থলীল কাজী, ওবিই (জন্মঃ ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৪২) হলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সমাজ কর্মী, যিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।[১] মানব সেবায় অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে তাকে “সমাজসেবায় স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয়।[১][২]

খলিল কাজী
জন্ম২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৪২
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
পেশাসমাজকর্মী
পিতা-মাতা
পুরস্কারস্বাধীনতা পুরস্কার (২০১৭)

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতিসম্পাদনা

শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

কর্মজীবনসম্পাদনা

পুরস্কার ও সম্মননাসম্পাদনা

সমাজসেবায় অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১৭ সালে দেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”[৩][৪][৫] হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় তাকে।[২]

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "সমাজসেবা : খলিল কাজী ওবিই"জাগোনিউজ২৪.কম অনলাইন। ১৫ এপ্রিল ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২১ নভেম্বর ২০১৭ 
  2. "স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের তালিকা"মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  3. সানজিদা খান (জানুয়ারি ২০০৩)। "জাতীয় পুরস্কার: স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার"। সিরাজুল ইসলাম[[বাংলাপিডিয়া]]ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগ্রহের তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০১৭স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য); ইউআরএল–উইকিসংযোগ দ্বন্দ্ব (সাহায্য)
  4. "স্বাধীনতা পদকের অর্থমূল্য বাড়ছে"কালেরকন্ঠ অনলাইন। ২ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭ 
  5. "এবার স্বাধীনতা পদক পেলেন ১৬ ব্যক্তি ও সংস্থা"এনটিভি অনলাইন। ২৪ মার্চ ২০১৬। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা