দাড়ি হল কারো গাল, থুতনি, ঘাড় এবং ওষ্ঠের ওপরের অংশে গজানো চুল। সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালের বা বয়সন্ধিকালোত্তীর্ণ পুরুষলোকের দাড়ি গজায়। মুখমন্ডলের ওপরের ও নিচের অংশের চুলের মধ্যে পার্থক্য করতে বলা হলে দাড়ি মূলত নিচের অংশের চুলকেই বোঝায়, যার মধ্যে গোঁফ অন্তর্ভুক্ত নয়। দাড়ি সংক্রান্ত অধ্যয়ন পগনোলজি নামে পরিচিত।

গোঁফ-দাড়ি বিশিষ্ট একজন ভদ্রলোক

ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, দাড়িবিশিষ্ট পুরুষলোককে জ্ঞান ও প্রজ্ঞার অধিকারী, পৌরুষত্বের অথবা উঁচু সামাজিক মর্যাদার অধিকারী ভাবা হত। আবার মুদ্রার অন্য পিঠে দাড়িযুক্ত পুরুষকে নোংরা, অসংস্কৃত এবং কিম্ভূত চেহারার ভবঘুরেও বিবেচনা করা হত। দাড়ির এই মর্যাদা ও অমর্যাদা সংস্কৃতি-সাপেক্ষ।

জীববিজ্ঞানসম্পাদনা

বয়ঃসন্ধিকালে দাড়ি গজায়। এ সময়ে মুখমন্ডলের লোমকূপে ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন এর উদ্দীপনার কারণে দাড়ি গজায়। চুলের গ্রন্থিগুলো অবস্থানের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয়; ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন টাক পড়াকেও প্রভাবিত করে। ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরন টেস্টোস্টেরন হতে নিঃসৃত হয়, যার মাত্রা বিভিন্ন ঋতুতে বিভিন্ন হয়: ফলে গ্রীষ্মকালে দাড়ি দ্রুত বাড়ে।[১]

দাড়িবিশিষ্ট বিখ্যাতজনসম্পাদনা

ধর্মীয়সম্পাদনা

ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

পাদটীকাসম্পাদনা

  1. Randall VA (২০০৮)। "Androgens and hair growth"। Dermatol Ther21 (5): 314–28। ডিওআই:10.1111/j.1529-8019.2008.00214.xপিএমআইডি 18844710 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা