নামকরণ: ইলাহাবাদ না এলাহাবাদ?সম্পাদনা

গুগল সার্চ ইঞ্জিনে “ইলাহাবাদ” টাইপ করলে ৩২,০০০ পৃষ্ঠার সন্ধান পাওয়া যায় “এলাহাবাদ” লিখলে পাওয়া যায় ৫০০০-এর কিছু বেশি। তাছাড়া আনন্দবাজার সহ কয়েকটি কাগজে ইলাহাবাদ লেখা হয়। কিন্তু ধ্রুপদি বাংলা সাহিত্যে এলাহাবাদ শব্দটি অধিক প্রচলিত। এই নামকরণ নিয়ে তাই আলোচনা প্রয়োজন। --অর্ণব দত্ত (talk) ০৬:২০, ২২ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)

প্রয়োজনে আমার করা পৃষ্ঠার নাম পরিবর্তন প্রত্যাহার করে নেওয়া যেতে পারে। --অর্ণব দত্ত (talk) ০৬:২১, ২২ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)

৩২ হাজার কোথায়? আমি খেয়াল করে দেখলাম, এর অনেকাংশই এসেছে ওয়েবদুনিয়া ও গুরুচণ্ডালী এই দুই সাইট থেকে। এগুলো বাদ দিলে ৩১ হাজার কিংবা ২৬ হাজার দেখায় বটে, কিন্তু দ্বিতীয় পাতাতেই সার্চ ফলাফল শেষ। কাজেই এই সংখ্যাটি নিয়ে অনেক সন্দেহ আছে। ইলাহাবাদ বানানের গুগল অনুসন্ধানের অনেকগুলো ফলাফলই আবার দেখছি অসমীয়া ভাষার ওয়েবসাইট থেকে, কাজেই সেসব ফলাফল হিসাবে আসে না। বরং এলাহাবাদ বানানটি দিয়ে সার্চ করে দ্বিতীয় কেনো, ২১ তম পাতাতেও যাওয়া চলে। কাজেই এক্ষেত্রে এলাহাবাদ বানানটিই বেশি চালু বলে দেখা যাচ্ছে ... গুগলের প্রথম পাতায় দেখানো সংখ্যাটি একটা বাগ বলে মনে হয় আমার। আমি এলাহাবাদ বানানে ফেরত যাচ্ছি। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৭:২৪, ২২ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)

বিষয়টি এতটা তলিয়ে দেখিনি। যাই হোক, রাগিবকে ধন্যবাদ। --অর্ণব দত্ত (talk) ০৭:৪৩, ২২ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)
বাংলা বানানের শুদ্ধতা যাচাইয়ের জন্য ইন্টারনেট এখনো নির্ভরযোগ্য নয়। মুদ্রিত যত বই এ যাবৎ পড়েছি তাতে সর্বত্র 'এলাহাবাদ' পড়েছি ; 'ইলাহাবাদ' অদ্যাবধি দৃষ্টিগোচর হয় নি। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতার জন্য অনেক শব্দ অহরহ অশুদ্ধ বানানে লেখা হচ্ছে। -- Faizul Latif Chowdhury (talk) ১৭:৫৬, ২২ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)
এটি সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতার প্রশ্ন নয়। আনন্দবাজার "ইলাহাবাদ" বানান লেখে হিন্দি থেকে প্রতিবর্ণীকরণ করে। আনন্দবাজার পত্রিকা ১৯৮০-এর দশকের শেষ দিকে বানান সংস্কারের কাজ করেছিল। পিছনে ছিলেন কলকাতার প্রথম সারির ভাষাবিদ ও সাহিত্যিক। তবুও যুক্তিবিবেচনা করে দেখলাম, আনন্দবাজারের বানান সর্বত্র প্রশ্নাতীতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। আমি কেবল সেই বানানগুলিই আনন্দবাজারের অনুসরণে লিখি যেগুলি অন্যান্য সংবাদপত্র মেনে চলে। যেমন - লখনউ, দিল্লি ইত্যাদি। আবার একই কারণে কিছু বানান গ্রহণ করা যায় না। যেমন - গাঁধী, চিন ইত্যাদি। আমার মনে হয় "ইলাহাবাদ" বানানটি এই দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ে। এখন দুই দশক ধরে ভারতের বৃহত্তম দৈনিক যে বানানটি লিখে আসছে, এবং প্রতিবর্ণীকরণ ও ভাষাবিদদের সমর্থনের মতো যুক্তির জোর যে বানানের পিছনে আছে, তাকে রাতারাতি ভুল বললে বিতর্ক সৃষ্টি হতে পারে। অথচ প্রচলনের নিতান্ত অভাব থাকলে সেটিকে উইকিপিডিয়াই বা কেমন করে গ্রহণ করবে। একটি সংবাদপত্রের বানান তো আর উইকিপিডিয়ার স্ট্যান্ডার্ড হতে পারে না। আবার উইকিপিডিয়া ল্যাঙ্গুয়েজ অথরিটিও নয়। তাই বিতর্ক এড়াতে "এলাহাবাদ" বানানটিকেই রেখে দেওয়াই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মনে হল। --অর্ণব দত্ত (talk) ১৮:১৫, ২২ জানুয়ারি ২০১০ (UTC)
"এলাহাবাদ" পাতায় ফেরত যান।