দ্য উইচ’স টেলস  ছিল টম চ্যাডবার্ন সম্পাদিত একটি পাল্প পত্রিকা যার নভেম্বর ও ডিসেম্বর ১৯৩৬ সালে দুটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল। এটি একটি রেডিও প্রোগ্রাম এর সহপ্রকাশনা ছিল, যার নাম ছিল দ্য উইচ’স টেল, যা  মে ১৯৩১ সালে সম্প্রচার শুরু করেছিল। প্রতি সংখ্যার মুল কাহিনীটি ছাড়া, বাকি সব কাহিনী পিয়ারসন ম্যাগাজিনের আমেরিকান সংস্করনের পুনঃপ্রকাশ করত, অ্যালোঞ্জো ডীন কোল, যিনি রেডিও সিরিজটি লিখতেন, তিনিই মূল কাহিনীটি লিখতেন, এবং অন্যদের গল্পের প্লট দিতেন। পুনঃ প্রকাশিত গল্প গুলোর লেখকেরা হচ্ছেন জর্জ ডাল্টন, ওয়ারডন অ্যালান কার্টিস, উইলিয়াম হ্যামিলটন অসবর্ন, এবং জন সি. হেউড।

নভেম্বর ১৯৩৬ সংখ্যা, প্রচ্ছদ শিল্পী এলমার স্টোনার

প্রকাশনার ইতিহাস ও বিষয়বস্তু

সম্পাদনা
 
ডিসেম্বের ১৯৩৬ সংখ্যা, প্রচ্ছদ শিল্পী এলমার স্টোনার

দ্য উইচ’স টেল ছিল একটি রেডিও প্রোগ্রাম যা আমেরিকান রেডিওতে ১৯৩১ সালের মে মাসে শুরু হয়। এটা ছিল একটি সাপ্তাহিক গল্পের সংকলন শো, এবং প্রথম হরর রেডিও প্রোগ্রাম, এবং এটা শীঘ্রই বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছিল।[১][২][note ১] ১৯৩৬ সালে, দ্য উইচ’স টেলস পত্রিকাটি এর একটি সহ প্রকাশনা হিসেবে আবির্ভূত হয়, সম্ভবত তারা দ্য শ্যাডোর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ছিল,যা ছিল একটি পাল্প পত্রিকা এবং এটিও একই নামের একটি রেডিও প্রোগ্রামের সহ প্রকাশনা ছিল। দ্য উইচ’স টেলস এর প্রকাশক ছিলেন দ্য কারউড পাবলিশিং কোং, যা ছিল একটি ছোট এবং তুলনামূলকভাবে অনভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠান। অ্যালোঞ্জো ডীন কোল ছিলেন পত্রিকাটির নামে মাত্র সম্পাদক, যিনি মূলত রেডিও সিরিজটি লিখতেন । কিন্তু সম্পাদনার কাজ মূলত করতেন টম চ্যাডবার্ন। [৪] একই সাথে একটি পাল্প পত্রিকা এবং একটি রেডিও শো থাকা হচ্ছে একুশ শতকের প্রথমদিকের মিডিয়া ইন্ডাষ্ট্রির ধারার একটি উদাহরণ, যখন একই কন্টেন্টকে একধিক মিডিয়াতে একসাথে জুড়ে দেয়া হত,[৫] কিন্তু ষ্ট্রীট এন্ড স্মিথ এই কাজটিকে দ্য শ্যাডোর বেলায় সফল ভাবে করে দেখিয়ে ছিল, কারউড তাদের পত্রিকায় রেডিও শো টির অতি সামান্য প্রচারণা করত, সম্ভবত তাদের অনভিজ্ঞতার জন্য।[৬]  পরবর্তী মাসে তারা আরো একটি সংখ্যা প্রকাশ হয়েছিল; দুর্ভাগ্যজনক ভাবে সেই সময় প্রকাশকের নিকট প্রথম সংখ্যার বিক্রির তথ্য হাতে এসেছিল, পত্রিকাটি কম বিক্রয় হবার আরেকটি কারণ থাকতে পারে,[৪] সেটি সম্ভবত দুর্বল অর্থায়ন ও পরিবেশনা। [৬]

প্রথম সংখ্যার তারিখ ছিল নভেম্বর ১৯৩৬, মুল কাহিনী ছিল কোল এর পাগল বৈজ্ঞানিককে নিয়ে লেখা "দ্য ম্যাড ম্যান"।[৬] দ্বিতীয় সংখ্যাতে কোল এর আরেকটি লেখা ছিল "মিসেস হকার'স উইল" শিরোনামে। মূলত কোল রেডিও শোর জন্য একটি পর্ব লিখেছিলেন, যা ছিল পত্রিকার জন্য লেখা লরেন্স ডি স্মিথ এর পাণ্ডুলিপির রূপান্তর। উভয় সংখ্যার,বাকি সব কাহিনী ছিল পিয়ারসন ম্যাগাজিনের আমেরিকান সংস্করনের পুনঃপ্রকাশ।[৭] এর মধ্যে ওয়ারডন অ্যালান কার্টিস এর "দ্য মনস্টার অব লেক লামিট্রি", ১৮৯৯ সালে; উইলিয়াম হ্যামিলটন অসবর্ন এর "দ্য ফাউন্টেন অব ইয়থ", এবং জন সি. হেউড এর "ফ্যান্টম অব দ্য লিঙ্কস" দুটিই ১৯০৬ সালে[note ২], এবং জর্জ ডাল্টন এর "দ্য ডেথ ট্র্যাপ", ১৯০৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। রিপ্রিন্ট গল্পগুলো ছিল ভাল মানের, মাইক অ্যাসলের মতে, এগুলোতে প্রায়ই বিজ্ঞান কল্প কাহিনীর থিম থাকত : কার্টিসের গল্পে ছিল মানুষের মস্তিষ্ক প্রাগৈতিহাসিক দানবের শরীরে প্রতিস্থাপনের কাহিনী। বিষয়বস্তু অপেক্ষাকৃত উচ্চ মানের হওয়া সত্ত্বেও, গল্পগুলোতে অ্যাকশনের কমতি থাকার কারণে সেই সময়ের সাধারণ পাল্প পত্রিকা পাঠকদের সন্তুষ্ট করার জন্য যথেষ্ট ছিল না.[৪]

গ্রন্থপঞ্জির বিবরন

সম্পাদনা

ম্যাগাজিনটির দুটি সংখ্যার প্রকাশের তারিখ ছিল নভেম্বর ও ডিসেম্বর ১৯৩৬, এবং দুটি সংখ্যার একটি পৃথক ভলিউম ও বের হয়েছিল। প্রকাশক ছিলেন নিউ ইয়র্কের দ্য কারউড পাবলিশিং কোং, সম্পাদক ছিলেন টম চ্যাডবার্ন. ম্যাগাজিনটি ছিল বেডশিট ফরম্যাটের, এতে ছিল ৪৮ পৃষ্ঠা, প্রতিটির মূল্য ছিল ১৫ সেন্ট।[৪]

  1. In a survey of over 3,000 children of both sexes in grades 5 through 8 in 1936, 25% of the children named The Witch's Tale as the radio program that kept them up at night.[৩]
  2. Originally published under the title "The Gray People".[৪]

পাদটীকা

সম্পাদনা
  1. Hand (2006), chapter 4.
  2. Killmeier (2012), p. 61.
  3. Welch (2008), p. 134.
  4. Ashley & Parnell (1985), pp. 742–743.
  5. Killmeier (2012), p. 64.
  6. Ashley (2000), pp. 104−105.
  7. Ashley (1997), p. 612.

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •