অ্যাংলো-স্যাক্সন

অ্যাংলো-স্যাক্সন জনগোষ্ঠী ছিল আদি মধ্যযুগে ইংল্যান্ডে বসবাসকারী একটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী। এই জনগোষ্ঠীর উৎস খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের উত্তর সাগর-উপকূলবর্তী অঞ্চলের দ্বীপ থেকে ব্রিটেনে অনুপ্রবেশকারী জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। যদিও অ্যাংলো-স্যাক্সনদের জাতিগঠনের ঘটনাটি ব্রিটেনের মধ্যেই ঘটেছিল এবং পরিচিতিটিও নিছক প্রত্যক্ষভাবে বাইরে থেকে আনা হয়নি। অ্যাংলো-স্যাক্সন পরিচয়ের বিকাশ ঘটতে শুরু করে বিভিন্ন জার্মানিক উপজাতির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন শুরু হলে। এই সম্পর্ক স্থাপন তাদের নিজেদের মধ্যে যেমন ঘটেছিল, তেমনই ঘটেছিল তাদের সঙ্গে স্থানীয় ব্রিটিশ গোষ্ঠীর মধ্যে। অনেক স্থানীয় অধিবাসীই কালক্রমে অ্যাংলো-স্যাক্সনদের সংস্কৃতি ও ভাষা গ্রহণ করে তাদের সঙ্গে মিশে যায়। অ্যাংলো-স্যাক্সনরাই ইংল্যান্ডের ধারণা এবং রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিল। আধুনিক ইংরেজি ভাষার মোটামুটি ২৬ শতাংশেরও কম শব্দ তাদের ভাষা থেকে উৎসারিত হলেও এই শব্দগুলি রয়েছে প্রতিদিনের ব্যবহার্য শব্দাবলির একটি বৃহত্তর অংশ জুড়ে।[১]

লিন্ডিসফার্ন গসপেলসে মথিলিখিত সুসমাচার থেকে চি রো মনোগ্রাম-সহ একটি পৃষ্ঠা, আনুমানিক ৭০০ খ্রিস্টাব্দ, সম্ভবত কাথবার্টের স্মৃতিতে লিন্ডিসফার্নের এয়াডফ্রার্থ কর্তৃক সৃষ্ট

ঐতিহাসিকভাবে অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ বলতে বোঝায় ব্রিটেনে ৪৫০ থেকে ১০৬৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যবর্তী সময় অর্থাৎ তাদের প্রথম জনবসতি স্থাপনের সময় থেকে নর্ম্যান বিজয় পর্যন্ত।[২] এই যুগের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল এক ইংরেজ জাতিরাষ্ট্র গঠন, শায়ারহান্ড্রেডের আঞ্চলিক সরকার সহ যে জাতিরাষ্ট্রের অনেক বৈশিষ্ট্যই আজও বিদ্যমান রয়েছে। এই যুগেই খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল এবং ভাষা ও সাহিত্যের এক প্রকার পরিপূর্ণতা লাভ ঘটেছিল। সনদ ও আইনও প্রচলিত হয়েছিল এই যুগে।[৩] অ্যাংলো-স্যাক্সন শব্দটি অন্ততপক্ষে মধ্য-পঞ্চম শতাব্দী থেকে মধ্য-দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে ইংল্যান্ড ও দক্ষিণপূর্ব স্কটল্যান্ডে অ্যাংলো-স্যাক্সনদের মুখের ও লেখার ভাষার নাম হিসেবেই জনপ্রিয়। গবেষকেরা সাধারণত এই ভাষাটিকে প্রাচীন ইংরেজি নামে অভিহিত করেন।[৪]

অ্যাংলো-স্যাক্সনদের ইতিহাস হল একটি সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ইতিহাস। এই ইতিহাসে দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের জনগোষ্ঠীর পারস্পরিক আদানপ্রদান, সেই জনগোষ্ঠীর খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ এবং বিভিন্ন রাজ্যের স্থাপনা। ড্যানিশ ভাইকিংদের ব্যাপক সামরিক অভিযান এবং পূর্ব ইংল্যান্ডের সামরিক দখলদারির ভয়ে এই পরিচয় পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল; তা প্রাধান্য বজায় রেখেছিল নর্ম্যান বিজয় পর্যন্ত।[৫] অ্যাংলো-স্যাক্সন বস্তুগত সংস্কৃতি এখনও স্থাপত্য, পোষাক-পরিচ্ছদ, অলংকৃত গ্রন্থ, ধাতু ও অন্যান্য শিল্পের মধ্যে লক্ষিত হয়। এই সব সাংস্কৃতিক চিহ্নের প্রতীকী প্রকৃতির পিছনে উপজাতীয় ও শাসকশ্রেণির বন্ধনের বলিষ্ঠ উপাদানের অস্তিত্ব রয়েছে। অভিজাতবর্গ নিজেদের রাজা ঘোষণা করে বারাহ্-গুলি গড়ে তোলে এবং নিজেদের ভূমিকা ও শাসিত প্রজাবর্গকে বাইবেলীয় শব্দ দ্বারা চিহ্নিত করে। হেলেনা হেমরোর মতে, সর্বোপরি "স্থানীয় ও সম্প্রসারিত আত্মীয় গোষ্ঠীগুলি থেকে যায়… [যা] সমগ্র অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগ ধরে উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ একক ছিল।"[৬] এই প্রভাব একবিংশ শতাব্দী অবধি বজায় রয়েছে। ২০১৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে বর্তমানে ব্রিটিশ জনসংখ্যার জিনগত গঠনের মধ্যে আদি অ্যাংলো-স্যাক্সন যুগের উপজাতীয় রাজনৈতিক এককগুলির বিভাগ বিদ্যমান।[৭]

লাতিন ভাষায় ও মহাদেশীয় ইউরোপে অ্যাংলো-স্যাক্সন শব্দটি অষ্টম শতাব্দী থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে ব্রিটেনের জার্মানিক জাতিগোষ্ঠীগুলিকে মহাদেশীয় জার্মানিক জাতিগোষ্ঠীর (উত্তর জার্মানির ওল্ড স্যাক্সনিঅ্যাংলিয়া) থেকে পৃথক করার জন্য।[৮][ক] Catherine Hills summarised the views of many modern scholars in her observation that attitudes towards Anglo-Saxons, and hence the interpretation of their culture and history, have been "more contingent on contemporary political and religious theology as on any kind of evidence."[৯]

পাদটীকাসম্পাদনা

  1. Throughout this article Anglo-Saxon is used for Saxon, Angles, Jute, or Frisian unless it is specific to a point being made; "Anglo-Saxon" is used when specifically the culture is meant rather than any ethnicity. But, all these terms are interchangeably used by scholars.

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Williams, Joseph M. (১৯৮৬)। Origins of the English Language: A Social and Linguistic History আইএসবিএন 978-0-02-934470-5 
  2. Higham, Nicholas J., and Martin J. Ryan. The Anglo-Saxon World. Yale University Press, 2013.
  3. Higham, Nicholas J., and Martin J. Ryan. The Anglo-Saxon World. Yale University Press, 2013. p. 7
  4. Richard M. Hogg, ed. The Cambridge History of the English Language: Vol 1: the Beginnings to 1066 (1992)
  5. Higham, Nicholas J., and Martin J. Ryan. The Anglo-Saxon World. Yale University Press, 2013. pp. 7–19
  6. Hamerow, Helena. Rural Settlements and Society in Anglo-Saxon England. Oxford University Press, 2012. p166
  7. Sarah Knapton (১৮ মার্চ ২০১৫)। "Britons still live in Anglo-Saxon tribal kingdoms, Oxford University finds"Daily Telegraph। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৫ 
  8. Higham & Ryan 2013:7"The Anglo-Saxon World"
  9. Hills, Catherine. Origins of the English. Duckworth Pub, 2003. p. 21

আরও পড়ুনসম্পাদনা

সাধারণসম্পাদনা

  • Hamerow, Helena; Hinton, David A.; Crawford, Sally, সম্পাদকগণ (২০১১), The Oxford Handbook of Anglo-Saxon Archaeology., Oxford: OUP, আইএসবিএন 978-0-19-921214-9 
  • Higham, Nicholas J.; Ryan, Martin J. (২০১৩), The Anglo-Saxon World, Yale University Press, আইএসবিএন 978-0-300-12534-4 
  • Hills, Catherine (২০০৩), Origins of the English, London: Duckworth, আইএসবিএন 0-7156-3191-8 
  • Koch, John T. (২০০৬), Celtic Culture: A Historical Encyclopedia, Santa Barbara and Oxford: ABC-CLIO, আইএসবিএন 1-85109-440-7 
  • Stenton, Sir Frank M. (১৯৮৭) [first published 1943], Anglo-Saxon England, The Oxford History of England, II (3rd সংস্করণ), OUP, আইএসবিএন 0-19-821716-1 

ঐতিহাসিকসম্পাদনা

  • Clark, David, and Nicholas Perkins, eds. Anglo-Saxon Culture and the Modern Imagination (2010)
  • F.M. Stenton, Anglo-Saxon England, 3rd edition, (Oxford: University Press, 1971)
  • J. Campbell et al., The Anglo-Saxons, (London: Penguin, 1991)
  • Campbell, James, সম্পাদক (১৯৮২)। The Anglo-Saxons। London: Penguin। আইএসবিএন 978-0-140-14395-9 
  • E. James, Britain in the First Millennium, (London: Arnold, 2001)
  • M. Lapidge et al., The Blackwell Encyclopaedia of Anglo-Saxon England, (Oxford: Blackwell, 1999)
  • Donald Henson, The Origins of the Anglo-Saxons, (Anglo-Saxon Books, 2006)
  • Bazelmans, Jos (২০০৯), "The early-medieval use of ethnic names from classical antiquity: The case of the Frisians", Derks, Ton; Roymans, Nico, Ethnic Constructs in Antiquity: The Role of Power and Tradition, Amsterdam: Amsterdam University, পৃষ্ঠা 321–337, আইএসবিএন 978-90-8964-078-9, ২০১৭-০৮-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৫-৩১ 
  • Brown, Michelle P.; Farr, Carol A., সম্পাদকগণ (২০০১), Mercia: An Anglo-Saxon Kingdom in Europe, Leicester: Leicester University Press, আইএসবিএন 0-8264-7765-8 
  • Brown, Michelle, The Lindisfarne Gospels and the Early Medieval World (2010)
  • Charles-Edwards, Thomas, সম্পাদক (২০০৩), After Rome, Oxford: Oxford University Press, আইএসবিএন 978-0-19-924982-4 
  • Dodwell, C. R., Anglo-Saxon Art, A New Perspective, 1982, Manchester UP, আইএসবিএন ০-৭১৯০-০৯২৬-X
  • Dornier, Ann, সম্পাদক (১৯৭৭), Mercian Studies, Leicester: Leicester University Press, আইএসবিএন 0-7185-1148-4 
  • Elton, Charles Isaac (১৮৮২), "Origins of English History", Nature, London: Bernard Quaritch, 25 (648): 501, এসটুসিআইডি 4097604, ডিওআই:10.1038/025501a0, বিবকোড:1882Natur..25..501T 
  • Frere, Sheppard Sunderland (১৯৮৭), Britannia: A History of Roman Britain (3rd, revised সংস্করণ), London: Routledge & Kegan Paul, আইএসবিএন 0-7102-1215-1 
  • Giles, John Allen, সম্পাদক (১৮৪১), "The Works of Gildas", The Works of Gildas and Nennius, London: James Bohn 
  • Giles, John Allen, সম্পাদক (১৮৪৩a), "Ecclesiastical History, Books I, II and III", The Miscellaneous Works of Venerable Bede, II, London: Whittaker and Co. (প্রকাশিত হয় ১৮৪৩) 
  • Giles, John Allen, সম্পাদক (১৮৪৩b), "Ecclesiastical History, Books IV and V", The Miscellaneous Works of Venerable Bede, III, London: Whittaker and Co. (প্রকাশিত হয় ১৮৪৩) 
  • Härke, Heinrich (২০০৩), "Population replacement or acculturation? An archaeological perspective on population and migration in post-Roman Britain.", Celtic-Englishes, Carl Winter Verlag, III (Winter): 13–28, সংগ্রহের তারিখ ১৮ জানুয়ারি ২০১৪ 
  • Haywood, John (১৯৯৯), Dark Age Naval Power: Frankish & Anglo-Saxon Seafaring Activity (revised সংস্করণ), Frithgarth: Anglo-Saxon Books, আইএসবিএন 1-898281-43-2 
  • Higham, Nicholas (১৯৯২), Rome, Britain and the Anglo-Saxons, London: B. A. Seaby, আইএসবিএন 1-85264-022-7 
  • Higham, Nicholas (১৯৯৩), The Kingdom of Northumbria AD 350–1100, Phoenix Mill: Alan Sutton Publishing, আইএসবিএন 0-86299-730-5 
  • Jones, Barri; Mattingly, David (১৯৯০), An Atlas of Roman Britain, Cambridge: Blackwell Publishers (প্রকাশিত হয় ২০০৭), আইএসবিএন 978-1-84217-067-0 
  • Jones, Michael E.; Casey, John (১৯৮৮), "The Gallic Chronicle Restored: a Chronology for the Anglo-Saxon Invasions and the End of Roman Britain", Britannia, The Society for the Promotion of Roman Studies, XIX (November): 367–98, জেস্টোর 526206, ডিওআই:10.2307/526206, ১৩ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৪ 
  • Karkov, Catherine E., The Art of Anglo-Saxon England, 2011, Boydell Press, আইএসবিএন ১-৮৪৩৮৩-৬২৮-৯, আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৩৮৩-৬২৮-৫
  • Kirby, D. P. (২০০০), The Earliest English Kings (Revised সংস্করণ), London: Routledge, আইএসবিএন 0-415-24211-8 
  • Laing, Lloyd; Laing, Jennifer (১৯৯০), Celtic Britain and Ireland, c. 200–800, New York: St. Martin's Press, আইএসবিএন 0-312-04767-3 
  • Leahy, Kevin; Bland, Roger (২০০৯), The Staffordshire Hoard, British Museum Press, আইএসবিএন 978-0-7141-2328-8 
  • McGrail, Seàn, সম্পাদক (১৯৮৮), Maritime Celts, Frisians and Saxons, London: Council for British Archaeology (প্রকাশিত হয় ১৯৯০), পৃষ্ঠা 1–16, আইএসবিএন 0-906780-93-4 
  • Mattingly, David (২০০৬), An Imperial Possession: Britain in the Roman Empire , London: Penguin Books (প্রকাশিত হয় ২০০৭), আইএসবিএন 978-0-14-014822-0 
  • Pryor, Francis (২০০৪), Britain AD, London: Harper Perennial (প্রকাশিত হয় ২০০৫), আইএসবিএন 0-00-718187-6 
  • Russo, Daniel G. (১৯৯৮), Town Origins and Development in Early England, c. 400–950 A.D., Greenwood Publishing Group, আইএসবিএন 978-0-313-30079-0 
  • Snyder, Christopher A. (১৯৯৮), An Age of Tyrants: Britain and the Britons A.D. 400–600, University Park: Pennsylvania State University Press, আইএসবিএন 0-271-01780-5 
  • Snyder, Christopher A. (২০০৩), The Britons , Malden: Blackwell Publishing (প্রকাশিত হয় ২০০৫), আইএসবিএন 978-0-631-22260-6 
  • Webster, Leslie, Anglo-Saxon Art, 2012, British Museum Press, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭১৪১-২৮০৯-২
  • Wickham, Chris (২০০৫), Framing the Early Middle Ages: Europe and the Mediterranean, 400–800, Oxford: Oxford University Press (প্রকাশিত হয় ২০০৬), আইএসবিএন 978-0-19-921296-5 
  • Wickham, Chris (২০০৯), "Kings Without States: Britain and Ireland, 400–800", The Inheritance of Rome: Illuminating the Dark Ages, 400–1000, London: Penguin Books (প্রকাশিত হয় ২০১০), পৃষ্ঠা 150–169, আইএসবিএন 978-0-14-311742-1 
  • Wilson, David M.; Anglo-Saxon: Art From The Seventh Century To The Norman Conquest, Thames and Hudson (US edn. Overlook Press), 1984.
  • Wood, Ian (১৯৮৪), "The end of Roman Britain: Continental evidence and parallels", Lapidge, M., Gildas: New Approaches, Woodbridge: Boydell, পৃষ্ঠা 19 
  • Wood, Ian (১৯৮৮), "The Channel from the 4th to the 7th centuries AD", McGrail, Seàn, Maritime Celts, Frisians and Saxons, London: Council for British Archaeology (প্রকাশিত হয় ১৯৯০), পৃষ্ঠা 93–99, আইএসবিএন 0-906780-93-4 
  • Yorke, Barbara (১৯৯০), Kings and Kingdoms of Early Anglo-Saxon England, B. A. Seaby, আইএসবিএন 0-415-16639-X 
  • Yorke, Barbara (১৯৯৫), Wessex in the Early Middle Ages, London: Leicester University Press, আইএসবিএন 0-7185-1856-X 
  • Yorke, Barbara (২০০৬), Robbins, Keith, সম্পাদক, The Conversion of Britain: Religion, Politics and Society in Britain c.600–800, Harlow: Pearson Education Limited, আইএসবিএন 978-0-582-77292-2 
  • Zaluckyj, Sarah, সম্পাদক (২০০১), Mercia: The Anglo-Saxon Kingdom of Central England , Little Logaston: Logaston, আইএসবিএন 1-873827-62-8 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

টেমপ্লেট:Germanic peoples