দেবি শেঠি

ভারতীয় হৃদ‍্য শল‍্যচিকিৎসক

দেবি প্রসাদ শেঠি (জন্ম ৮ মে ১৯৫৩) একজন ভারতীয় কার্ডিয়াক সার্জন। তিনি স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা প্রদানস্বরূপ পদ্মভূষণ পদক লাভ করেন।[২]

দেবি প্রসাদ শেঠি
Devi Shetty.jpg
জন্ম (1953-05-08) ৮ মে ১৯৫৩ (বয়স ৬৮)[১]
মাঙ্গালোর, কর্ণাটক, ভারত
শিক্ষালন্ডনের গাই হসপিটাল – কার্ডিওথোরাসিক বিভাগ (১৯৮৩–১৯৮৯)
কার্ডিয়াক সার্জারিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত
কস্তুরবা মেডিক্যাল কলেজ,মাঙ্গালোর(১৯৮২)
সেন্ট অ্যালোইসাস,মাঙ্গালোর
কর্মজীবন১৯৮৩–বর্তমান
পরিচিতির কারণপালমোনারি থ্রম্বোএম্বোলেকটমি, শিশুদের ওপেন হার্ট সার্জারি
কার্ডিওমায়োপ্লাস্টি সার্জারি
মেডিকেল কর্মজীবন
পেশাচেয়ারম্যান ও উদ্যোক্তা, নারায়ণ হেলথ।কার্ডিয়াক সার্জন
প্রতিষ্ঠানকস্তুরবা মেডিক্যাল কলেজ,মাঙ্গালোর
গাই হসপিটাল ,যুক্তরাজ্য
বি.এম. হাসপাতাল,কলকাতা
মণিপাল হাসপাতাল,ব্যাঙ্গালোর
বিশেষজ্ঞতাকার্ডিয়াক সার্জারি
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার২০১২ সালে চিকিৎসায় পদ্মভূষণ
২০০১ সালে কর্ণাটক রত্ন পুরস্কার

জীবন বৃত্তান্তসম্পাদনা

ডা. দেবি প্রসাদ শেঠি নারায়ণ হেলথ এর চেয়ারম্যান ও উদ্যোক্তা ।[৩]

দেবি শেঠি ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের দক্ষিণ কনাডা জেলার কিন্নিগলি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।নয় ভাইবোনের মধ্যে অষ্টম শেঠি মেডিকেলে পঞ্চম গ্রেডে পড়ার সময় তৎকালীন দক্ষিণ আফ্রিকার সার্জন কর্তৃক বিশ্বের প্রথম হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের কথা শুনে কার্ডিয়াক সার্জন হবার সিদ্ধান্ত নেন।[৪]

১৯৯১ সালে নয় দিন বয়সী শিশু রনি এর হৃৎপিণ্ড অপারেশন করেন যা ভারতের প্রথম সফল শিশু হৃৎপিণ্ড অস্ত্রোপচার। তিনি কলকাতায় মাদার তেরেসার ব্যক্তিগত চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।[১] এর কিছুকাল পর তিনি ব্যাঙ্গালোরে চলে যান এবং মণিপাল হার্ট ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি প্রায় ১৫,০০০ এর বেশি কার্ডিয়াক সার্জারি করেছেন।[৫]

অবদানসম্পাদনা

তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছে তার মধ্যে কার্ডিওলজিস্ট হিসাবে খুব ভাল কাজ করেছেন।

পুরস্কারসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Dr. Devi Prasad Shetty"। MSN India। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১২ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  2. "Padma Awards"। pib। ২৭ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০১৩ 
  3. http://www.narayanahealth.org/
  4. "The Henry ford of heart surgery"। The Wall Street Journal। ২৫ নভেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১২ 
  5. "First break all the rules"। The Economist। ১৫ এপ্রিল ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১২