টনি হ্যারিস

দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ও রাগবি ইউনিয়ন খেলোয়াড়

টেরেন্স অ্যান্থনি হ্যারিস (ইংরেজি: Tony Harris; জন্ম: ২৭ আগস্ট, ১৯১৬ - মৃত্যু: ৭ মার্চ, ১৯৯৩) কিম্বার্লিতে জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও রাগবি ইউনিয়ন খেলোয়াড় ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৪৭ থেকে ১৯৪৯ সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

টনি হ্যারিস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামটেরেন্স অ্যান্থনি হ্যারিস
জন্ম(১৯১৬-০৮-২৭)২৭ আগস্ট ১৯১৬
কিম্বার্লি, দক্ষিণ আফ্রিকা
মৃত্যু৭ মার্চ ১৯৯৩(1993-03-07) (বয়স ৭৬)
প্লেটেনবার্গ, কেপ প্রদেশ
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৫৭)
৭ জুন ১৯৪৭ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৯ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৫৫
রানের সংখ্যা ১০০ ৩০২৮
ব্যাটিং গড় ২৫.০০ ৪১.৪৭
১০০/৫০ ০/১ ৬/১৬
সর্বোচ্চ রান ৬০ ১৯১*
বল করেছে ৫৪
উইকেট
বোলিং গড়
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/- ৫২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২ ডিসেম্বর ২০১৯

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটে গটেং ও গ্রিকুয়াল্যান্ড ওয়েস্ট দলের প্রতিনিধিত্ব করেন টনি হ্যারিস। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন।

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

১৯৩৩-৩৪ মৌসুম থেকে ১৯৪৮-৪৯ মৌসুম পর্যন্ত টনি হ্যারিসের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল।

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে তিনটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন টনি হ্যারিস। ৭ জুন, ১৯৪৭ তারিখে নটিংহামে স্বাগতিক ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৯ তারিখে জোহেন্সবার্গে একই দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি রাগবি ইউনিয়ন খেলায় দক্ষ ছিলেন। ১৯৩০-এর দশকে দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে পাঁচটি রাগবি ইউনিয়ন টেস্টে অংশ নিয়েছিলেন তিনি।[১]

৭ মার্চ, ১৯৯৩ তারিখে ৭৬ বছর বয়সে কেপ প্রদেশের প্লেটেনবার্গ এলাকায় টনি হ্যারিসের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Terence Anthony Harris"ESPN scrum। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৯ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা