সাত্ত্বিক মানুষ যারা প্রতিদিন প্রার্থনা ও উপাসনার মধ্যে বিশ্বস্ত হিসেবে যুল Kifl তো দূরের কথা.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

পবিত্র কুরআনে কেবল সূরা আম্বিয়া ৮৫-৮৬ ও ছোয়াদ ৪৮ আয়াতে যুল-কিফলের নাম এসেছে। তিনি আল-ইয়াসা‘-এর পরে নবী হন এবং ফিলিস্তীন অঞ্চলে বনু ইস্রাঈলগণের মধ্যে তাওহীদের দাওয়াত দেন। আল্লাহ বলেন, وَإِسْمَاعِيْلَ وَإِدْرِيْسَ وَذَا الْكِفْلِ كُلٌّ مِّنَ الصَّابِرِيْنَ- وَأَدْخَلْنَاهُمْ فِيْ رَحْمَتِنَا إِنَّهُمْ مِنَ الصَّالِحِيْنَ- (الأنبياء ৮৫-৮৬)- ‘আর তুমি স্মরণ কর ইসমাঈল, ইদরীস ও যুল-কিফলের কথা। তারা প্রত্যেকেই ছিল ছবরকারী’। ‘আমরা তাদেরকে আমাদের রহমতপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। তারা ছিল সৎকর্মশীলগণের অন্তর্ভুক্ত’ (আম্বিয়া ২১/৮৫-৮৬)।

হযরত ইউনুস (আঃ) যোনা

হযরত ইউনুস(আঃ)- (হিব্রু ভাষায়: יוֹנָה, আধুনিক হিব্রু: Yona, তিবেরিয়ান: jon'ɔh, "dove"; আরবি:يونس, ইউনুস আথবা يونان, ইউনান; লাতিন: Ionas) কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন নবী। যাকে 'নীনাওয়া' বাসীদেরকে হিদায়াতের জন্য আল্লাহ প্রেরণ করেন। ইউনূস (আ:)এর বংশ সম্পর্কে শুধু এটুকুই জানা যায় যে, তার পিতার নাম ছিল 'মাত্তা'। বুখারী শরীফের একটি হাদীসে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস হতে এ কথা স্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে। বাইবেলে ইউনূস (আ:)এর নাম 'ইউনাহ' এবং তার পিতার নাম 'আমতা' বলা হয়েছে। তবে ইউনূস ইবনে মাত্তাহ এবং ইউনাহ ইবনে আমতার মাঝে ব্যক্তি হিসেবে কোন পার্থক্য নেই। এটা আরবি ও হিব্রু ভাষার উচ্চারণের পার্থক্য। কুরআনে বলা হয়েছে, وَإِنَّ يُونُسَ لَمِنَ الْمُرْسَلِيْنَ- إِذْ أَبَقَ إِلَى الْفُلْكِ الْمَشْحُوْنِ- فَسَاهَمَ فَكَانَ مِنَ الْمُدْحَضِيْنَ- فَالْتَقَمَهُ الْحُوْتُ وَهُوَ مُلِيْمٌ- (الصافات ১৩৯-১৪২)- ‘আর ইউনুস ছিল পয়গম্বরগণের একজন’। ‘যখন সে পালিয়ে যাত্রী বোঝাই নৌকায় গিয়ে পৌঁছল’। ‘অতঃপর লটারীতে সে অকৃতকার্য হ’ল’। ‘অতঃপর একটি মাছ তাকে গিলে ফেলল। এমতাবস্থায় সে ছিল নিজেকে ধিক্কার দানকারী’ (ছাফফাত ৩৭/১৩৯-১৪২)।

হযরত যাকারিয়া (আঃ) জাকারিয়াহ

হযরত যাকারিয়া (আঃ)- (আরবি: زكريا যাকারিয়া; অর্থ: আল্লাহর স্মরণ করেছেন ইসলামেও একজন নবী, এবং কোরানে উল্লেখ করা হয়. মুসলিমরা এও বিশ্বাস করে তিনি মরিয়মের অভিভাবক হয়েছিলেন, এবং তিনি ইয়াহিয়া (আ.)এর বাবা ছিলেন। কিছু মুসলমানদের বিশ্বাস জাকারিয়া শহীদ হয়েছিলেন। একটি পুরানো ঐতিহ্য বর্ণনা করেন যে, সখরিয় অর্ধেক sawed ছিল,একটি মৃত্যুর যা বর্ণনার অনুরূপ যে নবীদের জীবনে যিশাইয় আরোপিত মধ্যে. জাকারিয়া একজন ধার্মিক যাজক এবং আল্লাহ যার প্রধান কেন্দ্র জেরুশালেমে প্রার্থনা ঘরে ছিলেন নবী.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

যাকারিয়া (আঃ) সম্পর্কে কুরআনে কেবল এতটুকু বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি মারিয়ামের লালন-পালনকারী ছিলেন। এ বিষয়ে আল্লাহ সূরা আলে-ইমরানে যা বলেন, তার সার-সংক্ষেপ এই যে, ইমরানের স্ত্রী মানত করেছিলেন যে, আমার গর্ভের সন্তানকে আমি আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম। তিনি ধারণা করেছিলেন যে, তার একটি পুত্র সন্তান হবে এবং তাকে তিনি আল্লাহর ঘর বায়তুল মুক্বাদ্দাসের খিদমতে নিয়োগ করবেন। কিন্তু পুত্রের স্থলে কন্যা সন্তান অর্থাৎ মারিয়াম জন্মগ্রহণ করলে তিনি হতাশ হয়ে পড়েন। আল্লাহ তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, لَيْسَ الذَّكَرُ كَالأُنْثَى ‘এই কন্যার মত কোন পুত্রই নেই’ (আলে-ইমরান ৩/৩৬)।

হযরত ইয়াহিয়া (আঃ) জন ব্যাপটিস্ট

হযরত ইয়াহিয়া(আঃ)- (হিব্রু: יוחנן המטביל, Yo-hanan ha-matbil; আরবি: يحيى‎ Yahyá এবং يوحنا Yūhannā; আর্মেনীয়: ܝܘܚܢܢ Yokhanan)[১] কুরআনের বর্ণনা অনুসারে, তিনি ছিলেন একজন নবী। সূরা মারইয়ামে হযরত ইয়াহিয়া (আ:) কথা বলা হয়েছে। যাকারিয়া (আঃ) ও ইয়াহইয়া (আঃ) সুলায়মান (আঃ) পরবর্তী দুই নবী, যারা পরস্পরের পিতা-পুত্র ছিলেন এবং বায়তুল মুক্বাদ্দাসের অধিবাসী ছিলেন। ইয়াহইয়া ছিলেন পরবর্তী নবী ঈসা (আঃ)-এর আপন খালাতো ভাই এবং বয়সে ছয় মাসের বড়। তিনি ঈসার (আঃ) ছয় মাস পূর্বেই দাওয়াতের কাজ শুরু করেন। হযরত যাকারিয়া ও ইয়াহ্ইয়া (আঃ) সম্পর্কে ৪টি সূরার ২২টি আয়াতে বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে সূরা আন‘আমে কেবল ১৮জন নবীর নামের তালিকায় তাদের নাম উল্লেখিত হয়েছে। বাকী অন্য সূরাগুলিতে খুবই সংক্ষেপে কেবল ইয়াহ্ইয়ার (আঃ) জন্ম বৃত্তান্ত সম্পর্কে বর্ণনা এসেছে।

হযরত ঈসা (আঃ) যীশু

হযরত ঈসা(আঃ)- ঈসা ইবনে মারিয়াম ( আরবি: عيسى, অক্ষরীকরণ: ʿĪsā ), যিনি নিউ টেস্টামেন্টে যিশু নামে পরিচিত, ইসলাম ধর্মে একজন নবী ও রাসূল এবং মসীহ হিসেবে স্বীকৃত।

খ্রিস্টধর্মের মত ইসলাম ধর্মেও তিনি সম্মানিত একজন নবী; তবে ইসলাম ধর্মে তার ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার ঘটনাকে স্বীকার করা হয় না। বলা হয় যে, ক্রুশবিদ্ধ করার জন্য যখন বাহক তাকে নিতে ঘরে প্রবেশ করে তখনই আল্লাহ তাকে উপরে তুলে নেন এবং বাহকের চেহারাকে ঈসা-এর চেহারার অনুরুপ করে দেন; ফলে ঈসা মনে করে ঐ বাহককে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। ইসলাম বলে যে, ঈসা বর্তমানে জীবিত অবস্থায় আসমানে অবস্থান করছেন। কেয়ামতের পূর্বে মসীহ দাজ্জালের আবির্ভাবের পর ঈসা নবী মুহাম্মদ-এর একজন উম্মত বা অনুসারী হিসেবে পুনরায় পৃথিবীতে অবতরণ করবেন এবং দাজ্জালকে হত্যা করবেন। এরপর সমস্ত পৃথিবীর শাসনভার গ্রহণ করবেন এবং পৃথিবীতে শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবেন। সবশেষে তিনি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে মৃত্যুবরণ করবেন এবং মুহাম্মদ-এর কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হবে; যে কারণে মদীনায় নবী মুহাম্মদ-এর কবরের পাশে তাকে কবর দেয়ার জায়গা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল যা এখনও বহাল আছে।

হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) মুহাম্মাদ

হযরত মুহাম্মাদ(সাঃ)- (২৯ আগস্ট ৫৭০ খ্রি: - ৮ জুন ৬৩২ হি: ; আরবি উচ্চারণ محمد (সাহায্য·তথ্য) মোহাম্মদ এবং মুহাম্মদ (সাঃ) নামেও পরিচিত; তুর্কি : মুহাম্মেদ) (সাঃ), পূর্ণ নাম : আবু আল-কাশিম মুহাম্মাদ ইবনে ʿআবদুল্লাহ ইবনে ʿআবদুল মুত্তালিব ইবনে হাশিম (ابو القاسم محمد ابن عبد الله ابن عبد المطلب ابن هاشم) হলেন ইসলামের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব এবং ইসলামী বিশ্বাস মতে আল্লাহ বা ঈশ্বর কর্তৃক প্রেরিত সর্বশেষ নবী। (আরবি: النبي আন-নাবিয়্যু‎) তথা "বার্তাবাহক" (আরবি : الرسول আর-রাসুল) যার উপর ইসলামী প্রধান ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে। অমুসলিমদের মতে তিনি ইসলামী জীবন ব্যবস্থার প্রবর্তক। অধিকাংশ ইতিহাসবেত্তা ও বিশেষজ্ঞদের মতে মুহাম্মাদ (সাঃ) ছিলেন পৃথিবীর ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতা। তার এই বিশেষত্বের অন্যতম কারণ হচ্ছে আধ্যাত্মিক ও জাগতিক উভয় জগতেই চূড়ান্ত সফলতা অর্জন। তিনি ধর্মীয় জীবনে যেমন সফল তেমনই রাজনৈতিক জীবনেও। সমগ্র আরব বিশ্বের জাগরণের পথিকৃৎ হিসেবে তিনি অগ্রগণ্য; বিবাদমান আরব জনতাকে একীভূতকরণ তার জীবনের অন্যতম সফলতা। তিনি চেয়েছিলেন সব মানুষ পৃথিবীতে শুধুমাত্র এক আল্লাহর উপাসনা করবে। তিনি এই বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে এসেছিলেন।

নবীগণের তালিকাসম্পাদনা

পৃথিবীতে লক্ষাধিক নবীর আগমন ঘটলেও বস্তুত কিছু সংখ্যক নবীগণের নাম জানা যায় । এখানে বহুল আলোচিত এবং পরিচিত নবীগণের তালিকা দেওয়া হল।

খৃষ্টান ধর্মে নবিসম্পাদনা

ইহুদি ধর্মে নবিসম্পাদনা

  1. আব্রাহাম
  2. আইজ্যাক
  3. জ্যাকব
  4. মোসেস
  5. এ্যারুন
  6. যিশুয়া
  7. Phineas
  8. Elkanah
  9. Eli
  10. স্যামুয়েল
  11. Gad
  12. Nathan
  13. ডেভিড
  14. সোলমন
  15. Iddo
  16. Michaiah son of Imlah
  17. Obadiah
  18. Ahijah the Shilonite
  19. Jehu son of Hanani
  20. Azariah son of Oded
  21. Jahaziel the Levite
  22. Eliezer son of Dodavahu
  23. Hosea
  24. Amos מו
  25. Micah the Morashtite
  26. Amoz
  27. Elijah
  28. আলিশা
  29. যোনাহ
  30. Isaiah
  31. Joel
  32. Nahum
  33. Habakkuk
  34. Zephaniah
  35. Uriah
  36. Jeremiah
  37. ইজক্যাল
  38. Shemaiah
  39. Baruch
  40. Neriah
  41. Seraiah
  42. Mehseiah
  43. Haggai
  44. যাকারিয়া
  45. Malachi
  46. Mordecai Bilshan
  47. Oded
  48. Hanani

বাহাই ধর্মে নবিসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. prophet - definition of prophet by the Free Online Dictionary, Thesaurus and Encyclopedia
  2. "prophet - Definition from the Merriam-Webster Online Dictionary"। ২৮ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৫ 
  3. "Middle Ages", যুগান্তর website, http://www.jugantor.com/old/islam-and-life/2014/02/21/71081
  4. কুরআন 53:36
  5. কুরআন 2:30-37
  6. কুরআন 3:56-59
  7. কুরআন 11:50–60
  8. ইবনু কাছীর, সূরা আ‘রাফ ৬৫, ৭৩।
  9. কুরতুবী, আ‘রাফ ৬৫।
  10. কুরআন 87:19
  11. Siddiqui, Mona"ইব্রাহীম - দ্য মুসলিম ভিউ অব আব্রাহাম"Religions। BBC। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  12. ফক্বীহ আবুল লাইস সমরকন্দী। "নবী রাসুল প্রসঙ্গ"। বুস্তানুল আ'রেফীন (প্রিন্ট)। মাওলানা লিয়াকত আলী কর্তৃক অনূদিত (১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দ সংস্করণ)। চকবাজার, ঢাকা: হামিদিয়া লাইব্রেরী লি:। 
  13. কুরআন। পৃষ্ঠা ২:১২৪। 
  14. কুরআন। পৃষ্ঠা ২:১২৮। 
  15. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; BA নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  16. কুরআন 26:161
  17. Wheeler, Brannon M. (২০০২)। প্রফেট'স ইন দ্য কুর'আনঃঃ অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু দ্য কুর'আন অ্যান্ড মুসলিম এক্সেসিস। Comparative Islamic studies। Continuum International Publishing Group। পৃষ্ঠা 8। আইএসবিএন 978-0-8264-4957-3 
  18. Noegel, Scott B.; Wheeler, Brannon M. (২০১০)। Lotদ্য এ টু জেড অব প্রেফেট'স ইন ইসলাম অ্যান্ড জুদাইজম। Rowman & Littlefield Publishers, Incorporated। পৃষ্ঠা 118–126। আইএসবিএন 0810876035। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৩ 
  19. Hasan, Masudul. History of Islam.
  20. Fredrick E. Greenspahn (২০০৫)। "Ishmael"। Lindsay Jones। এনসাইক্লোপিডিয়া অব রিলিজিয়ন7। Macmillan Reference USA। পৃষ্ঠা 4551–4552। আইএসবিএন 9780028657400 
  21. Lives of the Prophets, L. Azzam, Isaac and Jacob
  22. Encyclopedia of Islam, W. Montgomery Watt, Isaac
  23. Wells, John C. (১৯৯০)। Longman pronunciation dictionary। Harlow, England: Longman। পৃষ্ঠা 381। আইএসবিএন 0-582-05383-8  entry "Jacob"
  24. মারেফুল কোরআন ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে, হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শাফী' (রহঃ), অনুবাদঃ মাওলানা মুহিউদ্দন খান, সূরা ইউসুফ পৃষ্ঠা- ৬৫৪।
  25. JewishEncyclopedia.com - JOSEPH
  26. মারেফুল কোরআন ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে, হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মাদ শাফী' (রহঃ), অনুবাদঃ মাওলানা মুহিউদ্দন খান, সূরা ইউসু্‌ফ, পৃষ্ঠা- ৬৫৪।
  27. Tribe of Israel
  28. Brandon M. Wheeler, Historical Dictionary of Prophets in Islam and Judaism, Shuayb, pg. 303
  29. Quran 7:85-93
  30. Quran 26:176-177

বহিঃসংযোগসম্পাদনা