জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ)

বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা

জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা যা বাংলাদেশ সরকার কতৃর্ক শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকগণকে প্রদান করা হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা প্রবর্তিত হয়। সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্যে কোনো ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন, তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘতর মেয়াদের জন্যেও পুনর্নিয়োগ দেয়া হয়।[১][২]

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালের ১৭ মার্চ জাতীয় অধ্যাপক পদে তিন জনকে নিয়োগ দেয়া হয়।[২][৩] তারা হলেন, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, শিক্ষকদের শিক্ষক অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক এবং পরিসংখ্যানবিদ কাজী মোতাহার হোসেন। ১৯৯৪ সালে প্রথম নারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় সুফিয়া আহমেদকে[৪]

নিয়োগ পদ্ধতিসম্পাদনা

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জাতীয় অধ্যাপক নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক এই নিয়োগ কাজ সম্পন্ন হয়। কমিটির সদ্যদের মধ্যে থাকেন শিক্ষামন্ত্রী, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং দুই জন সাবেক জাতীয় অধ্যাপক। সাধারণত শিক্ষামন্ত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই কমিটির সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ কাজ সম্পন্ন করেন।[৪][৫]

শর্তাবলীসম্পাদনা

নির্বাচিত জাতীয় অধ্যাপকবৃন্দকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক মাসিক হারে ভাতা প্রদান করা হয়ে থাকে।[৬] এ পদে থাকাকালীন অধ্যাপকবৃন্দ যে কোনো দেশে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেতে পারেন। তবে কর্মরত থাকাকালীন অধ্যাপকবৃন্দ দ্বিতীয় কোনো কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত হতে পারেন না।[১][৪]

জাতীয় অধ্যাপকবৃন্দের তালিকাসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. সেন, রঞ্জিত কুমার (২০১১-০৬-১৫)। জাতীয় অধ্যাপক নিযোগ প্রজ্ঞাপনশিক্ষা মন্ত্রণালয় (বাংলাদেশ) 
  2. "জাতীয় অধ্যাপক হচ্ছেন তিন শিক্ষাবিদ"সমকাল। ৪ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৩ 
  3. "জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন শিক্ষাবিদ"The Daily Star Bangla। ২০১৮-০৬-২০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৩ 
  4. "জাতীয় অধ্যাপক"কালের কণ্ঠ। ৬ এপ্রিল ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৩ 
  5. "জাতীয় অধ্যাপক হচ্ছেন ৪ জন, প্রার্থী ২৪"banglanews24.com। ২০১১-০১-০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৩ 
  6. "জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ"প্রথম আলো। ১৯ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৬-২৩