টাই অধ্যয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান

টাই অধ্যয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান আসামের শিবসাগর জেলার মরাণহাটে অবস্থিত তাই ভাষা শিক্ষণ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ডিব্রুগড় বিশ্ববিদ্যালয়-এর অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি টাই ভাষার একবছরের ডিপ্লোমা পাঠ্যক্রম এবং তিন মাসের তাই ভাষা বলার সার্টিফিকেট পাঠ্যক্রম দেয়।[১][২] টাই অধ্যয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সালে স্থাপন করা হয়েছিল।

টাই অধ্যয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান
Institute Of Tai Studies And Research.jpg
ধরনতাই ভাষা শিক্ষণ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান
স্থাপিত২০০১
অধিভুক্তিআহোম ধর্ম
অবস্থান
মরাণহাট, শিবসাগর জেলা
, ,
২৭°১০′৪২″ উত্তর ৯৪°৫৪′৪৮″ পূর্ব / ২৭.১৭৮৩৩° উত্তর ৯৪.৯১৩৩৩° পূর্ব / 27.17833; 94.91333
ভাষাতাই ভাষা
অধিভুক্তিডিব্রুগড় বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়েবসাইটtaistudiesmoranhat.org
Logo Institute Of Tai Studies And Research (ITSAR).jpg

প্রতি বছরে বহু বিদেশী বিদ্বান এবং টাই পণ্ডিত অস্ট্রেলিয়া, জার্মানী, জাপান, থাইল্যান্ড, চীন, মিয়ানমার ইত্যাদি দেশ থেকে উত্তর-পূর্ব ভারতে গবেষণার জন্য আসে।[৩] এই প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন টাই পাণ্ডুলিপি ইত্যাদি সংরক্ষিত করে রেখেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি গোটা বিশ্বের বিশেষত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিদ্বান, শিক্ষার্থী, পর্যটকদের আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে।

আন্তঃকাঠামোসম্পাদনা

তাই অধ্যয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি অত্যাধুনিক আন্তঃকাঠামোয় সজ্জিত। এখানে একটি গ্রন্থাগার, একটি ডকুমেন্টেশন কেন্দ্র এবং আর্কাইভ, একটি কনফারেন্স হল, একটি সেমিনার হল ইত্যাদি আছে। কার্যালয়ের সাথে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য জলের ফোয়ারাও আছে।

আলোচনা সত্রসম্পাদনা

টাই অধ্যয়ন এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি কয়েকটি আলোচনা সত্রের আয়োজন করেছে। তার ভিতর উল্লেখযোগ্য সমূহ হল:

  • ভারতীয় সমাজ বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদের দ্বারা প্রযোজিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের টাইদের উপর জাতীয় আলোচনা সত্র, ২০০২

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Gogoi, Chao Medini Mohan (২০১৮)। "Revitalization of Endangered Language and Culture of the Ahoms: The Background, Problems and Prospects"। 
  2. "Centre for Studies in Languages - Dibrugarh University"dibru.ac.in (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ জুলাই ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ এপ্রিল ২০২০ 
  3. "Researchers hit upon manuscript treasure trove - Institute of Tai studies takes up project to preserve and digitize documents"www.telegraphindia.com (ইংরেজি ভাষায়)।