আজিজ আহমেদ (জেনারেল)

আজিজ আহমেদ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্তমান সেনাপ্রধান। ২০১৮ সালের ১৮ জুন তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগপত্র লাভ করেন, যা ২৫ জুন ২০১৮ থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য কার্যকর হয়।[১] তার আগে জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক সেনাপ্রধান ছিলেন।

জেনারেল
আজিজ আহমেদ
Army Chief Bangladesh General Aziz Ahmed SBP, BSP, BGBM, PBGM, BGBMS, psc, G.jpg
সেনা প্রধান, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২৫ জুন ২০১৮
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (1961-01-01) ১ জানুয়ারি ১৯৬১ (বয়স ৫৯)
নারায়ণগঞ্জ, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ)
ধর্মইসলাম
সামরিক পরিষেবা
আনুগত্য বাংলাদেশ
শাখা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
কাজের মেয়াদ১৯৮৩ থেকে বর্তমান
পদBangladesh-army-OF-9.svg জেনারেল
Four star.jpg
ইউনিটগোলন্দাজ রেজিমেন্ট
কমান্ড
  • কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল
  • জেনারেল অধিনায়ক - আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড
  • মহাপরিচালক - বিজিবি
  • জেনারেল অধিনায়ক - ৩৩ পদাতিক ডিভিশন
  • অধিনায়ক - ৩৩ গোলন্দাজ ব্রিগেড
  • অধিনায়ক - ৬ষ্ঠ স্বতন্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষা গোলন্দাজ ব্রিগেড
  • বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর ঢাকা সেক্টরের অধিনায়ক
যুদ্ধ

জন্ম ও শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

১৯৬১ সালে জন্ম নেয়া আজিজ আহমেদের পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের টরকী গ্রামে। তার বাবা ওয়াদুদ আহমেদ বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন। আজিজ মোহাম্মদপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। পরে তিনি নটরডেম কলেজ, ঢাকা থেকে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পাশ করেন।

কর্মজীবনসম্পাদনা

এইচএসসি পাশ করে আজিজ সেনাবাহিনীতে নির্বাচিত হয়ে মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি চট্টগ্রামে যোগ দিয়েছিলেন।

১৯৮৩ সালে তিনি মিলিটারি একাডেমি চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গোলন্দাজ রেজিমেন্টে কমিশনপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ফিল্ড গোলন্দাজ রেজিমেন্টের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন সহ গোলন্দাজ রেজিমেন্টের বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আজিজ কর্নেল পদবীতে ২০০৯ সালে বিজিবিতে ঢাকা সেক্টরের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ব্রিগেডিয়ার পদে পদোন্নতি পেয়ে কুমিল্লা সেনানিবাসে নিয়োগ পান, ৩৩তম গোলন্দাজ ব্রিগেডের অধিনায়ক হয়েছিলেন তিনি। সেখানে তিনি মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি প্রাপ্ত হয়ে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে তিনি বিজিবির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল পদে পদোন্নতি পান। এরপর তিনি আর্টডক (আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড) এর অধিনায়ক হয়েছিলেন।

সেনাপ্রধান হবার আগে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বসমূহসম্পাদনা

তিনি সেনাপ্রধান হওয়ার আগে সেনাবাহিনী সদর-দপ্তরে কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) হিসেবে কাজ করেছেন[২], তার আগে তিনি ময়মনসিংহে আর্মি ট্রেনিং এ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জেনারেল অধিনায়ক) ছিলেন।[৩] তিনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর মহাপরিচালক ছিলেন ২০১২ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত। তিনি কুমিল্লার ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন (বিজিবির মহাপরিচালক হওয়ার আগে)। তিনি সীমান্ত ব্যাংক-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন, যা একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিজিবি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট-এর একটি যৌথ উদ্যোগ।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ"দৈনিক প্রথম আলো। ১৮ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৮ 
  2. "লে. জেনারেল আজিজ কোয়ার্টারমাস্টার জেনারেল হলেন"samakal.com। ৯ জানুয়ারি ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩০ মার্চ ২০১৮ 
  3. "নতুন সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ"যুগান্তর। ১৮ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০১৮ 
সামরিক দপ্তর
পূর্বসূরী
আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
২০১৮ -
উত্তরসূরী