টম কন্টি

ব্রিটিশ অভিনেতা

টমাস অ্যান্টোনিও কন্টি (ইংরেজি: Thomas Antonio Conti; ২২ নভেম্বর ১৯৪১)[১][২] হলেন একজন স্কটিশন অভিনেতা, মঞ্চ পরিচালক ও ঔপন্যাসিক। তিনি ১৯৭৯ সালে হুজ লাইফ ইজ ইট অ্যানিওয়ে? মঞ্চনাটকে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে টনি পুরস্কার অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি রোবেন, রোবেন চলচ্চিত্রে অভিনয় করে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জন্য একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রসমূহ হল মেরি ক্রিসমাস, মিস্টার লরেন্স (১৯৮৩), আমেরিকান ড্রিমার (১৯৮৪), সেভিং গ্রেস (১৯৮৬), শার্লি ভ্যালেন্টাইন (১৯৮৯), ডেঞ্জারাস পার্কিং (২০০৭) ও প্যাডিংটন টু (২০১৭)।

টম কন্টি
Tom Conti
Tom Conti Romantic Comedy Dec 2007.jpg
২০০৭ সালে কন্টি
জন্ম
টমাস অ্যান্টোনিও কন্টি

(১৯৪১-১১-২২)২২ নভেম্বর ১৯৪১
পাইস্লি, স্কটল্যান্ড
যেখানের শিক্ষার্থীরয়্যাল কনজারভেটরি, স্কটল্যান্ড
পেশাঅভিনেতা, মঞ্চ পরিচালক, ঔপন্যাসিক
কার্যকাল১৯৬৩-বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গীকারা উইলসন (বি. ১৯৬৭)
সন্তাননিনা কন্টি

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

কন্টি ১৯৪১ সালের ২২শে নভেম্বর স্কটল্যান্ডের রেনফ্রিউশায়ারের পাইস্লি শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার মাতা মেইজি ম্যাকগোল্ডরিক ও পিতা আলফোনসো কন্টি, দুজনেই চুলবিন্যাসকারী ছিলেন। তিনি রোমান ক্যাথলিক পরিবারে বেড়ে ওঠলেও নিজেকে ধর্মবিরোধী দাবী করেন। তার পিতা ইতালীয় এবং মাতা আইরিশ বংশোদ্ভূত স্কটিশ।[৩][৪]

কন্টি ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের জন্য স্বাধীন বিদ্যালয় হ্যামিলটন পার্কে পড়াশোনা করেন[৫] এবং পরে গ্লাসগোর রয়্যাল কনজারভেটরিতে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

কর্মজীবনসম্পাদনা

কন্টি ১৯৫৯ সালে ডান্ডি রিপারটরিতে অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৭৯ সালে ব্রডওয়ে মঞ্চে হুজ লাইফ ইজ ইট অ্যানিওয়ে? নাটকে অভিনয় করেন। এই কাজের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে টনি পুরস্কার অর্জন করেন। একই বছর লন্ডনের গ্যারিক থিয়েটারে আনওয়েল নাটকে জেফ্রি বার্নার্ড চরিত্রে অভিনয় করেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Tom Conti Biography (1941-)"ফিল্ম রেফারেন্স। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  2. "Who is Tom Conti? Shirley Valentine actor stars in Celebrity 5 Go Barging"দ্য সান (ইংরেজি ভাষায়)। ২ আগস্ট ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  3. "Sent to a prison camp for being Italian"বিবিসি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  4. "11 angry men... and Tom Conti"দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ মার্চ ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  5. নিকাহ, রয়া (৬ মার্চ ২০১১)। "Tom Conti: Fidelity is overrated"দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা