টাঙ্গাইল জেলা

বাংলাদেশের ঢাকা বিভাগের সর্ববৃহৎ জেলা
(টাংগাইল জেলা থেকে পুনর্নির্দেশিত)

টাঙ্গাইল জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত যা ঢাকা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। এর জনসংখ্যা প্রায় ৩৮ লক্ষ এবং আয়তন ৩৪১৪.৩৫ বর্গ কিলোমিটার। টাঙ্গাইল আয়তনের ভিত্তিতে ঢাকা বিভাগের সর্ববৃহৎ এবং জনসংখ্যার ভিত্তিতে ২য় সর্ববৃহৎ জেলা।

টাঙ্গাইল
জেলা
টাঙ্গাইল জেলার উপজেলাসমূহ
টাঙ্গাইল জেলার উপজেলাসমূহ
বাংলাদেশে টাঙ্গাইল জেলার অবস্থান
বাংলাদেশে টাঙ্গাইল জেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°১৮′০″ উত্তর ৮৯°৫৫′১২″ পূর্ব / ২৪.৩০০০০° উত্তর ৮৯.৯২০০০° পূর্ব / 24.30000; 89.92000স্থানাঙ্ক: ২৪°১৮′০″ উত্তর ৮৯°৫৫′১২″ পূর্ব / ২৪.৩০০০০° উত্তর ৮৯.৯২০০০° পূর্ব / 24.30000; 89.92000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ বাংলাদেশ
বিভাগঢাকা বিভাগ
আসনটাংগাইল ১-৮
আয়তন
 • মোট৩৪১৪.৩৫ কিমি (১৩১৮.২৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০১১)[১]
 • মোট৪৪,৪৯,০৮৫
সাক্ষরতার হার
 • মোট৪৬.৮%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
৩০ ৯৩
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
বঙ্গদেশের প্রাদেশিক মানচিত্রটি ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত থাকা বৃহত্তর ময়মনসিংহ জিলা (টাঙ্গাইল ও কিশোরগঞ্জের সাথে বর্তমান বিভাগ) প্রদর্শন করছে

১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দ অবধি টাঙ্গাইল ছিল অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা; ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে টাঙ্গাইল মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করা হয়। এটি একটি নদী বিধৌত কৃষিপ্রধান অঞ্চল। এই জেলা যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত এবং এর মাঝ দিয়ে লৌহজং নদী প্রবাহমান।

অবস্থান ও আয়তনসম্পাদনা

টাংগাইল জেলা ঢাকা হতে প্রায় ৯২ কি মি দূরে অবস্থিত। এই জেলার পূর্বে রয়েছে ময়মনসিংহগাজীপুর জেলা, পশ্চিমে সিরাজগঞ্জ জেলা, উত্তরে জামালপুর জেলা, দক্ষিণে ঢাকামানিকগঞ্জ জেলা। এর আয়তন ৩৪১৪.৩৮ বর্গ কি.মি.।

প্রশাসনিক এলাকাসমূহসম্পাদনা

 
টাঙ্গাইল শহর, জেলার বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু

টাঙ্গাইল জেলায় মোট উপজেলার সংখ্যা ১২ টি এবং মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১১৮ টি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১২ টি।

করটিয়া, ঘারিন্দা, গালা, পোড়াবাড়ী, সিলিমপুর, কাকুয়া, কাতুলী, মগড়া, মাহামুদনগর, হুগড়া, দাইন্যা এবং বাঘিল

কালিহাতি উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৩ টি।

কোকডহড়া, গোহালিয়াবাড়ী, দশকিয়া, দুর্গাপুর, নাগবাড়ী, নারান্দিয়া, পাইকড়া, পারখি, বল্লা, বাংড়া, বীরবাসিন্দা, সল্লা, সহদেবপুর

ঘাটাইল উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৪ টি।

দেউলাবাড়ী, ঘাটাইল, জামুরিয়া, দিগড়, দিঘলকান্দি, আনেহলা, দেওপাড়া, ধলাপাড়া, সন্ধানপুর, লোকেরপাড়া এবং রসুলপুর,সংগ্রামপুর ইউনিয়ন,লক্ষিন্দর ইউনিয়ন,সাগরদিঘী ইউনিয়ন

বাসাইল উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি।

কাউলজানী, কাঞ্চনপুর, কাশিল, ফুলকী, বাসাইল এবং হাবলা

গোপালপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৭ টি।

হাদিরা, নগদাশিমলা, ঝাওয়াইল, হেমনগর, আলমনগর, মির্জাপুর এবং ধোপাকান্দি

মির্জাপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১৪ টি।

মহেড়া, ফতেপুর, জামুর্কী, বানাইল, আনাইতারা, ভাতগ্রাম, ওয়ার্শী, বহুরিয়া, গোড়াই, তরফপুর, আজগানা, বাঁশতৈল, লতিফপুর, ভাওড়া

ভূঞাপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি।

ফলদা, অর্জুনা, গাবসারা, গোবিন্দাসী, অলোয়া, নিকরাইল

নাগরপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ১২ টি।

নাগরপুর, ভাররা, সহবতপুর, গয়হাটা, বেকড়া, সলিমাবাদ, ধুবরিয়া, ভাদ্রা, দপ্তিয়র, মামুদনগর, পাকুটিয়া এবং মোকনা

মধুপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৬ টি।

আলোকদিয়া, আরণখোলা, আউশনাড়া, গোলাবাড়ী, মির্জাবাড়ী, শোলাকুড়ি

সখিপুর উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ টি।

কাকড়াজান, কালমেঘা, কালিয়া, গজারিয়া, দাড়িয়াপুর, বহেড়াতৈল, যাদবপুর এবং হাতীবান্ধা

বাসাইল উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৮ টি।

আটিয়া, ডুবাইল, ফাজিলহাটি, পাথরাইল, লাউহা্টী, দেলদুয়ার, দেউলী এবং এলাসিন

ধনবাড়ী উপজেলায় মোট ইউনিয়নের সংখ্যা ৭ টি।

বীরতারা, বানিয়াজান, পাইস্কা, ধোপাখালী, যদুনাথপুর, মুশুদ্দি এবং বলিভদ্র

নামকরণসম্পাদনা

টাঙ্গাইলের নামকরণ বিষয়ে রয়েছে বহুজনশ্রুতি ও নানা মতামত। ১৭৭৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত রেনেল তার মানচিত্রে এ সম্পূর্ণ অঞ্চলকেই আটিয়া বলে দেখিয়েছেন। ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দের আগে টাঙ্গাইল নামে কোনো স্বতন্ত্র স্থানের পরিচয় পাওয়া যায় না। টাঙ্গাইল নামটি পরিচিতি লাভ করে ১৫ নভেম্বর ১৮৭০ খ্রিষ্টাব্দে মহকুমা সদর দপ্তর আটিয়া থেকে টাঙ্গাইলে স্থানান্তরের সময় থেকে। টাঙ্গাইলের ইতিহাস প্রণেতা খন্দকার আব্দুর রহিম সাহেবের মতে, ইংরেজ আমলে এদেশের লোকেরা উচু শব্দের পরিবর্তে ‘টান’শব্দই ব্যবহার করতে অভ্যস্ত ছিল বেশি। এখনো টাঙ্গাইল অঞ্চলে ‘টান’শব্দের প্রচলন আছে। এই টানের সাথে আইল শব্দটি যুক্ত হয়ে হয়েছিল টান আইল। আর সেই টান আইলটি রূপান্তরিত হয়েছে টাঙ্গাইলে।

অর্থনীতিসম্পাদনা

দর্শনীয় স্থানসম্পাদনা

 
রাবার বাগান, পীরগাছা, টাঙ্গাইল

বঙ্গবন্ধু সেতু

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বসম্পাদনা

 
আবদুল হামিদ খান ভাসানী
 
শামসুল হক

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অধিনায়ক, বাতেন বাহিনীর প্রধান, সাবেক সংসদসদস্য টাঙ্গাইল-৬

শিক্ষাসম্পাদনা

শিক্ষার হার :- ৭১.২১% উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

[২][৩][৪][৫][৬]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে জেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৪  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  2. "টাঙ্গাইল জেলার বিখ্যাত গুণীজন"দৈনিক সংগ্রাম। এলিফেন্ট রোড, বড় মগবাজার, ঢাকা-১২১৭। বৃহস্পতিবার ২৪ জানুয়ারি ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ 2018-07-27  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  3. "প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব"। ২০১৮-০৮-০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৭-২৭ 
  4. "টাঙ্গাইল জেলার বিখ্যাত গুণীজন"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৭-২৭ 
  5. "প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৭-২৭ 
  6. "টাঙ্গাইল জেলার বিখ্যাত গুণীজন"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৭-২৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা