প্রধান মেনু খুলুন

ডাক বা পোস্ট সাধারন পোস্টকার্ড, চিঠি বা কোন পন্য পরিবহনের মাধ্যমে লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়াকে বুঝায়। ডাক ব্যবস্থা পাবলিক এবং প্রাইভেট দুই রকমেরি হতে পারে, যদিওবা অনেক সরকার প্রাইভেট ডাকের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এই সেবা সরকার অল্প কিছু ফি এর মাধ্যমে একচেটিয়াভাবে করে আসছে । অর্থ প্রদানের প্রমাণস্বরূপ ডাকের উপর ডাকটিকিট বসিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রাইভেট বা বেসরকারি কোন ডাক সংস্থাকে সরকারের অনুমতি নিয়ে কাজ করতে হয় এবং এই সংস্থাগুলোকে 'কুরিয়ার' নামেও ডাকা হয়।

শুধুমাত্র চিঠি বিলি নয় ডাক কর্তৃপক্ষ আরো বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে। কোন কোন দেশের ডাক কর্তৃপক্ষ টেলিফোন এবং বৈদ্যুতিক টেলিগ্রাফ সেবাকে তত্ত্বাবধান করে থাকে। অনেক দেশের ডাক কর্তৃপক্ষ জনসাধারনের জন্য আর্থিক সেবা (সঞ্চয়ী হিসাব) দিয়ে থাকে।

এছাড়া ১৮৭৪ সালে ১৯২ টি সদস্য দেশকে নিয়ে স্থাপিত হয় ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন এবং এটি আন্তর্জাতিক পত্র বিনিময়ের বিভিন্ন নিয়মনীতি প্রনয়ন করে।

ইতিহাসসম্পাদনা

 
পূর্বেকার সময়ে ডাক ব্যবস্থা ছিলো রুট ভিত্তিক। এখানে ১৯ শতকের একটি ডাকঘরের রুট দেখা যাচ্ছে।

লিখন এর শুরুর সময় থেকেই অন্য কোন ব্যক্তির মাধ্যমে দুই ব্যক্তির মধ্যে লেখা আদান প্রদান হতো। অবশ্য, দাপ্তরিক ডাক ব্যবস্থার উন্নতি এরও বহু পরে সংগঠিত হয়। লিখিত নথির বিস্তারের জন্য মিশরেের একটি সংগঠিত কুরিয়ার সার্ভিসে

ডাক ব্যবহার করে, যেখানে ফেরাউন রাষ্ট্রীয় অঞ্চলে (২৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) তাদের আইন শুরুর জন্য কুরিয়ার ব্যবহার করেছিল।