এম তাহের এ সাইফ

বাংলাদেশী প্রকৌশলী এবং অধ্যাপক

এম তাহের এ সাইফ একজন বাংলাদেশী প্রকৌশলী এবং ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আর্বানা-শ্যাম্পেইন এর অধ্যাপক।

শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

অধ্যাপক সাইফ চট্টগ্রামের সেন্ট প্লাসিডস স্কুল থেকে থেকে মাধ্যমিক পাস করেন। ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিকে ঢাকা বোর্ডে চতুর্থ স্থান অধিকার করেন। [১][২]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরকৌশলে ১৯৮৪ সালে বিএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ওয়াশিংটন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুরকৌশলে ১৯৮৭ সালে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি কর্নেল ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৯৩ সালে তাত্তিক ও ফলিত বলবিদ্যায় পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনসম্পাদনা

অধ্যাপক সাইফ ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এ প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত কর্নেল ইউনিভার্সিটিতে পোস্ট-ডক্টরাল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত কর্নেল ইউনিভার্সিটির ন্যাশনাল ন্যানোফ্যাব্রিকেশন ফ্যাসিলিটিতে রিসার্চ অ্যাসসিয়েট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৯৭ সালের জুন থেকে ২০০৩ সালের অগাস্ট পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আর্বানা-শ্যাম্পেইন এর মেকানিকাল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং এর সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ সালের অগাস্টে সহযোগী অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ২০০৬ সালের অগাস্টে মেকানিকাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এর অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। অধ্যাপক সাইফের ১০০টি জার্নাল প্রকাশনা, ১৮৩টি কনফারেন্স প্রকশনা ৪টি বইয়ের অধ্যায় রয়েছে। তার ৮টি মার্কিন প্যাটেন্ট রয়েছে। তিনি ১০টি পিএইচডি অভিসন্দর্ভ তত্ত্বাবধান করেছেন। তিনি Proceedings of the National Academy of Sciences, Nature Materials, Nature Communications, Biophysical Journal, International Journal of Solids and Structures, Journal of Micro-Electro-Mechanical Systems, Journal of Engineering Materials, Journal of Materials Research, Review of Scientific Instruments, Journal of Thin Solid Films, Journal of Fluid Mechanics, Journal of Applied Mechanics, Journal of the Mechanics and Physics of Solids এর রিভিউয়ার। [৩]

পুরস্কার ও সম্মাননাসম্পাদনা

  • ফেলো, আমেরিকান সোসাইটি অব মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার্স, ২০১১
  • ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড, ১৯৯৮
  • জেনারেল ইলেক্ট্রিক স্কলার, ১৯৯৮[৩]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা