ডন প্রিঙ্গল

ইংরেজ, পূর্ব আফ্রিকান ও কেনীয় ক্রিকেটার

ডোনাল্ড জেমস প্রিঙ্গল (ইংরেজি: Don Pringle; জন্ম: ১ মে, ১৯৩২ - মৃত্যু: ৪ অক্টোবর, ১৯৭৫) ম্যানচেস্টারের প্রেস্টউইচ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ইংরেজ বংশোদ্ভূত কেনীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। কেনিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৭৫ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে কেনিয়ার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ডন প্রিঙ্গল
ডন প্রিঙ্গল.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামডোনাল্ড জেমস প্রিঙ্গল
জন্ম১ মে, ১৯৩২
প্রেস্টউইচ, ম্যানচেস্টার, ল্যাঙ্কাশায়ার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু৪ অক্টোবর, ১৯৭৫
নাইরোবি, কেনিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কডেরেক প্রিঙ্গল (পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা
রানের সংখ্যা
ব্যাটিং গড় ২.৫০
১০০/৫০ ০/০
সর্বোচ্চ রান
বল করেছে ৯০
উইকেট
বোলিং গড়
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ০/১৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১২ মার্চ ২০২০

দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতে মিডিয়াম বোলিং করতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী ছিলেন ডোনাল্ড প্রিঙ্গল নামে পরিচিত ডন প্রিঙ্গল

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে দুইটিমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ করেছেন ডোনাল্ড প্রিঙ্গল। কোন প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করেননি তিনি। ১১ জুন, ১৯৭৫ তারিখে লিডসে ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরের খেলায় ভারত দলের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। এরপর, ১৪ জুন, ১৯৭৫ তারিখে বার্মিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি। এটিই তার একমাত্র ওডিআইয়ে অংশগ্রহণ ছিল। পূর্ব আফ্রিকা আইসিসি’র পূর্ণাঙ্গ সদস্য না হওয়ায় কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাননি।

১৯৭৫ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরে পূর্ব আফ্রিকার পক্ষে দুইটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। আঘাতের কারণে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে উদ্বোধনী খেলায় অংশ নিতে পারেননি।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন ডোনাল্ড প্রিঙ্গল। তার পুত্র ডেরেক প্রিঙ্গল কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়, এসেক্সইংল্যান্ড দলে খেলেছেন এবং দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফে ক্রিকেট সংবাদদাতার কাজ করেছেন।[১]

১৯৫০-এর দশকের শেষদিকে ল্যান্ডস্কেপ পরামর্শক হিসেবে কেনিয়ায় চলে যান ও সতেরো বছর কাজ করেন। ডন ফাস্ট মিডিয়াম বোলিং করতেন। ৪৩ বছর বয়সে পূর্ব আফ্রিকার তিন খেলার দুইটিতে অংশ নেন। বোলিং উদ্বোধন করলেও কোন উইকেটের সন্ধানে পাননি তিনি।

লিমুরুতে অনুষ্ঠিত খেলায় ৬/১৬ বোলিং পরিসংখ্যান গড়েন। বাড়ী ফেরার পথে গাড়ী দূর্ঘটনার কবলে পড়েন। ৪ অক্টোবর, ১৯৭৫ তারিখে বছর বয়সে কেনিয়ার নাইরোবি’র কাছাকাছি এলাকায় নিহত হন তিনি।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Bateman, Colin (১৯৯৩)। If The Cap Fits। Tony Williams Publications। পৃষ্ঠা 134–135। আইএসবিএন 1-869833-21-X 

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

টেমপ্লেট:East Africa Squad 1975 Cricket World Cup