ড্যামিয়েন ফ্লেমিং

অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার
(ডেমিয়েন ফ্লেমিং থেকে পুনর্নির্দেশিত)

ড্যামিয়েন উইলিয়াম ফ্লেমিং (ইংরেজি: Damien Fleming; জন্ম: ২৪ এপ্রিল, ১৯৭০) পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বেন্টলি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ও প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন। তন্মধ্যে, অভিষেক টেস্টেই তিনি হ্যাট্রিক করার বিরল গৌরবের অধিকারী হন। এছাড়াও, ‘ফ্লেমো’ ডাকনামে পরিচিত ড্যামিয়েন ফ্লেমিং ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া দলের পক্ষে খেলতেন।

ড্যামিয়েন ফ্লেমিং
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামড্যামিয়েন উইলিয়াম ফ্লেমিং
জন্ম (1970-04-24) ২৪ এপ্রিল ১৯৭০ (বয়স ৫০)
বেন্টলি, পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া
ডাকনামফ্লেমো
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩৬১)
৫ অক্টোবর ১৯৯৪ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট২৭ ফেব্রুয়ারি ২০০১ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১১৫)
১৬ জানুয়ারি ১৯৯৪ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ ওডিআই২১ জুন ২০০১ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৯-২০০২ভিক্টোরিয়া
২০০২ওয়ারউইকশায়ার
২০০২সাউথ অস্ট্রেলিয়া
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২০ ৮৮
রানের সংখ্যা ৩০৫ ১৫২
ব্যাটিং গড় ১৯.০৬ ১১.৬৯
১০০/৫০ -/২ -/-
সর্বোচ্চ রান ৭১* ২৯
বল করেছে ৪১২৯ ৪৬১৯
উইকেট ৭৫ ১৩৪
বোলিং গড় ২৫.৮৯ ২৫.৩৮
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৫/৩০ ৫/৩৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৯/- ১৪/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৯ মার্চ ২০১৬

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

৭৮টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়ার পক্ষে খেলে ২৫৮ উইকেট লাভ করেন। ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অভিষেক প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ৬/৩৭ পান।

১৯৯৪ থেকে ২০০১ সালের মধ্যবর্তী সময়কালে ২০ টেস্ট ও ৮৮ ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেন। স্টিভ ওয়াহরিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। টেস্টে উইকেট প্রতি ২৫.৮৯ রান দিয়ে ৭৫ উইকেট তুলে নেন। তন্মধ্যে তার সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ছিল ৫/৩০। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে মাত্র তিনজন খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে টেস্ট অভিষেকেই হ্যাট্রিক করেছেন ফ্লেমিং। বাদ-বাকী দু’জন হচ্ছেন - মরিস অলমপিটার পেথেরিক। রাওয়ালপিন্ডিতে স্বাগতিক পাকিস্তানে বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে সেলিম মালিকের তৃতীয় উইকেট নিয়ে দুই ইনিংসে তার হ্যাট্রিক সম্পন্ন হয়।[১]

অবসরসম্পাদনা

আঘাতজনিত কারণে তার খেলোয়াড়ী জীবনকে সংক্ষিপ্ত করতে হয় ও অবসর নিতে বাধ্য হন তিনি। ২০০৩ সালে সকল স্তরের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। এরপর তিনি অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট একাডেমির প্রধান কোচ হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়। এছাড়াও তিনি আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া শেফিল্ড শিল্ডের খেলায় ধারাভাষ্যকারের দায়িত্ব পালন করেন। বিল উডফুল, কিথ মিলারক্ল্যারি গ্রিমেটের সাথে তাকেও বিংশ শতকের সাউথ মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের অন্যতম সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা