এম মহবুবউজ্জামান বাংলাদেশের সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব[১], সাবেক কৃষিমন্ত্রী, সংগঠক ছিলেন। তিনি নওগাঁ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।[২] তিনি ৮২ বছর বয়সে ৩ মার্চ, ২০০৮ তারিখে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।[৩]

শিক্ষা

সম্পাদনা

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের অধীনে বাংলাদেশ কৃষি ইনস্টিটিউট (বর্তমানে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে বি এসসি এজি (সম্মান) ডিগ্রী লাভ করেন।

কর্মজীবন

সম্পাদনা

কৃষিবিদ মোঃ মহবুবউজ্জামান মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৪] তার নেতৃত্বাধীন কমিটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্থান নির্বাচন করে। তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর সভাপতি ছিলেন। [৫]

রাজনৈতিক জীবন

সম্পাদনা

এম মহবুবউজ্জামান বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব (সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭- জানুয়ারী, ১৯৮৮) পালন করেন। [৬]

জনাব এম মহবুবউজ্জামান এর প্রচেষ্টায় ১৯৭৯ সালে যাত্রা শুরু করা নওগাঁ জেলার সাপাহার থানা পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালের ১লা মার্চ উপজেলায় রুপান্তরিত হয়। উপজেলা গঠনের পাশাপাশি সেখানে ব্যাপক ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, উপজেলা প্রশাসনিক ভবন, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কলেজ সরকারিকরণ সহ অসংখ্য উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে তার প্রচেষ্টায়। যে কারণে, সাপাহারবাসীর মনে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছেন। আর তাকে বলা হয়ে থাকে সাপাহারের উন্নয়নের রূপকার। তার স্মৃতি রক্ষার্তে, এলাকার কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তির প্রচেষ্টায় 'মহবুবউজ্জামান স্মৃতি পরিষদ' নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তার সম্মানে সাপাহার সদরের জামাননগর এলাকায় একটি পাবলিক পাঠাগার স্থাপন করা হয়েছে। যেটি প্রতি শুক্রবার সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে। সাপাহারবাসী প্রতি বছর এম মহবুবউজ্জামানের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকীতে আলোচনা সভার আয়োজন করে থাকে যার মাধ্যমে তারা তাদের এ অকৃত্রিম বন্ধুর অবদানসমূহকে স্মরণ করে থাকে।

তথ্যসূত্র

সম্পাদনা