প্রধান মেনু খুলুন

জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি

জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি (১৯০৫-৪৭) হচ্ছে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী রচিত ইতিহাসকেন্দ্রিক গুরুত্বপূর্ণ বই। গ্রন্থটি প্রচলিত অর্থে ঘটনার বর্ণনা নয়; বরং ঘটনার তাৎপর্য অনুসন্ধানে নিয়োজিত।[১] ৮১৫ পৃষ্ঠার বইটি ২০১৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।[২] বইটিতে লেখক ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ থেকে ১৯৪৭-এর দেশভাগের মধ্যবর্তী বিয়াল্লিশ বছরের সময়প্রবাহে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে ব্যক্তির ভূমিকাকে আলোচনায় এনেছেন, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের অপরিসীম আত্মত্যাগের ইতিহাসকে বিবেচনায় রেখেছেন, তবে এসব অভিমুখের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও তাৎপর্যকে নতুনভাবে বর্তমান কালের নিরিখে যাচাই করেও দেখেছেন। লেখক ইতিহাসের আবরণে অতিকথন ও কিংবদন্তি নির্মাণের পথ প্রত্যাখ্যান করে উপনিবেশিত ভারতবর্ষের উত্তাল সময়ের রাজনৈতিক গতিবিধির প্রায় প্রতিটি ছোট-বড় পর্ব ও নেপথ্য প্রভাবককে বিশ্লেষণ সাপেক্ষে যথাসম্ভব নিরাসক্তভাবে তুলে এনেছেন।[৩]

জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি
জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি.gif
জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি গ্রন্থের প্রচ্ছদ
লেখকসিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা
ধরনইতিহাস
প্রকাশকসংহতি
প্রকাশনার তারিখ
২০১৫
মিডিয়া ধরনছাপা

পুরস্কার ও সম্মাননাসম্পাদনা

জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি গ্রন্থটি ‘প্রথম আলো বর্ষসেরা বই ১৪২১’-এ মননশীল শাখায় পুরস্কার পেয়েছে।[৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "জাতীয়তাবাদ সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি"www.kalerkantho.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  2. "জাতীয়তাবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও জনগণের মুক্তি (১৯০৫-৪৭)"www.rokomari.com। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৬ 
  3. "ইতিহাসের নতুন পাঠ ও নির্দেশনা"http://www.prothom-alo.com। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ০২, ২০১৫  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "পুরস্কার পেলেন সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও ইমতিয়ার শামীম"http://www.prothom-alo.com। সংগ্রহের তারিখ জানুয়ারি ০৯, ২০১৬  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)