ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব

ভারতের একটি আনুষ্ঠানিক ফুটবল ক্লাব
(ইস্ট বেঙ্গল ক্লাব থেকে পুনর্নির্দেশিত)

ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব (English: East Bengal Football Club), ভারতের একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাব। এটির অবস্থান ভারতের কলকাতায়। এটি অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) এর লাইসেন্সের আওতায় আই-লিগে খেলে।

ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব
ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের লোগো.png
পূর্ণ নামইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব
ডাকনামলাল-হলুদ ব্রিগেড
প্রতিষ্ঠিত১ আগস্ট ১৯২০
মাঠকল্যানী স্টেডিয়াম
সল্টলেক স্টেডিয়াম
ইস্টবেঙ্গল মাঠ
ধারণক্ষমতা২০,০০০
৮৫,০০০
২৩,৫০০
সভাপতিঅজিত আইস্যাক
ম্যানেজারদেবরাজ চউধুরী
কোচমারিও রিভেরা ক্যাম্পেসিনো
লীগআই-লিগ
২০১৯-২০এখন দ্বিতীয়
ওয়েবসাইটক্লাব ওয়েবসাইট

ক্লাবটি তিনটি জাতীয় ফুটবল লীগ শিরোপা (এখন আই-লিগ নামে পরিচিত), আটটি ফেডারেশন কাপ, তিনটি ভারতীয় সুপার কাপ এবং অন্যান্য ট্রফি জিতেছে।

ক্লাবটি মূলত অভিবাসী জনগোষ্ঠীর দ্বারা সমর্থিত (বাঙ্গাল), যারা ১৯০৫ ও ১৯৪৭ এর বাংলা বিভাগের সময় বাসা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল।

১৯৯৮ সালে ইউনাইটেড ব্রিউয়ারিস গ্রুপ ক্লাবের ৫০% মালিকানা লাভ করে এবং তাদের কিংফিশার বিয়ার বিপননের জন্য ক্লাবের নাম পরিবর্তন করে কিংফিশার ইস্টবেঙ্গল ক্লাব নাম রাখে।

বর্তমানে ফুটবল দলের মালিকানা রয়েছে কোয়েস কর্পের কাছে। ২০১৭ সালে ক্লাবের ৭০% মালিকানা লাভ করে এবং কোয়েস ইস্টবেঙ্গল এফ সি প্রাইভেট লমিটেড নামক যৌথ উদ্যোগ তইরি করে। স্কোয়াড তৈরি ও পরিচালনার পুরো দায় এখন কোয়েসের।

ইতিহাসসম্পাদনা

গঠনসম্পাদনা

২৮ শে জুলাই ১৯২০, কোচবিহার কাপে জোড়বাগান আর মোহনবাগানের খেলার কথা ছিলো। তবে অজ্ঞাত কারণে উল্লেখযোগ্য ডিফেন্ডার সইলেশ বোসকে জোরাবাগানের প্রথম একাদশ থেকে বাদ দেওয়া হয়ে ছিল। জোড়াবাগানের সহ-সভাপতি সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী, বোসকে একাদশ অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করেছিলেন, কিন্তু সেটা বৃথা গিয়েছিল। এই কারণে চৌধুরী, রাজা মনমথ নাথ চৌধুরী রমেশ চন্দ্র সেন এবং অরবিন্দ ঘোষের সাথে ক্লাবটি ছেড়ে চলে যান। ১৯২০ সালের পয়লা আগস্ট সুরেশ চন্দ্রের চৌধুরীর জোড়বাগান বাড়িতে তারা ইস্টবেঙ্গল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সমিতি হিসাবে গঠন করেন।[১][২][৩]

 
East Bengal FC players and officials in 1921.

১৯২০ – ১৯৩০ এর দশকসম্পাদনা

১৯৪০ – ১৯৭০ এর দশকসম্পাদনা

১৯৮০ – ১৯৯০ এর দশকসম্পাদনা

২০০০ – ২০১০ এর দশকসম্পাদনা

বর্তমান দলসম্পাদনা

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
  গো লালথুয়াম্মাওইয়া রালতে (এফ শি গোয়া থেকে লোন)
  অসীর আখতার
  বোরহা গোমেজ পেরেজ (উপ-অধিনায়ক)
  কমলপ্রীত সিং
  অভিজিৎ সরকার (চেন্নায়িন এফ শি থেকে লোন)
  হাইমে সান্টোস কোলাডো
  বোইথং হাওকিপ
১১   পিন্টু মাহাতা
১৪   নওরেম টন্ডোম্বা সিং
১৬   কাসিম আইদারা (অন্তর্বর্তী-অধিনায়ক[৪])
১৮   মার্কোস দে লা এসপাডা
১৯   রোনাল্ডো অলিভিয়েরা
২০   লালরিন্দিকা রালতে (অধিনায়ক)
নং অবস্থান খেলোয়াড়
২১   মার্টে ক্রেস্পি পাস্কুয়াল
২৩   হুয়ান মেরা গঞ্জালেজ
২৫   সামাদ আলী মল্লিক
২৬   বিদ্যাসাগর সিং
২৭   অভিষেক আম্বেকার
২৯   মেহতাব সিং
৩০   ব্র্যান্ডন ভানলালরেমডিকা
৩২   গো মীরশাদ মিচু কে
৩৮   প্রকাশ সরকার
৪০   গো রক্ষিত দাগার
৪১   মনোজ মোহাম্মদ
৪৩   পি সি রোহলুপুইয়া
৪৬   সুভোনিল ঘোষ

বর্তমান কোচিং কর্মীরাসম্পাদনা

পদ নাম
প্রধান কোচ   মারিও রিভেরা ক্যাম্পেসিনো
সহকারী কোচ এবং ভিডিও বিশ্লেষক   মার্সাল ট্রলস সেভিলানো
কোচিং সহকারী   বাস্তব রায়
গোলকিপিং কোচ   অভ্র মণ্ডল
শারীরিক এবং জিম প্রশিক্ষক   কার্লোস নোদার পাজ

  রুদ্র প্রতিম রায়

ক্লাব ডাক্তার   ডাঃ সাম্বো সম্রাট সমাজদার
ফিজিও   করুণা কান্ত

  রাজেশ বসাক

  রবীন্দ্রনাথ দাস

  রাজু বোস

যুব উন্নয়ন ও একাডেমি প্রকল্পের প্রধান   বাস্তব রায়
আন্ডার ১৩ দল কোচ   তারুন দে
আন্ডার ১৫ দল কোচ   চন্দন কুমার রায়
আন্ডার ১৮ দল কোচ   রঞ্জন চৌধুরী
দলের মিডিয়া অফিসার   অরিন্দম মিত্র
দলের বিপণন ব্যবস্থাপক   নীলাঞ্জন চক্রবর্তী
ক্রীড়া উপদেষ্টা   তথাগত মুখোপাধ্যায়

স্পনসর / বিনিয়োজকসম্পাদনা

কোয়েস ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব স্পনসরসম্পাদনা

  • মালিক- কোয়েস কর্প
  • স্পনসর- কোয়েস কর্প
  • কিট স্পনসর- কাইজেন স্পোর্টস
  • মার্চেন্ডাইজ অংশীদার- কাইজেন স্পোর্টস
  • সহ-স্পনসর/অংশীদার-
  1. প্যারাগন (ব্র্যান্ড অংশীদার)
  2. মিও আমোরে (উদযাপনের অংশীদার)
  3. পেটিএম ইনসাইডার (টিকিট পার্টনার)
  4. 91.9 ফ্রেন্ডস এফএম (রেডিও অংশীদার)
  5. শাটল (ভ্রমণ অংশীদার)

ইস্টবেঙ্গল ক্লাব স্পনসরসম্পাদনা

  • অঞ্জলি জুয়েলার্স
  • কোয়েস কর্প
  • সাওয়ানসুখ জুয়েলার্স
  • শ্যাম সুন্দর কো জুয়েলার্স

সম্মানসম্পাদনা

আন্তর্জাতিকসম্পাদনা

বিজয়ী (১): ২০০৩

জাতীয়সম্পাদনা

দ্বিতীয় (২): ২০১০-১১, ২০১৮-১৯, ২০১৩-১৪
বিজয়ী (৩): ২০০০-০১, ২০০২-০৩, ২০০৩-০৪
দ্বিতীয় (৩): ১৯৯৭-৯৮, ১৯৯৮-৯৯, ২০০৫-০৬
বিজয়ী (৭): ১৯৭৮, ১৯৮০, ১৯৮৫, ১৯৯৬, ২০০৭, ২০০৯, ২০১০
দ্বিতীয় (৬): ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯২, ১৯৯৫, ১৯৯৮, ২০১১
বিজয়ী (৩): ১৯৯৭, ২০০৬, ২০১১
দ্বিতীয় (৩): ২০০৩, ২০০৮, ২০১০
বিজয়ী (২৩): ১৯৬১, ১৯৬৫, ১৯৬৬, ১৯৬৭, ১৯৭০, ১৯৭২, ১৯৭৩, ১৯৭৪, ১৯৭৫, ১৯৭৬, ১৯৭৯, ১৯৮১, ১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৭, ২০০০, ২০০১, ২০০২
দ্বিতীয় (৪): ১৯৬৯, ১৯৭৭, ১৯৯৮, ২০০৩
বিজয়ী (১৫): ১৯৫১, ১৯৫২, ১৯৫৬, ১৯৬০, ১৯৬৭, ১৯৭০, ১৯৭২, ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৩, ২০০২, ২০০৪

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "The Rise of East Bengal Club"East Bengal Football Club। ১৮ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১২ 
  2. "History of East Bengal"Thehardtackle.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২ মে ২০১০। ৮ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২০ 
  3. "Club Day: East Bengal - The History | Goal.com"www.goal.com। ৮ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২০ 
  4. "QEBFC vs RKFC MATCH SUMMARY" (PDF)