হিন্দু চন্দ্র (দেবতা), রথে চড়ে যাচ্ছেন

চন্দ্র দেবতা (ইংরেজি: lunar deity) পুরাণ অনুসারে একজন দেব বা দেবী যিনি চাঁদের সাথে সম্পর্কযুক্ত বা চাঁদের প্রতীকরূপে যাকে বিবেচনা করা হয়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মূর্তিপূজারী ধর্মগুলোতে চাঁদকে দেব/দেবীর আসনে বসানো হয়। সংস্কৃতির বৈচিত্র্যতার কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে চন্দ্র দেবতার শক্তিপরিধি বিভিন্ন। তবে সকল অঞ্চলেই চন্দ্রদেবতাকে সূর্য দেবতার প্রতিপক্ষ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অনেক জায়গায় চন্দ্র দেবতা সব সময় সূর্য দেবতার বিপরীত লিঙ্গ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

চন্দ্র পূরাণসম্পাদনা

মাসের একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর চাঁদ চক্রাকারে আকাশে আবির্ভূত হয়। এই চন্দ্র চক্রের সাথে মেয়েদের ঋতুর বা মাসিকের একটা মিল আছে। অনেক ভাষায় তাই মেয়েদের মাসিক এবং চাঁদের সাথে শব্দগত মিল খুঁজে পাওয়া যায়।[১] অনেক পরিচিত পুরাণে চাঁদকে দেবী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন গ্রিক দেবী ফইবে, আরতেমিসব, সেলেনেহেক্যাটে, চীনা দেবী চ্যাংই

চাঁদকে দেবতা হিসেবে পূজা করা হয়েছে অনেক পুরাণে। ভারতীয় পুরাণে চাঁদ অত্রির পুত্র ও সপ্তবিংশতী নক্ষত্রের স্বামী। তিনি বুধগ্রহের পিতা, দক্ষের জামাতা। চন্দ্র দেবগুরু বৃহস্পতির পত্নী তারাকে বিবাহপ্রস্তাব দেন। কিন্তু তিনি গুরুপত্নী তাই তাকে প্রত্যাখ্যান করেন। এতে রুষ্ট হয়ে চন্দ্র বলপূর্বক তাকে ধর্ষণ করেন। এই ধর্ষণের ফলে চন্দ্রের ঔরসে তারা অন্তঃসত্ত্বা হন ও এক পুত্রলাভ করেন। এই চন্দ্র তারার অবৈধ মিলনজাত পুত্রের নাম বুধ। আবার মেসোপটেমিয় দেবতা সিন, জার্মানির উপজাতীয় দেবতা মানি, জাপানের দেবতা সুকুইয়োমি,। এই সকল ধর্ম বা সংস্কৃতিতে সূর্যকে দেবী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আবার গ্রীক ও মিশরীয় সভ্যতায় একাধিক চন্দ্র দেবতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ইবিস এবং থেবসের চোংশু দুজনেই চন্দ্র দেবতা। থোথও চন্দ্র দেবতা,[২] কিন্তু ইবিস ও চোংশুর তুলনায় তার চরিত্রের বহুমাত্রিকতা অনেক বেশি।

জাদুকরেরা চাঁদকে পূজা করে। পূজা অর্চনার বাইরে শিল্প সাহিত্য এবং জ্যোতির্বিদ্যা চর্চায় চাঁদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মত।

এশিয়া মহাদেশসম্পাদনা

আফ্রিকা মহাদেশসম্পাদনা

ইউরোপ মহাদেশসম্পাদনা

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকাসম্পাদনা

মেসো আমেরিকাসম্পাদনা

ওশেনিয়া মহাদেশসম্পাদনা

প্রাচীন নিকট প্রাচ্যসম্পাদনা

আরো পড়ুনসম্পাদনা

তথ্য উৎসসম্পাদনা

  1. Harding, Esther M., 'Woman's Mysteries: Ancient and Modern', London: Rider, 1971, p. 24.
  2. Thoth, the Hermes of Egypt: a study of some aspects of theological thought in ancient Egypt, page 75