প্রধান মেনু খুলুন

অশোকনগর কল্যাণগড়, উত্তর চব্বিশ পরগনা

(অশোকনগর, উত্তর চব্বিশ পরগনা থেকে পুনর্নির্দেশিত)

অশোকনগর কল্যাণগড় পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত সদর মহকুমার অশোকনগর থানার অধীন একটি শহর ও একটি পৌরসভা এলাকা [২]। পুরসভার নাম অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা

অশোকনগর কল্যাণগড়
অশোকনগর
শহর
অশোকনগর কল্যাণগড় পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
অশোকনগর কল্যাণগড়
অশোকনগর কল্যাণগড়
অবস্থান- পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′৫৯″ উত্তর ৮৮°৩৭′৫৯″ পূর্ব / ২২.৮৩৩° উত্তর ৮৮.৬৩৩° পূর্ব / 22.833; 88.633স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′৫৯″ উত্তর ৮৮°৩৭′৫৯″ পূর্ব / ২২.৮৩৩° উত্তর ৮৮.৬৩৩° পূর্ব / 22.833; 88.633
দেশ ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাউত্তর চব্বিশ পরগনা
নামকরণের কারণঅশোক কুমার সেন
সরকার
 • পৌর প্রধানপ্রবোধ সরকার[১]
 • বিধায়কধীমান রায়
জনসংখ্যা (2011)
 • মোট১,২৩,৯০৬
ভাষা
 • সরকারীবাংলা, হিন্দি, ইংরাজি
সময় অঞ্চলIST (ইউটিসি+5:30)
PIN৭৪৩২২২, ৭৪৩২৭২
টেলিফোন কোড(এস টি ডি_কোড) +৯১৩২১৬
লোকসভা কেন্দ্রবারাসাত
বিধানসভা কেন্দ্রঅশোকনগর
ওয়েবসাইটwww.habralocal.com

অশোকনগর কল্যাণগড়ের এক বিরাট ঐতিহ্য আছে এখানকার রাজনৈতিক চেতনা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন প্রভৃতির জন্য। এই শহরটি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বি.সি.রায় দ্বারা পরিকল্পিত। কিন্তু এর প্রধান স্থপতি প্রয়াত কংগ্রেস নেতা তরুন কান্তি ঘোষ, প্রয়াত কংগ্রেস নেতা কেশব ভট্টাচার্য, প্রয়াত সিপিআই(এম) নেতা ননী কর এবং প্রয়াত সিপিআই নেতা ডাঃ সাধন সেন।

অশোকনগর-কল্যাণগড় পৌরসভা এলাকার অধীন পর্যটক আকর্ষণ করার মতো দুটি উদ্যান রয়েছে - সংহতি পার্ক এবং মিলেনিয়াম সায়েন্স পার্ক। এখানে একটি ডিগ্রী কলেজ, দুটি হাসপাতাল, বেশ কয়েকটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যানেজমেন্ট কলেজ, দুটি কমিউনিটি হল, একাধিক সাব-কমিউনিটি হল, একটি স্টেডিয়াম, একটি পিকনিক গার্ডেন, ভাল গ্রন্থাগার, একটি সুইমিং পুল এবংতিনটি মাল্টি জিম আছে। এখানে দুটি ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলও আছে। রেল ও সড়ক পথের মাধ্যমে অশোকনগর কোলকাতার সঙ্গে সংযুক্ত।

এলাকার স্কুল গুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অশোকনগর বানিপীঠ উচ্চমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, অশোকনগর আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়, অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল, কল্যাণগড় বিদ্যামন্দির, কল্যাণগড় বালিকা বিদ্যালয়, বিবেকানন্দ বিদ্যামন্দির, হরিপুর সংস্কৃতি সঙ্ঘ ইত্যাদি।

এছাড়াও রেলওয়ে স্টেশনের ঠিক বিপরীতে কল্যাণী স্পিনিং মিল নামে একটি কারখানা রয়েছে। অনেক আগে এখানে RIC-র একটি ইউনিট ছিল এবং একটি রাসায়নিক কারখানাও ছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে সেগুলো বন্ধ হয়ে যায়।

অশোকনগর কল্যাণগড় বিখ্যাত কল্যাণগড় অঞ্চলের জগদ্ধাত্রী পুজো উপলক্ষে। এই অঞ্চলের জগদ্ধাত্রী পুজো জেলায় নাম ছড়িয়েছে।এই অঞ্চলকে দ্বিতীয় চন্দননগর বলা হয়।।

ইতিহাসসম্পাদনা

ব্রিটিশ আমলে অশোকনগর একটি রয়াল এয়ার ফোর্স (RAF) স্টেশন অর্থাৎ একটি বিমানঘাঁটি ছিল। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধান চন্দ্র রায় একে একটি পরিকল্পিত শহরে উন্নীত করেন। পূর্বে এই শহর "হাবড়া আরবান কলোনি" নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে এর উত্তর-পূর্ব অংশের নামকরণ করা হয় "কল্যাণগড়" এবং দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের নামকরণ করা হয় "অশোকনগর"

রাজনীতিসম্পাদনা

অশোকনগর একদা বাম রাজনীতির অন্যতম ঘাঁটি ছিল। এই এলাকা ১৯৫৯ এবং ১৯৬৬ এর খাদ্য আন্দোলন সাক্ষী ছিল। শরণার্থী, ছাত্র এবং শিক্ষকদের আন্দোলন সমাবেশ এলাকায় রাজনৈতিকভাবে স্পন্দনশীল ছিল ১৯৭৭ পর্যন্ত । ১৯৬৭ সালে প্রথমবার গঠিত হয় বিধানসভা কেন্দ্র, প্রথম নির্বাচনে সি পি আই এর ডাঃ সাধন সেন জয়ী হয়েছিল। তিনি ১৯৬৯ এই আসনে জয়ী হন। সিপিআই(এম) এর ননী কর, ১৯৭১,'৮৭, '৯১ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এর কেশবচন্দ্র ভট্টাচার্য কে পরাজিত করেন এবং ১৯৭৭, '৮২ কেশবচন্দ্র ভট্টাচার্য কে নির্দল হিসেবে পরাজিত করেন। ১৯৭২ সালের নির্বাচনে জাতীয় কংগ্রেসের কেশব ভট্টাচার্য ননী করকে পরজিত করেন এবং বিধায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে সিপিআই (এম) নীরোদ রায়চৌধুরী জাতীয় কংগ্রেসের ধীমাম রায় কে পরাজিত করেন। পরবর্তীকালে নীরোদ রায়চৌধুরী এর আকস্মিক মৃত্যুতে, এই আসনে উপনির্বাচন হয় ১৯৯৮ সালে। নির্বাচনে বিজেপির শ্রী বাদল ভট্টাচার্য ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থন দ্বারা সিপিআই(এম) প্রার্থী রেখা গোস্বামীকে পরাজিত করেন। ২০০১ সালে সিপিআই(এম) এর শর্মিষ্ঠা দত্ত AITC (অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস) এর অশোক কৃষ্ণ দত্ত কে পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন। সিপিআই(এম) এর সত্যসেবী কর ২০০৬ সালে অশোকনগর বিধানসভা আসনে AITC এর ধীমান রায়কে পরাজিত করেন। AITC এর ধীমান রায় বিপুল ভোটে ২০১১ বিধানসভা নির্বচনে CPIM এর সত্যসেবী করকে পরাজিত করেন। ২০১৬ সালে, AITC এর ধীমান রায় আবারও সিপিআই(এম) ও জাতীয় কংগ্রেসের জোট প্রার্থী সত্যসেবী করকে বিপুল পরাজিত করে বিধায়ক নির্বাচিত হন।

অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা বামফ্রন্টের অধীনে ছিল ২০১০ সাল পর্যন্ত। AKM এর প্রথম নির্বাচিত চেয়ারপারসন ছিলেন শ্রী বিকাশ রায়চৌধুরী, সময়কাল(১৯৮১-১৯৯৪)। পরবর্তী পৌরপ্রধান শ্রীমতি শর্মিষ্ঠা দত্ত (সিপিআইএম) (১৯৯৪ -২০১০) পর্যন্ত নির্বাচিত ছিলেন। উভয় সময়ে চিত্তরঞ্জন বসু (সিপিআই) ভাইস-চেয়ারম্যান ছিলেন। যিনি অবকাঠামো ও ইউটিলিটি বিনোদনমূলক / বিনোদন শিক্ষা ক্ষেত্রে বিভিন্ন উন্নয়ন চালিত করেন। পরে তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা ছেড়ে দেন, যখন ওঁনার আসনটি সিপিআই অনগ্রসর বর্ণ প্রার্থীর জন্য বরাদ্দ করা হলে। তারপর তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রী সমীর দত্ত অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভার ২২.০৬.২০১০ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। এখন তৃণমূলের শ্রী প্রবোধ সরকার অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভার চেয়ারম্যান (২৩.০৫.২০১৫) রয়েছেন।

২০০৫ সালে প্রথম মানবাধিকার সংগঠন এই এলাকা, সমাজকর্মী শ্রী শ্যামল কুমার সোম(চন্দন সোম) উদ্যেগে CPDR গঠিত হয়, অশোকনগর শাখা নামে পরিচিত। তিনি এছাড়াও এই এলাকায় সংগঠনের সভাপতি কাজ করছে গেলেন।

ভূগোলসম্পাদনা

অশোকনগরের ভৌগোলিক অবস্থান :- ২২°৪৯'৫৯" উত্তর ৮৮°৩৭'৫৯" পূর্ব/২২.৮৩৩° উত্তর ৮৮.৬৩৩° পূর্ব

জনসংখ্যার পরিসংখ্যানসম্পাদনা

২০১১ সালে ভারতের আদমশুমারি অণুযায়ী অশোকনগরের জনসংখ্যা ছিল ১,২৩,৯০৬। এর মধ্যে পুরুষ ৬২,৫৫৪ জন এবং নারী ৬১,৩৫২। 0-৬ বছর বয়সী দের সংখ্যা ছিল ৮৮৮৫। অশোকনগরের সাক্ষরতার গড় হার ছিল ৯২.৪৫ % [৩]

শিক্ষাসম্পাদনা

এখানকার সাক্ষরতার হার ৯২.৪৫ % (২০১১ সালের আদমশুমারি অণুযায়ী) [৩]। অশোকনগর-কল্যাণগড় পৌর এলাকায় মেয়েদের ও ছেলেদের জন্য বেশ কয়েকটি উচ্চবিদ্যালয় এবং প্রচুর প্রাথমিক বিদ্যালয় (সরকারি ও বেসরকারি) আছে। এগুলোর মধ্যে কল্যাণগড় বিধানচন্দ্র বিদ্যাপীঠ (উঃ.মা.), কল্যাণগড় বিদ্যামন্দির(উঃ.মা.), অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুল, অশোকনগর বাণীপীঠ গার্লস হাই স্কুল, সেন্ট ফ্রান্সিস স্কুল, নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয় প্রধান।

সিনেমা হল/অডিটোরিয়ামসম্পাদনা

  • নটরাজ সিনেমা হল
  • শহীদ সদন

ব‍্যাঙ্কসমূহসম্পাদনা

  • ভারতীয় স্টেট ব‍্যাঙ্ক
  • ইউনিয়ন ব‍্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া
  • ইউনাইটেড ব‍্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া
  • অ্যাক্সিস ব‍্যাঙ্ক
  • ইউকো ব‍্যাঙ্ক
  • এলাহাবাদ ব‍্যাঙ্ক
  • ব‍্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া
  • বঙ্গীয় গ্রামীন বিকাশ ব্যাঙ্ক

স্বাস্থ্য পরিষেবাসম্পাদনা

হাসপাতালসম্পাদনা

  • অশোকনগর রাজ‍্য সাধারণ হাসপাতাল
  • সরস্বতী সেবাসদন

নার্সিংহোমসম্পাদনা

  • ব্লু প্রিন্ট নার্সিংহোম

পরিবহনসম্পাদনা

অশোকনগর পূর্ব রেল-এর শিয়ালদহ - বনগাঁ লাইনে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ৪১ কিলোমিটার (২৫ মাইল) এবং বারাসাত স্টেশন থেকে ২৩ কিমি [৪]। অশোকনগর সড়ক পথে সরাসরি NH 35 (যশোর রোড)-এর সঙ্গে সংযুক্ত।

হাবড়া বাস টার্মিনাল থেকে প্রত্যহ বাস যায় নৈহাটি , হাবড়া, মছলন্দপুর, বনগাঁ, বারাসাত , মধ্যমগ্রাম, কল্যাণী , বসিরহাট, বাগদা, চাকদা, কলকাতা,দীঘা, দুর্গাপুর , ব্যান্ডেল , বারুইপুর, হাওড়া , কৃষ্ণনগর প্রভৃতি জায়গায়। অশোকনগর বাইপাস রোড সরাসরি সংযুক্ত NH 35 (যশোর রোড) এবং NH 34(শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা)-এর সঙ্গে।

সংস্কৃতিসম্পাদনা

অশোকনগরের একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ইতিহাস রয়েছে। এখানকার অধীকাংশ বাসিন্দা উচ্চ সংস্কৃতিপ্রেমী মনস্ক। সংস্কৃতির অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসাবে গণ্য করা হয় অশোকনগর কে। ফুটবলার সমরেশ চৌধুরী ( পিন্টু চৌধুরী ) , শঙ্কর সাঁধূ, অসীম বিশ্বাস ও ক্রীড়াবিদ তড়িৎ বাবু এই এলাকার বাসিন্দা। এছাড়াও রয়েছে অভিযাত্রী নাট্যোৎসব কমিটি, নাট্যমুখ, সমাঙ্গণ, আদরের নৌকো।

উৎসবসম্পাদনা

এখানে দুর্গোৎসব, শ্যামা পূজা, জগদ্ধাত্রী পূজা বেশ সমারোহে পালিত হয়।

দুর্গোৎসবসম্পাদনা

অশোকনগর কল্যাণগড়ের বুকে কিছু ক্লাব সংঘটন যারা দুর্গা পূজা আয়োজন করে থাকে-

  • বালক বৃন্দ ক্লাব (১৯ নং কাঁকপুল)
  • ৮ নং স্কিম ভারতী ক্লাব
  • অশোকনগর শ্যামাপ্রসাদ অ্যাভিনিউ
  • ভারতী সংঘ
  • ৩ নং মিতালী সংঘ
  • নয়াসমাজ
  • বালক সংঘ (এ. জি. কলোনি)
  • অগ্রদূত সংঘ (৪ নং স্কিম)
  • এ. পি. এ.
  • ব্রতী সংঘ
  • পাঁচের পল্লী
  • কেন্দ্রীয় দুর্গোৎসব কমিটি (১/৩ মোড়)
  • ৪-এর পল্লী দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল (রবীন্দ্র সংঘ)
  • ৩ নং স্কিম অধিবাসী বৃন্দ ( বিবেকানন্দ ক্লাব)
  • পল্লী সংঘ
  • সুহৃদ সংঘ
  • মিলন সংঘ
  • অশোকনগর মধ্য পল্লী দুর্গোৎসব কমিটি (নেতাজী সুভাষ সংঘ )
  • শক্তিসাধনা ক্লাব
  • কল্পতরু সেবা সংঘ (কাঁকপুল)
  • নবারুন সংঘ
  • অগ্নি বীণা ক্লাব
  • বাণী তীর্থ ক্লাব
  • শিশু তীর্থ ক্লাব
  • সীমান্ত পাড়া সর্বজনীন (নেতাজী সংঘ)
  • অশোকনগর বান্ধব সমিতি
  • জনকল্যাণ সভা
  • সবুজ সংঘ
  • কালীতলা অধিবাসী বৃন্দ
  • কয়াডাঙা সংঘ মিত্র ক্লাব
  • কল্যাণগড় বাজার ব্যবসায়ী সমিতি
  • রামকৃষ্ণ সেবা সমিতি
  • তরুন সংঘ ,কল্যাণগড় ৬ নং
  • মানিকনগর কিশোর সংঘ
  • শান্তি সংঘ
  • তরুন পল্লী দুর্গোৎসব কমিটি
  • ছাত্র সংঘ
  • ভাতশালা অধিবাসী বৃন্দ
  • ২ নং স্কিম যুবক সংঘ
  • গোলবাজার ব্যবসায়ী সমিতি
  • পূর্বাচল সংঘ
  • শিববাড়ি
  • বিদ্যার্থী
  • সুভাষ পল্লী দুর্গোৎসব কমিটি
  • শহীদ বাগ ,হরিপুর
  • বীণাপাণি সংঘ
  • মানিকনগর সবুজ মনি ক্লাব
  • সমাজ মিলন কেন্দ্র

শ্যামাপূজা আয়োজনকারী কিছু ক্লাবসম্পাদনা

  • নবযুবক সংঘ
  • সংঘশ্রী ক্লাব
  • মেঘদূত সংঘ
  • প্রগতি সংঘ
  • নবীন সংঘ

খেলাধূলাসম্পাদনা

 
এপিএল টি-টুইন্টি
 
নবীন সংঘ রকার্স, এপিএল টি-টুইন্টির প্রথম বর্ষের জয়ী

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Official District Administration site"। ১৫ জানুয়ারি ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৫ 
  2. District-wise list of statutory towns
  3. "Census of India 2001: Data from the 2001 Census, including cities, villages and towns (Provisional)"। Census Commission of India। ২০০৪-০৬-১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-০১ 
  4. Eastern Railway time table