ডোমার উপজেলা

নীলফামারী জেলার একটি উপজেলা
(ডোমার থেকে পুনর্নির্দেশিত)

ডোমার বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের নীলফামারী জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।

ডোমার
উপজেলা
ডোমার বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ডোমার
ডোমার
বাংলাদেশে ডোমার উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৬°৫′৫৪″ উত্তর ৮৮°৫০′১৮″ পূর্ব / ২৬.০৯৮৩৩° উত্তর ৮৮.৮৩৮৩৩° পূর্ব / 26.09833; 88.83833স্থানাঙ্ক: ২৬°৫′৫৪″ উত্তর ৮৮°৫০′১৮″ পূর্ব / ২৬.০৯৮৩৩° উত্তর ৮৮.৮৩৮৩৩° পূর্ব / 26.09833; 88.83833 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগরংপুর বিভাগ
জেলানীলফামারী জেলা
আয়তন
 • মোট২৫০.৮৬ বর্গকিমি (৯৬.৮৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট২,৪৫,২৫০
 • জনঘনত্ব৯৮০/বর্গকিমি (২,৫০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৫৫ ৭৩ ১৫
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

নামকরণসম্পাদনা

ঐতিহাসিকদের মতে ডোমারে ভীমের রাজধানী ছিল বা তিনি এখানে কোন দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন, যা মৃত্‍প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত করেছিলেন মৃত্‍প্রাচীরকে ডমর বলা হতো৷ ডমর থেকে ডোমার অথবা ডমননগর বা ডোমননগর এবং পরবর্তীতে তা থেকে ডোমার নামের উত্‍পত্তি হয়েছে। আরও জনশ্রুতি আছে এখানে ডোমদের (যারা বাশ,কাঠ ইত্যাদির কাজ করতো) বাস ছিল। তাই ডোম থেকে ডোমার নামের উতপত্তি হতে পারে বলে ধারনা করা হয়।[২][৩]

ইতিহাসসম্পাদনা

ঐতিহাসিকদের মতে, প্রাচীনকালে ডোমারসহ এ অঞ্চল কামরূপ রাজ্যের অংশ ছিল। এ অঞ্চলটি পাল, খেন, কোচ প্রভৃতি রাজবংশ দীর্ঘ সময় ধরে শাসন করেছে। ডোমার থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে জলঢাকা উপজেলার খেরকাটি নামক গ্রামে পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল দুর্গ নির্মাণ করেছিলেন, পরবর্তীতে তার নামে এ এলাকার নাম হয় ধর্মপাল।[৪]

"আগাডুম বাগাডুম ঘোড়াডুম সাজে
ঢাক মৃদং ঝাঁজর বাজে"[৩]

ডোমার এর পূর্ব নাম ছিল ডোমন নগর। এই ছড়াটি ডোমারের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা বলে। বিখ্যাত কৈবত্যরাজ দিব্বোকের ভ্রাতুষ্পুত্র মহাপরাক্রমশালী ভীমের ডোম সৈন্যের যুদ্ধ যাত্রার ছবি এই ছড়াটিতে বিধৃত। তৃতীয় মহীপাল একজন অত্যাচরি রাজা ছিলেন। তার অত্যাচারে রাজ্যের প্রজারা অতিষ্ট হয়ে ওঠে এবং তৃতীয় বিগ্রপালের সেনাপতি কৈবত্য দিব্বোকের নেতৃত্বে বিদ্রোহ করে৷ দিব্বোক অত্যাচারিত প্রজাদের নিয়ে তৃতীয় মহীপালকে হত্যা করেন এবং ভ্রাতুষ্পুত্র ভীমকে মহীপালের স্থলাভিষিক্ত করেন। কৈবত্যরা জাতে জেলে ছিল এবং মত্‍স্যদেশে সে সময় কৈবত্যরাই নৌশক্তি বলে বলীয়ান ছিল৷ ফলে অন্যান্য রাজশক্তি তাদের হাতে পরাভূত হয়েছিল৷ আনুমানিক ১০৭৫ খ্রিষ্টাব্দে গৌড় সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন। দিব্বোকের মৃত্যুর পর তার অনুজ রম্নদ্রোকের পুত্র ভীম বরেন্দ্রীর অধিপতি হন৷ তিনি রংপুর জেলার 'ডমননগরে' তার রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। এই ডমননগরই ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের ডোমার স্টেশন। তৃতীয় মহীপালের অনুজ শূরপাল ও রামপাল কৈবত্যরাজকে পরাজিত করে এবং কনিষ্ঠ ভ্রাতা রামপাল পিতৃসিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। কৈবত্যরাজ পরাজিত হলে ভীম ও সেনাপতি হরি বর্তমান ডোমার থেকে ডোম সৈন্য সংগ্রহ করে যুদ্ধযাত্রা করে। এই যুদ্ধযাত্রার ছবি 'আগাডুম বাগডুম' ছড়া। যুদ্ধে ভীম বন্দি হলে সেনাপতি হরি পুনরায় সৈন্য সংগ্রহ করে যুদ্ধে গমন করেছিলেন। কিন্তু রাজা সেনাপতি উভয়ে বন্দি হয়ে কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন। সে রামপালের নামানুসারে রামগঞ্জ, রামনগর, রামকলা, দিনাজপুরের রামসাগর প্রভিতি নামের উত্‍পত্তি হয়েছে। রামপাল বরেন্দ্রী উদ্ধার করে ভীমের রাজধানী ডমননগর বা ডোমননগর বা ডোমার লূন্ঠিত, বিধ্বংস ও অগ্নিসংযোগে ভূমিসাত্‍ করেছিলেন। অক্ষয় কুমার মৈত্রেয়, স্যার যদুনাথ সরকার প্রমূখ আলোচ্য ডমননগরকেই ভীমের রাজধানী বলেছেন। তবে কোন কোন ঐতিহাসিক ভীমের রাজধানী ঘোড়াঘাটের সন্নিকটে বলে অবস্থিত বলে বর্ণনা করেছেন, আবার কেউ কেউ মনে করেন, ভীম হয়তো ডোমারে বসবাস করেরননি; কিন্তু উত্তর ও পূর্ব দিকের পার্বত্য উপজাতিদের মোকাবেলার্থে ডোমারে কোনো দুর্গ নিমাণ করেছিলেন।[৩][৫]

মোঘল আমলে রংপুর অঞ্চলে যে ছয়টি পরগনা ছিল, ডোমার ছিল কাজিরহাট পরগনার অধীন। ১৬৮৭ সালে সুবেদার শায়েস্তা খাঁর পুত্র ইবাদত খাঁ কোচ মহারাজা মহিন্দ্র নারায়নের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয় এবং কাজিরহাট, কাকিনা ও ফতেহপুর চাকলা দখল করে নেয়।[৬] ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করলে এ অঞ্চলেও ব্যাপক পরিবর্তন। জমি বন্দোবস্ত ও পাঁচশালা ইজারা ব্যস্থার কারনে বাংলার অন্যান্য অঞ্চলের মত এখানেও অনেক ভূস্বামীর জন্ম হয়েছিল। ১৭৯৩ সালে ১২ নং রেজুলেশন অনুযায়ী তৎকালীন রংপুর জেলায় যে ২১টি থানা গঠিত হয়েছিল, তার মধ্যে বাগদুয়ার (বাগডোকড়া) থানার অধীনে ছিল ডোমার।[৭] ১৮৭৫ সালে নীলফামারী মহকুমা সৃষ্টি করা হলে বাগডোকড়ায় এর কার্যালয় স্থাপন করা হয়। যা ১৮৮২ সালের ১৮ মে নীলফামারীতে স্থানান্তরের পূর্ব পর্যন্ত সেখানে ছিল।[২]

১৭৮৩ সালে কোম্পানি কর্তৃক আরোপিত দুরিভিলা ট্যাক্সের বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের মানুষ বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিল। ব্রিটিশের বিরুদ্ধে ফকির সন্যাসি বিদ্রোহের সময় মজনু শাহের ভাই মুসা শাহ বর্তমান কিশোরগঞ্জে আস্তানা গেড়েছিলেন। সিপাহীদের হাতে ভবানী পাঠকের মৃত্যু হলে বিদ্রোহ দমে যায়। ১৮৫৯-৬০ সালে এ অঞ্চলে নীল বিদ্রোহ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়। ফকির সন্যাসি বিদ্রোহীরা নীল বিদ্রোহীদের সাথে যোগ দিলে নীলকরদের সঙ্গে বেশ কিছু সংঘর্ষ হয়। ১৮৭২ সালে সরকার নীককরদের দমনে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এ আন্দোলন প্রশমিত হয়।[৩]

উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের অবসানের পর ১৯৫০ সালে জমিদারি উচ্ছেদ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হয়। এ আইন অনুসারে ১৯৫১ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হওয়ার পর ডোমার স্থানীয় সরকারের অধীনস্থ হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী এলাকাটি দখল করে নেয়। ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর ভোরে মুক্তিযোদ্ধারা বোড়াগাড়ী হাসপাতালের উত্তর দিকে হলদিয়াবন ও বুদলিপাড় গ্রামে অবস্থান নিয়ে পাকসেনাদের প্রতিহত করে। এ যুদ্ধে তিন পাকসেনা মারা যায়। ৬ ডিসেম্বর ডোমার উপজেলা হানাদার মুক্ত হয়।[৮] বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৮৩ সালে ডোমার থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।

অবস্থানসম্পাদনা

ডোমার উপজেলার আয়তন ২৫০.৮৪ বর্গ কিঃমিঃ ৷ এর উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণে নিলফামারী সদর উপজেলা, পূর্বে ডিমলাজলঢাকা উপজেলা এবং পশ্চিমে দেবীগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।

জনসংখ্যার উপাত্তসম্পাদনা

মোট জনসংখ্যাঃ ২,৪৯,৪২৯ জন
পুরুষঃ ১,২৫,৩৩৮ জন
মহিলাঃ ১,২৪,০৯১ জন

(২০১১আদম শুমারী )

প্রশাসনিক এলাকাসম্পাদনা

ডোমার উপজেলা ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। ইউনিয়নগুলো হল ডোমার সদর ইউনিয়ন, বোড়াগাড়ী ইউনিয়ন, জোড়াবাড়ী ইউনিয়ন, বামুনিয়া ইউনিয়ন, পাংগা মটকপুর ইউনিয়ন, সোনারায় ইউনিয়ন, হরিণচড়া ইউনিয়ন, ভোগডাবুড়ী ইউনিয়ন, কেতকীবাড়ী ইউনিয়নগোমনাতি ইউনিয়ন। ১৮৭৫ সালে ডোমার থানা স্থাপনের পর ১৯৮৪ সালে এটিকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়। সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অধীনে উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তিনিই উপজেলার প্রশাসনিক প্রধান। এছাড়া, জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন উপজেলা চেয়ারম্যান জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে মোঃ তোফায়েল আহমেদ ডোমার উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ডোমার উপজেলায় আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় একটি থানা বা পুলিশ স্টেশন ও একটি পুলিশ ফাড়ি রয়েছে। এছাড়া একটি করে আনসার ও ভিডিপি এবং ফায়ার সার্ভিসের কার্যালয় রয়েছে।

শিক্ষাসম্পাদনা

  • প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১৪৯ টি
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ২২ টি
  • মোট মহাবিদ্যালয়ঃ ০৫ টি

মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহসম্পাদনা

  • আমবাড়ী বঙ্গবন্ধু দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয়।
  • শুকনাপুকুর গার্লস নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়।
  • বড়রাউতা উচ্চ বিদ্যালয় ।
  • খাটুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়।
  • ফার্মহাট উচ্চ বিদ্যালয়।
  • পাঙ্গা মহেশ চন্দ্র লালা উচ্চ বিদ্যালয়।
  • হলহলিয়া আদর্শ বিদ্যা নিকেতন।
  • চিলাহাটি মার্চেন্ট উচ্চ বিদ্যালয়।
  • সরলা বিদ্যানিকেতন ডোমার।
  • বামুনিয়া এস সি উচ্চ বিদ্যালয়
  • মটুকপুর উচ্চ বিদ্যালয়।
  • মটুকপুর সপ্তর্ষী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

মাদ্রাসা সমূহসম্পাদনা

  • ১. পাংগা চেীপথী আব্দুল মজীদ আলিম মাদ্রাসা

প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহসম্পাদনা

কিন্ডারগার্টেন সমূহসম্পাদনা

  • আমবাড়ী আলহেরা কিন্ডারগার্টেন
  • ফুলকুঁড়ি একাডেমী
  • লিটল হার্টস স্কুল
  • ঢাকা প্রিপারেটরী স্কুল
  • প্রতিভা কিন্ডারগার্টেন
  • আবাবিল একাডেমী
  • ডোমার আইডিয়াল একাডেমী
  • বি এম পাইলট কে,জি স্কুল
  • নর্থল্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল

অর্থনীতিসম্পাদনা

ডোমারের প্রধান অর্থনীতি কৃষি৷ এছাড়া মৎস্য চাষ, হাঁস মুরগ খামার, গবাদী খামার, ক্ষুদ্র কুঠির শিল্প, ব্যবসা বাণিজ্য এই এলাকার অর্থনীতিকে সচল রেখেছে ৷

কৃষিসম্পাদনা

ধান, পাট, গম, আলু, তামাক, আদা, পিঁয়াজ, টমেটো, সুপারি, হলুদ মরিচ ও ইক্ষু ।

নদীসমূহসম্পাদনা

ডোমারের প্রধান নদী হল যমুনেশ্বরী তাছাড়া রয়েছে শালকি, বুড়িখরা এবং দেওনাই।

প্রধান প্রধান হাট বাজারসম্পাদনা

ডোমার বাজার, বসুনিয়ার হাট, সোনারায় হাট, ধরনিগঞ্জ হাট, বোড়াগাড়ি হাট, আমবাড়ী হাট, চিলাহাটি বাজার, মিরজাগঞ্জ হাট, ডুকডুকির হাট, ফার্মের হাট,পাংগা পীর সাহেবের হাট, বামুনিয়া কাচারী বাজার, ও চিকারহাট। বসুনিয়া হাট গরু কেনাবেচার জন্য বেশ সুপরিচিত । আমবাড়ি হাট বাই-সাইকেল এবং গরু বেচাকেনার জন্য বিখ্যাত।

শিল্প ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রসম্পাদনা

  • শহীদ ধীরাজ স্মৃতি পাঠাগার;
  • ডোমার নাট্য সমিতি মিলনায়তন
  • ভিলেজ কেয়ার গ্রন্থাগার (বড়গাছা)।
  • জ্ঞান বিকাশ সাহিত্য কেন্দ্র,মেলাপাংগা।

উৎসব ও মেলাসম্পাদনা

  • পাঙ্গার মেলাঃ এ অঞ্চলের অতি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ মেলা কিন্তু বর্তমানে এ মেলার অস্তিত্ব বিলীন প্রায়।
  • কলন্দরের মেলাঃ সোনারায়ে অবস্থিত হযরত শাহ কলন্দরের মাজারে প্রতি বছর ২৭ শে বৈশাখ ৩দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় .
  • নওদাবসের সাতহাতি কালীর মেলা।
  • নিমোজখানার বৌ মেলা।

কৃতী ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

উল্লেখযোগ্য স্থানসম্পাদনা

 
ডোমার উপজেলায় বাস স্ট্যান্ডের নিকট একটি সড়কের দৃশ্য

তথ্যসুত্রসম্পাদনা

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ডোমার"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. "ডোমার এর পটভূমি"জাতীয় তথ্য বাতায়ন। ডোমার উপজেলা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০২০ 
  3. "সংক্ষিপ্ত ইতিহাস"। বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা - নীলফামারী। ঢাকা: বাংলা একাডেমি। ২০১৪। আইএসবিএন 984-07-5356-8 
  4. "নীলফামারীতে পাল আমলের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সন্ধান"বাংলাট্রিবিউন। ২০ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুলাই ২০২০ 
  5. একেএম নাসিরউদ্দিন (১৯৭৫)। নীলফামারীর ইতিহাস 
  6. "বিলাসী মহেন্দ্রের সাক্ষী হাওয়াখানা"বাংলা নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০২০ 
  7. "সংক্ষিপ্ত ইতিহাস"। বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি গ্রন্থমালা - রংপুর। ঢাকা: বাংলা একাডেমি। ২০১৪। পৃষ্ঠা ২৭,২৮। আইএসবিএন 984-07-5118-2 
  8. BanglaNews24.com। "ডোমার মুক্ত দিবস পালিত :: BanglaNews24.com mobile" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-০৫ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা