আব্দুলপুর জংশন রেলওয়ে স্টেশন

আব্দুলপুর বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নাটোর জেলার লালপুর উপজেলায় অবস্থিত একটি রেল জংশন। রেল জংশনটি নাটোর জেলার সবচেয়ে বড় রেলওয়ে জংশন ও স্টেশন। রেলওয়ে জংশনটি নাটোর থেকে ১৫ কিলোমিটার,রাজশাহী থেকে ৪৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন
বাংলাদেশ রেলওয়ের স্টেশন
আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন.jpg
অবস্থানআব্দুলপুর, লালপুর, নাটোর
 বাংলাদেশ
স্থানাঙ্ক২৪°১৫′৪০″ উত্তর ৮৮°৫৮′১৯″ পূর্ব / ২৪.২৬১° উত্তর ৮৮.৯৭২° পূর্ব / 24.261; 88.972
মালিকানাধীনবাংলাদেশ রেলওয়ে
লাইন
ইতিহাস
চালু১৮৭৮
অবস্থান

ইতিহাসসম্পাদনা

১৮৭৮ সাল থেকে কলকাতা থেকে ট্রেনে করে শিলিগুড়ি যেতে দুইধাপে পার হতে হত। প্রথম ধাপটি ছিল ১৮৫ কিমির, কলকাতা স্টেশন (পরে নামকরণ করা শিয়ালদহ) থেকে পূর্ববাংলা রাজ্য রেলওয় ধরে পদ্মা নদীর দক্ষিণ তীরে দামুকদিয়া ঘাট পর্যন্ত যেতে হত। তারপর নদী পার হতে হত এবং সারঘাট যাত্রার দ্বিতীয় ধাপ শুরু হত। দ্বিতীয় ধাপে উত্তরবঙ্গ রেলপথের মিটার গেজ লাইনটি ধরে সারঘাট থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত ৩৩৬ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হত।[১] এই সময়েই আব্দুলপুর রেলওয়ে স্টেশন খোলা হয়েছিল।

কলকাতা-শিলিগুরির প্রধান লাইনটি পর্যায়ক্রমে ব্রডগেজ রূপান্তর করা হয়েছিল। শাকলে- সান্তাহার সেকশন ১৯১০-১৯১৪ সালের মধ্যে রুপান্তরিত হয়, তখন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণাধীন ছিল। হার্ডিং সেতুটি ১৯১৫ সালে খোলা হয়েছিল।[২] এটি নাটোর জেলার বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশন।

রেল লাইনসম্পাদনা

বর্তমানে রেল জংশনটি সচল। স্টেশনের উত্তর ও পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্ব বরাবর লাইন চলে গেছে। উত্তরে নাটোর শহর দিয়ে চিলাহাটি পর্যন্ত রেলপথ বিস্তৃিত। আর পশ্চিমে রেলপথ রাজশাহী শহর, আমনুরা, চাপাইনবয়াবগঞ্জ ও রহনপুর পর্যন্ত বিস্তৃত। যে সকল আন্তঃনগর ট্রেন যাত্রাবিরতী দেয়:

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "India: the complex history of the junctions at Siliguri and New Jalpaiguri"irfca.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-২৬ 
  2. "Brief History"। বাংলাদেশ রেলওয়ে। ২০১১-১২-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-২৬