আনিস চৌধুরী

বাংলাদেশী নাট্যকার এবং ঔপন্যাসিক

আনিস চৌধুরী (জন্ম: ২ নভেম্বর, ১৯২৯ - মৃত্যু: ১৯৯০) ছিলেন বাংলাদেশী নাট্যকার এবং ঔপন্যাসিক। তার জন্ম কলকাতায় হলেও পৈতৃক নিবাস ছিল কুমিল্লায়১৯৬৮ সালে নাটকে বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।

আনিস চৌধুরী
জন্ম২ নভেম্বর, ১৯২৯
মৃত্যু১৯৯০
পেশানাট্যকার ও ঔপন্যাসিক
জাতীয়তাবাংলাদেশী
নাগরিকত্ববাংলাদেশ Flag of Bangladesh.svg
উল্লেখযোগ্য পুরস্কারবাংলা একাডেমী পুরস্কার

জন্মসম্পাদনা

চৌধুরী, আনিস (১৯২৯-১৯৯০)  কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার। তার পিতৃদত্ত নাম আনিসুজ্জামান কামরুদ্দীন। ছাত্রাবস্থায় তিনি আনিসুজ্জামান চৌধুরী নাম ধারণ করেন; ‘আনিস চৌধুরী’ তার সাহিত্যিক নাম। কলকাতার তালতলা লেনে নানার বাড়িতে তার জন্ম। তাদের আদি নিবাস কুমিল্লা জেলায়। পিতা নুরুল হুদা চৌধুরী ছিলেন কুমিল্লার ইনসাফ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

আনিস চৌধুরীর লেখাপড়া শুরু হয় মাইজভান্ডার শরিফে। তিনি ১৯৪৪ সালে প্রবেশিকা, ১৯৪৬ সালে কলকাতার  প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট এবং ১৯৫৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি পাস করেন।

কর্মজীবনসম্পাদনা

১৯৫৪ সালে তিনি সরকারি চাকরিতে যোগ দেন এবং পরে করাচির রেডিও পাকিস্তান-এ টেকনিক্যাল এসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক ও সরকারের বহিঃপ্রচার বিভাগের মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি ডেপুটেশনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন এবং কিছুদিন ইসলামাবাদে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম প্রেস কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি একটি জীবনবীমা কোম্পানির উপদেষ্টা ছিলেন। আনিস চৌধুরী ছাত্রাবস্থায় (১৯৪৬-৪৭)  কলকাতা থেকে প্রকাশিত ইত্তেহাদ পত্রিকার সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

মৃত্যুসম্পাদনা

১৯৯০ সালের ২ নভেম্বর ঢাকায় তার মৃত্যু হয়।

সাহিত্য কর্মসম্পাদনা

  • নাটক
    • মানচিত্র
    • অ্যালবাম (১৯৬৫)
    • চেহারা (১৯৭৯)
    • তবুও অন্যান্য
  • উপন্যাস
    • সরোবর (১৯৬৭)
    • সৌরভ (১৯৬৮)
    • শখের পুতুল(১৯৬৮)
    • মধুগড় (১৯৭৪)
    • ঐ রকম একজন (১৯৮৬)
    • ময়নামতী
  • গল্প সংকলন
    • সুদর্শন ডাকছে (১৯৭৮)[১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. সেলিনা হোসেন ও নুরুল ইসলাম সম্পাদিত; বাংলা একাডেমী চরিতাভিধান; ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৭; পৃষ্ঠা- ৭১।

বহিঃসংযোগসম্পাদনা