অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র

অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র হচ্ছে চলচ্চিত্রের একটি ধরণ যেখানে সাধারণত অ্যাকশন দৃশ্যগুলি ব্যবহার করা হয় একটি শক্তিশালী উপায়ে বিদেশী কোন স্থানের প্রদর্শন এবং অন্বেষণ করতে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

অবলোকনসম্পাদনা

অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্রের উপধারার মধ্যে রয়েছে গুণ্ডা চলচ্চিত্র, সারভাইভাল চলচ্চিত্র এবং জলদস্যু চলচ্চিত্র। প্রধান প্লটের উপাদানের মধ্যে রয়েছে হারিয়ে যাওয়া মহাদেশ এবং বিদেশী স্থানের অনুসন্ধান; প্রধান চরিত্রের সংগ্রাম ও পরিস্থিতি মোকাবিলা, সাম্রাজ্যের সৃষ্টি সৃষ্টি, চরিত্রগুলির গুপ্তধনের উদ্দশ্যে যাত্রা, বীরত্বপূর্ণ ভ্রমণ, অনুসন্ধান, অনুসন্ধান এবং অজানা অনুসন্ধানে সাধারণত কোন শত্রুকে পরাস্ত করতে হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্রগুলি প্রায়শই একটি যুগ, পটভূমিতে সেট করা থাকে এবং ঐতিহাসিক বা কাল্পনিক দু:সাহসিক নায়কদের প্রেক্ষাপটে অভিযোজিত গল্পগুলি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। রাজা, যুদ্ধ, বিদ্রোহ বা জলদস্যুতা সাধারণত দেখা যায় এসব চলচ্চিত্রে।[১] অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র অন্যান্য চলচ্চিত্রের ধারাগুলির সাথেও মিলিত হতে পারে যেমন অ্যাকশন, অ্যানিমেশন, কৌতুক, নাটক, কল্পনা, বিজ্ঞান কথাসাহিত্য, পরিবার, হরর বা যুদ্ধ।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

ইতিহাসসম্পাদনা

১৯৩০ এবং ১৯৪০ এর দশকে অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তা শীর্ষে ছিল, যখন চলচ্চিত্র যেমন ক্যাপ্টেন ব্লাড, দ্যা অ্যাডভেঞ্চার অফ রবিন হুড এবং দ্যা মার্ক অফ জোরো নিয়মিত বড় বড় চলচ্চিত্র তারকাদের দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল, লক্ষণীয়ভাবে এরোল ফ্লিন এবং টায়রন পাওয়ার, যারা চলচ্চিত্রের এই ধারাটির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] স্যাটারডে মর্নিং সিরিয়ালগুলি একই বিষয়ভিত্তিক উপাদানের অনেক উচ্চ-বাজেটের অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্রের প্রথম দিনগুলিতে, চরিত্রগুলি প্রধানত পুরুষ ছিল। এই নায়করা সাহসী ছিলেন, প্রায়শই দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং অত্যাচারীদের মুখোমুখি হন। সাম্প্রতিক অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্রগুলিতে প্রধান চরিত্রে নায়িকাদেরও রাখা হচ্ছে, যেমন লারা ক্রফ্ট, প্রধান চরিত্র হিসেবে।[১]

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Adventure Films"। Filmsite.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৫-২৯ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা