এ পি আবদুল্লাহকুট্টি

রাজনীতিবিদ

অরুবানপালি পুথিয়াপুরাইল আবদুল্লাহকুট্টি (ইংরেজি: Aruvanpalli Puthiyapurayil Abdulla Kutty) ভারতের ১৩ তম ও ১৪ তম লোকসভার সদস্য ছিলেন। তিনি কেরালার কন্নুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং দুই দশক ধরে ভারতীয় কমিউনিষ্ট পার্টি (মার্কসবাদী) সদস্য ছিলেন।

এ পি আবদুল্লাহকুট্টি
সংসদ সদস্য ১৯৯ থেকে ২০০৯
কাজের মেয়াদ
১৯৯৯-২০০৪, ২০০৪-২০০৪ (দুই মেয়াদের জন্য)
পূর্বসূরীকংগ্রেসের মুল্লাপ্পাল্লি রামচন্দ্রন
উত্তরসূরীকংগ্রেসের কে সুধাকরণ
সংসদীয় এলাকাকন্নুর
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1967-05-08) ৮ মে ১৯৬৭ (বয়স ৫২)
কন্নুর, কেরল
রাজনৈতিক দলএপ্রিল ২০০৯ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের যোগদান করেন, পূর্বে একজন সিপিআই (এম) এর সদস্য
দাম্পত্য সঙ্গীডঃ ভি এন রোজিনা
সন্তানআমান ও তামান্না
বাসস্থানকন্নুর
ধর্মইসলাম
ওয়েবসাইটwww.abdullakutty.com
সেপ্টেম্বর ২৩, ২০০৬ অনুযায়ী
উৎস: [১]

আত্মজীবনীসম্পাদনা

তার আত্মজীবনী নাম হল '"নিন্গালেন কঙ্গীসাকি"।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

আবদুল্লাহকুট্টি ২০০০ সালে ডঃ ভি এন রোজিনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দম্পতি একটি পুত্র আমান রোজ ও মেয়ে তামান্না আব্দুল্লাকে সঙ্গে সুখী জীবন যাপন করছেন।

সিপিআই (এম) থেকে উত্খাতসম্পাদনা

১৭ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে, সিপিআই (এম) মায়িল এলাকা কমিটির গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের মডেল গুণগানের জন্য এক বছরের জন্য দল থেকে আবদুল্লাহকুট্টি নির্বাসিত রাখা হয়।[১] তিনি এর আগে বন্ধস এবং হরতালে রাজ্যর স্বার্থ খুব ক্ষতিকারক হয় বলে মতামত প্রকাশ করেছিলেন। তিনি ইসলামের একজন বিশ্বাসী বলে ঘোষণা করেন এবং রমজান মাসে নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদ যেতেন। তিনি মার্চ ২০০৯ সালে পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হন। আবদুল্লাহকুট্টি এপ্রিল ২০০৯ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস যোগ দেন। তিনি কন্নুর বিধানসভা কেন্দ্রে জন্য আইএনসি প্রার্থী হিসাবে প্রতিযোগিতা করেন এবং নভেম্বর ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়লাভ করেন। তিনি কন্নুর বিধানসভা কেন্দ্রে থেকে ২০১১ সালে সমাবেশ নির্বাচনে জয়লাভ করেন। তিনি ৬৪৪৩ ভোটে কংগ্রেস (এস) সুপ্রিমো কাদান্নাপালী রামচন্দ্রনকে পরাজিত করেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা