চট্টগ্রামে ১০ ট্রাক অস্ত্র আটক

১লা এপ্রিল ২০০৪ বাংলাদেশের বন্দর নগরীতে চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড এর জেটিতে ১০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ আটকের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ধরা পড়া অস্ত্র চোরাচালানের মধ্যে এটি সর্বোচ্চ পরিমাণ। এই চালানটি ভারতের আসামের বিচ্ছিন্নতাবাদী দল ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব আসাম (উলফার) কাছে যাওয়ার কথা ছিল বলে মনে করা হয়। সেসময় ক্ষমতায় ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট সরকার। সরকারের উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গ ও গোয়েন্দাগণ এই চোরাচালানের ব্যপারে জড়িত ছিলেন বলে স্বীকারোক্তি পাওয়া যায়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

বিচারসম্পাদনা

২০০৭ সাল হতে প্রসিকিউশন অবৈধ অস্ত্র চোরাচালান মামলার চার্জ গঠনে জোর তৎপরতা শুরু করে, এই মামলার অভিযুক্তদের মধ্যে তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ রাজনীতিবিদ ও সামরিক বাহীনীর পদস্থ কর্মকর্তাতা জড়িত ছিলেন, যার বেশিরভাগ কর্মকর্তা সরকারের মেয়াদকালের শেষে অর্থাৎ অক্টোবর, ২০০৬ এর মধ্যে দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহণ করেন, জড়িতরা হলেনঃ

  • মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরি, সাবেক ডিরেক্টর জেনারেল, ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স;[১]
  • বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, সাবেক ডিরেক্টর জেনারেল, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা;[১]
  • উইং কমান্ডার শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাবেক পরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা;
  • নুরুল আমিন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব, শিল্প মণত্রণালয়;
  • মেজর লিয়াকত হোসেন
  • ফিল্ড অফিসার আকবর হোসাইন
  • চট্টগ্রাম এই অস্ত্র মামলা ও বেশ কয়েকটি হত্যামুলক ঘটনার সত্যতা যাচাই করে মতিউর রহমান নিজামীকে ১১ মে ২০১৬ এর ০০:১০ মিনিটে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Bangla court sentences Ulfa chief Paresh Barua to death"The Times of India। ৩০ জানুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০৪-০৯