আনন্দমোহন চক্রবর্তী

ভারতীয় আমেরিকান অনুজীব বিশারদ

আনন্দমোহন চক্রবর্তী (Ānandamōhan Cakrabartī) (৪ এপ্রিল ১৯৩৮ – [১০ জুলাই ২০২০), একজন ভারতীয়-আমেরিকান বিজ্ঞানী, অণুজীববিশারদ এবং গবেষক। তিনি পরিচালিত বিবর্তন এবং জিনগতভাবে পরিবর্তিত জীবের গবেষণার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। জিন প্রকৌশলের সাহায্যে তিনি ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়াকে তেল ভক্ষণকারী ব্যাকটেরিয়াতে রূপান্তরিত করেন। এই গবেষণার জন্য তিনি আমেরিকাতে বিশ্বের সর্বপ্রথম জিনগত ভাবে পরিবর্তিত জীব(genetically modified organism)-এর ওপর পেটেন্ট পান। জীবিত জীবের পেটেন্ট সম্পর্কিত আইনের জন্য আমেরিকান সুপ্রিম কোর্টের ডায়মন্ড বনাম চক্রবর্তী কেসটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট সৃষ্টি করে।[২]

পদ্মশ্রী প্রাপক

আনন্দমোহন চক্রবর্তী
Ananda Mohan Chakrabarty - Kolkata 2009-11-08 2979.JPG
২০০৯-এর ৮ নভেম্বর কলকাতা সায়েন্স সিটিতে আনন্দমোহন চক্রবর্তী
জন্ম(১৯৩৮-০৪-০৪)৪ এপ্রিল ১৯৩৮
সাঁইথিয়া, পশ্চিমবঙ্গ, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১০ জুলাই ২০২০(2020-07-10) (বয়স ৮২)[১]
ইলিনয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
জাতীয়তাভারতীয়
কর্মক্ষেত্রঅণুজীব বিজ্ঞান
প্রাক্তন ছাত্র
পরিচিতির কারণ
উল্লেখযোগ্য
পুরস্কার
  • সায়েন্টিস্ট অফ দ্য ইয়ার, ইনডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশন, আমেরিকা, ১৯৫৭
  • distinguished Scientist, Environmental Protection Agency, আমেরিকা
  • মেরিট পুরস্কার, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ, আমেরিকা
  • গোল্ডেন ইউরিডিস অ্যাওয়ার্ড, ২০০৭
  • পদ্মশ্রী, ২০০৭

জন্ম ও শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

ডঃ আনন্দমোহন চক্রবর্তী (সাধারণত বিজ্ঞান পরিমন্ডলে "Al" নামে পরিচিত) ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ এপ্রিল ব্রিটিশ ভারতের সাঁইথিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সাঁইথিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যামন্দির ও সেন্ট জেভিয়ার'স কলেজ থেকে স্নাতক পূর্ববর্তী শিক্ষালাভ করেন। প্রফেসর চক্রবর্তী ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন।

কর্মজীবনসম্পাদনা

ডক্টর চক্রবর্তী বর্তমানে শিকাগোর ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় অফ মেডিসিনের অণুজীব বিজ্ঞান এবং রোগের অনাক্রম্যতা বিষয়ের একজন বিশিষ্ট অধ্যাপক। একজন অগ্রগণ্য বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ছাড়াও আনন্দমোহন চক্রবর্তী বিচারক, সরকার এবং জাতিসংঘের উপদেষ্টা ছিলেন।[৩] তিনি জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কমিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। এই সংস্থা যখন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজির আন্তর্জাতিক কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছিল, তখন থেকেই তিনি এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হয়েছিলেন। তিনি মার্কিন সরকারের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ (এনআইএইচ)-এর অধ্যয়ন বিভাগের সদস্য, জাতীয় বিজ্ঞান একাডেমির জীববিজ্ঞান বোর্ডের সদস্য এবং জাতীয় গবেষণা কাউন্সিলের বায়োটেকনোলজি বিভাগের সদস্য হিসাবে কাজ করেছেন।

তিনি সুইডেনের স্টকহোম এনভায়রনমেন্ট ইনস্টিটিউটেও গবেষণা করেছেন । তিনি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন, যেমন- মিশিগান বায়োটেকনোলজি ইনস্টিটিউট, মন্টানা স্টেট ইউনিভার্সিটি, বায়োফিল্ম ইঞ্জিনিয়ারিং কেন্দ্র, মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির মাইক্রোবিয়াল ইকোলজি সেন্টার, কানাডার অ্যালবার্টা, ক্যালগারি প্রদেশের কানাডিয়ান ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নেটওয়ার্ক সংস্থা ইত্যাদি। ডাঃ চক্রবর্তী ব্রাসেল্‌সের ন্যাটো বা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোটের বাণিজ্যিক উপদেষ্টা গ্রুপের সদস্য হিসাবেও কাজ করেছেন। তিনি আইনস্টাইন ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স-এর স্বাস্থ্য এবং বিচারবিভাগের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।[৪]

গবেষণাকর্মসম্পাদনা

প্রফেসর চক্রবর্তী নিউ ইয়র্কের সেনেকটেডি শহরের জেনারেল ইলেকট্রিক কোম্পানির গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রে কর্মরত সময় ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে জিনগত প্রকৌশলবিদ্যার সাহায্যে সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়ার একটি নতুন প্রজাতি(তেল ভক্ষণকারী ব্যাকটেরিয়া) আবিষ্কার করেন।[৫][৬]

সেই সময়, তেল-বিপাকীয় ব্যাকটিরিয়াগুলির চারটি প্রজাতির অস্তিত্বের কথা জানা গিয়েছিল। কিন্তু যখন তেল ছড়িয়ে পড়ে, তখন তারা একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করে। ফলে তারা খুর সীমিত পরিমাণ তেলই পরিশোধন করতে পারে। তেল হ্রাস করার জন্য দায়ী জিনগুলি প্লাজমিডে উপস্থিত ছিল, যা প্রজাতির মধ্যে স্থানান্তরিত হতে পারতো।[৭]

প্লাজমিড স্থানান্তরের পরে রূপান্তরিত জীবকে অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে বিকৃত করে অধ্যাপক চক্রবর্তী জেনেটিক ক্রস-লিঙ্কিংয়ের একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন যা প্লাজমিডে উপস্থিত চারটি জিনকে একটি স্থানে স্থিত করেছিল। এই নব-আবিষ্কৃত স্থিতিশীল, ব্যাকটিরিয়া প্রজাতিটি (বর্তমানে সিউডোমোনাস পুটিডা নামে পরিচিত) আগের চারটি স্ট্রেনের মাইক্রোবস্-এর চেয়ে দুই বা তার অধিক দ্রুততার সঙ্গে তেল ভক্ষণ করতে পারতো। প্রফেসর চক্রবর্তী এই নব আবিষ্কৃত মাইক্রোবকে ''multiplasmid hydrocarbon-degrading Pseudomonas'' নাম দিয়েছিল, যা ছড়িয়ে পরা তেলের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হজম করতে পারতো।[৮] এই ব্যাকটেরিয়াটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করে যখন তিনি এই ব্যাকটেরিয়াটি আবিষ্কারের জন্য পেটেন্ট দাবি করেন। পেটেন্ট অফিস প্রাথমিকভাবে তাঁকে পেটেন্ট দিতে অস্বীকার করে, কারণ আমেরিকায় জীবিত জীবের পেটেন্ট দেওয়া নিশোধ ছিল। প্রফেসর চক্রবর্তী আমেরিকার শুল্ক ও পেটেন্ট বিভাগের আদালতে পেটেন্টের জন্য দাবি জানালে আদালত তাঁর দাবিকে স্বীকৃতি জানায়-

(ইংরেজি)

«...the fact that micro-organisms are alive is without legal significance for purposes of patent law.»

(বাংলা)

«পেটেন্ট প্রদানের ক্ষেত্রে অণুজীবটি জীবিত কিনা সেটা তাৎপর্যপূর্ণ নয়...»

(সিডনি এ. ডায়মন্ড, আমেরিকা পেটেন্ট আদালত)

আমেরিকার পেটেন্ট ও ট্রেডমার্ক কমিশনার, সিডনি এ. ডায়মন্ড চক্রবর্তীর দাবি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে জানালে মামলাটি ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দের ১৭ মার্চ থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত চলে। এই পেটেন্টটি ৫-৪-এর সিদ্ধান্তে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট (ডায়মন্ড বনাম চক্রবর্তী) মঞ্জুর করেছিল।[৯] সিদ্ধান্ত ছিল-

(ইংরেজি)

«A live, human-made micro-organism is patentable subject matter under [Title 35 U.S.C.] 101. Respondent's micro-organism constitutes a "manufacture" or "composition of matter" within that statute.[১০]»

(বাংলা)

«আইন [শিরোনাম 35 U.S.C.][১১] অনুযায়ী মানব-সৃষ্ট অণুজীব পেটেন্ট গ্রহণের যোগ্য। আবেদনকারী(অধ্যাপক চক্রবর্তী)-সৃষ্ট অণুজীবটিও পেটেন্ট গ্রহণের যোগ্য»

(মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট)

অধ্যাপক চক্রবর্তীর যুগান্তকারী গবেষণা ও জিনগতভাবে পরিবর্তিত অণুজীবের পেটেন্ট গ্রহণ তাঁকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেয়।

বর্তমান গবেষণাকর্মসম্পাদনা

বর্তমানে তিনি এবং তাঁর গবেষণাগারে ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে ব্যাকটিরিয়ার কিউপ্রিডক্সিন (কপার প্রোটিন) এবং সাইটোক্রোমের ভূমিকা সম্পর্কে এবং কিভাবে ক্যানসার কোশের কোশচক্রের অগ্রগতিতে বন্ধ করা যায়, সেই বিষয়ে বিশদে গবেষণা করছে।[১২] এই প্রোটিনগুলি ব্যাকটিরিয়ার ইলেকট্রন পরিবহনের সঙ্গে জড়িত থাকার জন্য আগে পরিচিত ছিল। তিনি অ্যান্টিনোপ্লাস্টিক বৈশিষ্ট্যসহ একটি ব্যাকটিরিয়া প্রোটিন, আজুরিনকে পৃথক করেছেন।[৯][১৩] তিনি নিশেরিয়া, প্লাজমোডিয়া এবং এসিডিথিওব্যাসিলাস ফেরোঅক্সিডানাস (Acidithiobacillus ferrooxidans) সহ একাধিক মাইক্রোবায়োলজিকাল প্রজাতি অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তাঁর ল্যাবটির কাজকে প্রসারিত করেছেন।[১২] ২০০১ খ্রিস্টাব্দে অধ্যাপক চক্রবর্তী সিডিজি থেরাপিউটিক্স নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন,[১৩] যা শিকাগোর ইলিনয় ইউনিভার্সিটিতে তাঁর গবেষণা দ্বারা নির্মিত পাঁচটি পেটেন্ট সম্পর্কিত মালিকানার তথ্য গ্রহণ করে। ইলিনয় বিশ্ববিদ্যালয় পেটেন্টগুলির দাবিদার, তবে সিডিজি থেরাপিউটিকদের পেটেন্টগুলির একচেটিয়া লাইসেন্স জারি করে।[৯]

২০০৮ খ্রিস্টাব্দে প্রফেসর চক্রবর্তী ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কার্যকর চিকিৎসা, ভ্যাকসিন, ডায়াগনস্টিক এবং ব্যাকটিরিয়া থেকে সৃষ্ট, জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো রোগের প্রতিরোধের জন্য গুজরাতের আহমেদাবাদে Amrita Therapeutics Ltd. নামে একটি দ্বিতীয় বায়োফর্মাসিউটিক্যাল সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। অমৃতা থেরাপিউটিক্স লিমিটেড গুজরাটের ভেঞ্চার ফিনান্স লিমিটেড থেকে ২০০৮-এর শেষদিকে প্রাথমিক অর্থ সাহায্য পেয়েছিল[১৪] এবং আরও সম্প্রতি বায়োটেকনোলজি ইন্ডাস্ট্রি প্রোমোশন প্রোগ্রামের (বিআইপিপি) অধীনে ভারতীয় বায়োটেকনোলজি বিভাগ থেকে দু'বছর গবেষণাকর্মের জন্য অনুদান পেয়েছে।[১৫]

সম্মাননাসম্পাদনা

অধ্যাপক চক্রবর্তী বিভিন্ন দেশ থেকে নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তিনি ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকার ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশন-এর পক্ষ থেকে Scientist of the Year পুরস্কার পান। এরপরে আমেরিকার Environmental Protection Agency-র পক্ষ থেকে ‘Distinguished Scientist’ পুরস্কার, America-র National Institute of Health থেকে মেরিট পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে জৈব-দর্শন-এ তাঁর অবদানের জন্য Golden Eurydice Award পান।[১৬] জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তিতে তাঁর অবদানের জন্য, ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকার তাঁকে অসামরিক পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে।[১৭]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. সংবাদদাতা, নিজস্ব। "প্রবাসেই প্রয়াত জীববিজ্ঞানী আনন্দমোহন চক্রবর্তী"আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-১৪ 
  2. US Patent 4,259,444
  3. "Father of life patents downplays historic role (WTN News)"web.archive.org। ২০১৫-০২-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৫ 
  4. "Innovation gives you confidence and a respectable position across the globe"The Financial Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২০০৬-১২-১১। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৫ 
  5. Chakrabarty, A. M.; Friello, Denise A. (1974-09)। "Dissociation and Interaction of Individual Components of a Degradative Plasmid Aggregate in Pseudomonas"Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America71 (9): 3410–3414। PMID 4530312আইএসএসএন 0027-8424  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  6. Chakrabarty, A. M. (1974-06)। "Dissociation of a Degradative Plasmid Aggregate in Pseudomonas"Journal of Bacteriology118 (3): 815–820। PMID 4829926আইএসএসএন 0021-9193  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  7. Chakrabarty, A. M. (১৯৭৪)। Biswas, B. B.; Mandal, R. K.; Stevens, A.; Cohn, W. E., সম্পাদকগণ। Control of Transcription। Basic Life Sciences (ইংরেজি ভাষায়)। Boston, MA: Springer US। পৃষ্ঠা 157–165। doi:10.1007/978-1-4613-4529-9_13আইএসবিএন 978-1-4613-4529-9 
  8. Rheinwald, J. G.; Chakrabarty, A. M.; Gunsalus, I. C. (1973-03)। "A Transmissible Plasmid Controlling Camphor Oxidation in Pseudomonas putida"Proceedings of the National Academy of Sciences of the United States of America70 (3): 885–889। PMID 4351810আইএসএসএন 0027-8424  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  9. "Innovation gives you confidence and a respectable position across the globe"The Financial Express (ইংরেজি ভাষায়)। ২০০৬-১২-১১। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  10. "Diamond v. Chakrabarty, 447 U.S. 303 (1980)"Justia Law (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  11. "35 U.S. Code § 101 - Inventions patentable"LII / Legal Information Institute (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  12. "Ananda Chakrabarty"web.archive.org। ২০০৯-১০-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  13. "Father of life patents downplays historic role (WTN News)"web.archive.org। ২০১৫-০২-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  14. "Home: Bio-Technology | Department of Science & Technology (Government of Gujarat, India)"web.archive.org। ২০১০-০৮-০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  15. "BIRAP - Programmes"web.archive.org। ২০১০-০৮-০৩। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  16. "বিশ শতকে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাঙালি বিজ্ঞানী - কালি ও কলম"কালি ও কলম (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৬-০৫-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  17. "WebCite query result" (PDF)www.webcitation.org। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা