চুয়াটেল এজিওফর

ব্রিটিশ অভিনেতা

চুয়াটেল উমিডি এজিওফর[১] সিবিই (ইংরেজি: Chiwetel Umeadi Ejiofor; /ˈətɛl ˈɛifɔːr/; জন্ম: ১০ জুলাই ১৯৭৭) হলেন একজন নাইজেরীয় ইংরেজ অভিনেতা। তিনি ১৯৯৫ সালে ন্যাশনাল ইয়থ থিয়েটারে ভর্তি হন এবং পরে লন্ডন একাডেমি অব মিউজিক অ্যান্ড ড্রামাটিক আর্টে পড়াকালীন ১৯ বছর বয়সে তিনি স্টিভেন স্পিলবার্গ পরিচালিত আমিস্টাড (১৯৯৭) চলচ্চিত্রে জেমস কভি নামক পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান।

চুয়াটেল এজিওফর
Chiwetel Ejiofor
Chiwetel Ejiofor TIFF 2015.jpg
জন্ম
চুয়াটেল উমিডি এজিওফর

(1977-07-10) ১০ জুলাই ১৯৭৭ (বয়স ৪৪)
ফরেস্ট গেট, লন্ডন, ইংল্যান্ড
জাতীয়তানাইজেরীয়, ইংরেজ
নাগরিকত্বব্রিটিশ
মাতৃশিক্ষায়তনডালউইচ কলেজ
পেশাঅভিনেতা
কর্মজীবন১৯৯৫-বর্তমান

এজিওফর ডার্টি প্রিটি থিংস (২০০২) ছবিতে ওকউই, সেরেনিটি (২০০৫) ছবিতে অপারেটিভ, টুয়েলভ ইয়ার্স আ স্লেইভ (২০১৩) ছবিতে সলোমন নর্থাপ, দ্য মার্শিয়ান (২০১৫) ছবিতে ভিনসেন্ট কাপুর, ডক্টর স্ট্রেঞ্জ (২০১৬) ছবিতে কার্ল মর্ডো, শার্লক নোমস (২০১৮) ছবিতে ওয়াটসন এবং দ্য বয় হু হার্নেসড দ্য উইন্ড (২০১৯) ছবিতে ট্রাইওয়েল কামকোয়াম্বা ভূমিকায় অভিনয় করেন। টুয়েলভ ইয়ার্স আ স্লেইভ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে বাফটা পুরস্কার অর্জন করেন এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কারশ্রেষ্ঠ নাট্য অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। তিনি ২০১৪ সালে ড্যান্সিং অন দ্য এজ ধারাবাহিকে অভিনয় করে সীমিত ধারাবাহিক বা টিভি চলচ্চিত্রে সেরা কেন্দ্রীয় অভিনেতা বিভাগে প্রাইমটাইম এমি পুরস্কারে মনোনীত হন।

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

এজিওফর ১৯৭৭ সালের ১০ই জুলাই লন্ডনের ফরেস্ট গেটে এক নাইজেরীয় মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আরিঞ্জ একজন ডাক্তার এবং মাতা অবিয়াজুলু একজন ফার্মাসিস্ট ছিলেন। তার ছোট বোন জাইন আশার সিএনএনের করেসপন্ডেন্ট।[২]

চলচ্চিত্রের তালিকাসম্পাদনা

বছর শিরোনাম চরিত্র পরিচালক টীকা
২০০৯ এন্ডগেম থাবো মবেকি পেতে ট্রাভিস
২০১২ অ্যাড্রিয়ান হেল্মস্‌লে রোলান্ড এমেরিখ

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. রাইলি, জেনিল (১৭ ডিসেম্বর ২০১৩)। "Once Hollywood's Best Kept Secret, Chiwetel Ejiofor Is Now a Name to Remember"ভ্যারাইটি (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৮ 
  2. ওয়াকার, ড্যানি (১৭ জানুয়ারি ২০১৪)। "Oscars 2014: Watch Chiwetel Ejiofor's sister Zain Asher cry on live TV following Oscar nomination"মিরর। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা