প্রধান মেনু খুলুন

আমির হোসেন বাবু একজন বাংলাদেশী নৃত্যশিল্পী ও কোরিওগ্রাফার। তিনি বেস্ট কোরিওগ্রাফির জন্য দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন ১৯৯২ সালে বেপরোয়া ছবির জন্য হ এবং ২০০১ সালে মেঘলা আকাশের জন্য।

কর্মজীবনসম্পাদনা

বাবুই প্রথম অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ কে তৈরি করেছিলেন। ১৯৯৭ সালে সালমান শাহের মৃত্যুর পরে তিনি নাচ ময়ূরী নাচ নামে একটি নৃত্যভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন। যেহেতু সালমান শাহ অকাল মৃত্যুবরণ করেছিলেন, তাই তার দরকার ছিল এক নতুন নায়কের। তিনি নতুন নায়কের জন্য অডিশন দিয়েছিলেন এবং এই চরিত্রের জন্য ফেরদৌসকে বেছে নিয়েছিলেন। [১]

চলচ্চিত্রসম্পাদনা

  • অভাগি (১৯৭৫)
  • গুন্ডা (১৯৭৬)
  • দোস্ত দুশমন (১৯৭৭)
  • অলঙ্কার (১৯৭৮)
  • আরাদোনা (১৯৭৯)
  • জীবন নৌকা (1১৯৮১)
  • লাল কাজল (১৯৮২)
  • নান্টু ঘটক (১৯৮২)
  • রজনীগন্ধা (১৯৮২)
  • নাজমা (১৯৮৩)
  • ক্ষুধা (১৯৮৪)
  • নয়নের আলো (১৯৮৪)
  • রাজকন্যা টিনা খান (১৯৮৪)
  • আওরা (১৯৮৫)

মিস লোলিতা (১৯৮৫)

  • মহা নায়ক (১৯৮৫)
  • লালু মাস্তান (১৯৮৭)
  • রাজলক্ষ্মী শ্রীকান্ত (১৯৮৭)
  • আত্মসমর্পণ (১৯৮৭)
  • স্বামী স্ত্রী (১৯৮৭)
  • ভেজা চোখ (১৯৮৮)
  • জীবন ধারা (১৯৮৮)
  • যোগাযোগ (১৯৮৮)
  • ভাইজান (১৯৮৯)
  • বাইথার দান (১৯৮৯)
  • রাঙ্গা ভাবি (১৯৮৯)
  • সত্য মিথ্যা (১৯৮৯)
  • আঁখি মিলন (১৯৯০)
  • দোলনা (১৯৯০)
  • দাঙ্গা (১৯৯১)
  • পদ্মা মেঘনা যমুনা (১৯৯১)
  • ওচিনা (১৯৯১)
  • শীর্ষ রংবাজ (১৯৯১)
  • বেপোরয়া (১৯৯২)
  • বন্ধু আমার (১৯৯২)
  • চোরের বউ (১৯৯২)
  • ওন্ধ বিশ্বাস (১৯৯২)
  • অবুঝ সন্তান (১৯৯৩)
  • কিয়ামত থেকে কিয়ামত (১৯৯৩)
  • মৌসুমী (প্রযোজনা ও কোরিওগ্রাফ করা) (১৯৯৩)
  • ওন্ধ প্রেম (১৯৯৩)
  • বিক্ষোভ (১৯৯৪)
  • গোলাপী এখন ঢাকাই (১৯৯৪)
  • সুজন শখি (১৯৯৪)
  • পাপী শত্রু (১৯৯৫)
  • মৌমাচি (১৯৯৬)
  • নির্মম (১৯৯৬)
  • তোমাকে চই (১৯৯৬)
  • আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭)
  • বাবা কেনো চাকর (১৯৯৭)
  • বিয়ের ফুল (১৯৯৯)
  • অনন্ত ভালবাসা (১৯৯৯)
  • মেঘলা আকাশ (২০০১)
  • হাসন রাজা (২০০২)

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Ferdous Ahmed got his first break from Amir Hossain Babu"। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০১৮