আজকের নির্বাচিত নিবন্ধ
|
নির্বাচিত নিবন্ধ
|
|---|
|
সত্যজিৎ রায় একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্পের জগতে খ্যাতনামা এক বাঙালি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী ছবি লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তাঁর কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁর নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” পুরস্কারটি। পথের পাঁচালি, অপরাজিত ও অপুর সংসার – এই তিনটি চলচ্চিত্রকে একত্রে অপু ত্রয়ী ডাকা হয়, এবং এই চলচ্চিত্র-ত্রয়ী তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কাজ বা ম্যাগনাম ওপাস হিসেবে বহুল স্বীকৃত। চলচ্চিত্র মাধ্যমে সত্যজিৎ চিত্রনাট্য রচনা, চরিত্রায়ন, সঙ্গীত স্বরলিপি রচনা, চিত্র গ্রহণ, শিল্প নির্দেশনা, সম্পাদনা, শিল্পী-কুশলীদের নামের তালিকা ও প্রচারণাপত্র নকশা করাসহ নানা কাজ করেছেন। (বাকি অংশ পড়ুন...) |
|
ভালো নিবন্ধ
|
|
লিওনেল আন্দ্রেস ‘‘লিও’’ মেসি একজন আর্জেন্টিনীও ফুটবলার, যিনি লা লিগার দল বার্সেলোনা এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। মাত্র ২১ বছর বয়সেই তিনি ব্যালন দি’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের জন্য মনোনীত হন। এর পরের বছরেই তিনি প্রথমবারের মত ব্যালন দি’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন করেন। ২০১০ সাল থেকে ব্যালন দি’অর এবং ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার দুটিকে এক করে নাম দেওয়া হয় ফিফা ব্যালোন দি’অর। উদ্বোধনী বছরেই এই পুরস্কার জিতেন মেসি। এরপর ২০১১ এবং ২০১২ সালের পুরস্কারও জিতেন তিনি। মেসি ২০১১–১২ মৌসুমে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন। মেসি বর্তমানে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় বার্সেলোনার সর্বোচ্চ গোলদাতা। অনেক ভাষ্যকার, কোচ এবং খেলোয়াড় তাকে বর্তমান সময়ের সেরা এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে দাবী করেন। ফুটবলের ইতিহাসে টানা চারবার ফিফা ব্যালন দি’অর জয়ী একমাত্র ফুটবলার মেসি। বার্সেলোনার হয়ে মেসি পাঁচটি লা লিগা, দুইটি কোপা দেল রে, পাঁচটি স্পেনীয় সুপার কাপ, তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, দুইটি ইউরোপীয়ান সুপার কাপ এবং দুইটি ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছেন। ২০১২ সালের মার্চে, উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের খেলায় বেয়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে পাঁচ গোল করে ইতিহাস গড়েন মেসি। মেসিই একমাত্র খেলোয়াড়, যিনি চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা চার মৌসুমে সর্বোচ্চ গোল করার কৃতিত্ব গড়েছেন। ২০১১–১২ মৌসুমে ইউরোপীয় ফুটবলের এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৭৩ গোলের রেকর্ড গড়েন মেসি। ঐ মৌসুমে লা লিগায়ও ৫০ গোল করে এক মৌসুমে লা লিগায় সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়েন তিনি। তার খেলার ধরন এবং দৈহিক উচ্চতার কারনে তাকে তারই স্বদেশী দিয়েগো মারাদোনার সাথে তুলনা করা হয়, যিনি নিজেই মেসিকে তার ‘‘উত্তরসূরি’’ হিসেবে ঘোষনা করেছেন। (বাকি অংশ পড়ুন...) |
|
অন্যান্য ভাষায় উইকিপিডিয়া
|
|
১ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধসমৃদ্ধ
Deutsch · English · Español · Français · Italiano · Nederlands · 日本語 · Norsk bokmål · Polski · Português · Русский · Suomi · Svenska · 中文 ৫০ হাজারেরও বেশি নিবন্ধসমৃদ্ধ
Bahasa Indonesia · Dansk · Català · Česky · Esperanto · עברית · Magyar · Română · Slovenčina · Türkçe · Українська ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য ভাষায়
संस्कृत · पालि · ಕನ್ನಡ · தமிழ் · ગુજરાતી · मराठी · कॉशुर/کٲشُر · सिन्धी/سنڌي · മലയാളം · తెలుగు · हिन्दी · বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী · ଓଡ଼ିଆ · অসমীয়া · नेपाली · भोजपुरी · ਪੰਜਾਬੀ · اردو |
খবরে
- ...প্রয়াত কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ছিলেন ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে দায়িত্বে থাকা মুখ্যমন্ত্রী?
- ... অন্তরঙ্গ সম্পর্কের খাতিরে মহাত্মা গান্ধীকে "মিকি মাউস" বলে ডাকতেন সরোজিনী নাইডু?
- ...বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বাঙালি জাতি সম্পর্কে গোপালকৃষ্ণ গোখলে বলেছিলেন "বাঙালি আজ যা ভাবে, ভারত ভাবে আগামীকাল"?
- ...ফাস্ট ফুড শব্দটি মারিয়াম-ওয়েবস্টার অভিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে, ১৯৫১ সালে সর্বপ্রথম পরিচিতি লাভ করে?
- ...বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের অন্তর্গত ক্ষুদ্র নদী করতোয়া একসময় একটি বড় নদী ছিল ও পবিত্র হিসেবে গণ্য হত?
- ...মঙ্গলকাব্য বাংলার মধ্যযুগীয় সামাজিক আচার প্রতিফলিত করে?
- ...বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনী ড. সাজ্জাদ হোসায়েনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেয়। দেশ স্বাধীন হবার পর তিনি গ্রেফতার হন এবং তাকে নির্বাসনে পাঠানো হয়?
Read in another language
এই নিবন্ধটি 42টি ভাষায় রয়েছে
- Simple English
- العربية
- Bahasa Indonesia
- Bahasa Melayu
- Български
- Català
- Česky
- Dansk
- Deutsch
- English
- Eesti
- Ελληνικά
- Español
- Esperanto
- Euskara
- فارسی
- Français
- Galego
- עברית
- Hrvatski
- Italiano
- 한국어
- Lietuvių
- Magyar
- Nederlands
- 日本語
- Norsk bokmål
- Norsk nynorsk
- Polski
- Português
- Română
- Русский
- Slovenčina
- Slovenščina
- Српски / srpski
- Suomi
- Svenska
- ไทย
- Tiếng Việt
- Türkçe
- Українська
- 中文